About Us
sachchida nanda dey
প্রকাশ ০৯/০৬/২০২১ ০২:১৮এ এম

আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় অবৈধভাবে ‘কুন্ডু মাকেট’ নির্মান

আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় অবৈধভাবে ‘কুন্ডু মাকেট’ নির্মান Ad Banner

আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা বাজারে কোটি টাকার পাউবো’র সম্পত্তিতে বিশাল আকারে অবৈধভাবে ‘কুন্ডু মাকেট’ নির্মান কাজ অব্যহত রয়েছে।

এ বিষয়ে একটি পক্ষ আশাশুনি সহকারি কমিশনার (ভুমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। উপজেলা ভূমি কর্তা অভিযোগটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) আব্দুল মজিদকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু, তহশিলদার আব্দুল মজিদ অজ্ঞাত কারনে প্রতক্ষ্য কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় মার্কেটের ভবন নির্মান কাজ দেদাচ্ছে চালিয়ে যাচ্ছে মালিকানা দাবীদার মাধব, জগদীশ, রমেশ, নিতাই, হরিয়ম কুন্ডুসহ তাদের শরিকরা।

সরজমিনে ঘুরে জানাগেছে, উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের চাম্পাখালি মৌজায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদীর চর ভরাটী প্রায় ৫০ একর সম্পত্তিতে দিনে দিনে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে গোয়ালডাঙ্গা বাজার। ওই সম্পত্তিতে ফাঁক বুঝে এক এক সময় এক একজন ব্যক্তি কোন প্রকার বাঁশের খুটি ও টিন বা গোল পাতার চাল তুলে দখল করে। পরে ওই দখলী স্বর্থে অধিক দামে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে। এলাকার সচেতন মহল বহুবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দিলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসিনতায় তেমন কোন ভুমিকা দেখা মিলেনি বা কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বাজারে অসংখ্য পাকা ঘর ও কলকারখানা যেন ব্যাঙ্গের ছাতার মত ছেয়ে আছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন ধরে গোয়ালডাঙ্গা বাজারস্থ ‘কুন্ডু মার্কেট’ নির্মাণকারীগনসহ আরো অনেকে সরকারি কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বিলাস বহুল মার্কেটের কাজ অব্যহত রেখেছেন।

এ ব্যাপারে মাধব, জগদীশ, রমেশ, নিতাই, হরিয়ম কুন্ডুসহ মার্কেট নির্মাণকারীরা এ প্রতিবেদককে জানান, সরকারি সম্পত্তি বাদ রেখে নিজ রের্কডীয় হাল ৫৩ নং দাগে মার্কেট নির্মাণ কাজ করছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট তহশিলদার মাফ জরিপ করে সরকারি জায়গা বাদ দিয়ে মার্কেট নির্মানের কাজ করার অনুমোতি দিয়েছেন।

অন্যদিকে, অভিযোগ কারীরা বলছেন,  তহশীলদার আব্দুল মজিদ মাপ জরিপ না করে নির্মানাধীন মার্কেট মালিকদের সাথে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে গোপন চুক্তি করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সঠিক তদন্ত পূর্বক লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ সরকার ফিরে পাবে এবং সরকার ব্যাপক অংকের বঞ্চিত রাজস্ব ফিরে পাবে এটাই এলাকাবাসির কামনা। বয়বৃদ্ধ একাধিক সচেতন ব্যক্তির প্রশ্ন, নদীর চর ভরাটি জমি ব্যক্তি মালিকানায় হলো কিভাবে ? বেশ কিছু ব্যক্তি ব্যাপক অর্থের বিনিময়ে সরকারী সম্পত্তি জবর দখল করে দোকান পাঠ নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় সংবাদ কর্মীরা লেখা লেখি করার জন্য ছবি তোলা ও জ্ঞিসাবাদ করা মাত্র দোকাট পাট নির্মানকারীরা বিভিন্ন ভাবে মানেজ করে নেন বলে ব্যাপক প্রচার রয়েছে। ‘কুন্ড মার্কেট’ নির্মাণ কারীরাও বিভিন্ন ভাবে বড় ভাই সাংবাদিকদের ব্যবস্থা করা হয়েছে খবর প্রকাশ হবে না বলে বিভিন্ন মহলে প্রচারও করে বেড়াচ্ছেন। তাহলে কারা সেই বড় ভাই সংবাদ কর্মীরা ? এ প্রশ্ন এখন সচেতন এলাকাবাসির।

এমনিভাবে যদি সরকারি খাস জমি ব্যক্তি বিশেষ কর্তা ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে নির্মাণ করা হয় তাহলে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব যেমন হারাবেন, তেমনি সরকারি কোন অফিস ভবন নির্মানে বাঁধাগ্রস্থ হবেন এলাকাবাসির অভিযোগ। এ ব্যাপারে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা, পাউবো কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীসহ এলাকার সচেতন মহল।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ