About Us
Rahim reza - (Jhalakathi)
প্রকাশ ০৮/০৬/২০২১ ০৬:৪৭পি এম

গৃহবধুকে ধর্ষণের পর ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকিতে ২ যুবক আটক

গৃহবধুকে ধর্ষণের পর ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকিতে ২ যুবক আটক Ad Banner

ঝালকাঠিতে গৃহবধুকে ধর্ষণের পর ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকির অভিযোগে দু’যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব) বরিশাল-০৮ এর একটি দল।

সোমবার বিকালে অভিযোগকারীর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র‌্যাব-০৮ বরিশালের একটি দল। শহরের কবিরাজ বাড়ি রোড এলাকার একটি বেকারী পন্য তৈরী কারখানা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের হায়দার আলী কাজীর পুত্র জিয়াউল ইসলাম ওরফে জিয়া কাজী ও নুরুল্লাপুর গ্রামের মৃত খালেক হাওলাদারের পুত্র সোহেল হাওলাদার। সোমবার বিকেলে র‌্যাব এদের ঝালকাঠি থানায় হস্তান্তরের পর ধর্ষণের শিকার গৃহবধু বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ৭ ও ৩০ ধারায় মামলা দায়ের করে। মঙ্গলবার দুপুরে আটককৃতদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই. নাজমুজ্জামান।

অভিযোগে গৃহবধু জানান, সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ে পড়–য়া মেয়ে আনা নেয়ার পথে দুসম্পর্কের মামা সোহেলের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরী করে জিয়া। বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে সে।

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৬ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে আটককৃতসহ আরো দুজন গৃহবধুকে ধরে নিয়ে সিটি ক্লাবের পিছনে জিয়া কাজীর বোন শারমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে। অন্যান্য আসামীরা ধর্ষণে সহায়তা করে এবং আপত্তকির দৃশ্যের ছবি তুলে রাখে। মানসম্মানের ভয়ে গৃহবধু বিষয়টি দীর্ঘদিন চেপে রাখলেও সম্প্রতি আসামী জিয়া ও সোহেল ওই গৃহবধুকে আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে টাকা পয়সা দাবি করছিল। বিষয়টি ওই গৃহবধু বরিশাল র‌্যাব ৮ এর কাছে জানালে গত সোমবার সকালে র‌্যাবের একটি টহল টিম কবিরাজবাড়ি সড়কের নিউ আজাদ বেকারীতে অভিযান চালিয়ে জিয়াউল ইসলাম জিয়া ও সোহেল হাওলাদারকে আটক করে।

ঝালকাঠি থানার এস.আই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুজ্জামান বলেন, আটককৃত দুইজনকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে। প্রেস ব্যবসায়ী গৃহবধুর স্বামী বলেন, বিষয়টি এতদিন আমি জানতাম না। আসামীরা আমার স্ত্রীকে অনেক টাকা পয়সা নিয়েছে। সম্প্রতি আসামীরা আমাকে ফোন করে নানাভাবে বিরক্ত করছিল। তাই আমার স্ত্রী আইনের আশ্রয়নিতে বাধ্য হয়েছে।

মামলার ৩নং আসামী তোতা মিয়া জানান, ভিকটিম বাদীর স্বামী এবং আমার প্রেসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পাশাপাশি। ব্যবসায়ীক প্রতিযোগিতার কারণে উদ্যেশ্যমূলকভাবে হয়রাণি করতে আমাকেও এমন একটি জঘণ্যতম মামলায় আসামী করা হয়েছে। এসব বিষয়ে আমি আদৌ কিছুই জানি না বলে নিজেকে নিদোর্ষ দাবী করেন তিনি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ