About Us
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
মোঃ শাহাদৎ রাজীন সাগর - (Naogaon)
প্রকাশ ০৮/০৬/২০২১ ০১:২২পি এম

স্বাধীন বাংলায় জাতির বিবেকদের স্বাধীনতা কোথায়?

স্বাধীন বাংলায় জাতির বিবেকদের স্বাধীনতা কোথায়? Ad Banner

গত ৩রা মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে এবারের স্লোগান"তথ্য জনগনের পণ্য"। রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম এবং সেই সাথে সংবিধানের ধারা অনুযায়ী গনতান্ত্রিক দেশে জনগণের মত প্রকাশেরও স্বাধীনতা রয়েছে। সেই জনগণের পণ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে পেশাগত দ্বায়িত্ব পালন কালে সাংবাদিকদের হতে হচ্ছে  নির্যাতনের স্বীকার। সাম্প্রতি তথ্য অধিকার ফর্মে তথ্য চাইতে গেলে নওগাঁর পত্নীতলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কর্তৃক স্থানীয় এক সাংবাদিককে  লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী ওই গণমাধ্যম কর্মী মাহমুদুন্নবী  "দৈনিক জয়পুরহাট খবর" পত্রিকার পত্নীতলা উপজেলা প্রতিনিধি। ঘটনার দিন বুধবার(২ জুন) প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহ কাজে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শোয়েব খান বরাবর আবেদন পত্র জমা দিলে তিনি ওই আবেদন পত্রটি ফেলে দেন এবং তিনি বলেন, আপনার যা করার ক্ষমতা করেন, আপনি কত বড় সাংবাদিক যে আপনাকে তথ্য দিতে হবে? 

উল্লেখ্য উপজেলার শিহাড়া ইউনিয়নের সুন্দরপুরগ্রামে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়মের তথ্যের সূত্র ধরে অনুসন্ধান করতে গিয়ে,  নিম্ন মানের ইট ও উপকরণ দিয়ে প্রকল্পের কাজ করার তথ্য পাওয়া যায় । ওই অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে তথ্য অধিকার আইন "আরটিআই" আবেদনের মাধ্যমে তথ্য চাইলে কর্মকর্তা পেশাগত কাজে সহযোগিতা না করে ওই সাংবাদিককে অপমান করেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগি ওই সাংবাদিক নিরাপত্তার জন্য পত্নীতলা থানায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে ওসি তাদের অপেক্ষা করতে বলে থানা থেকে বেরিয়ে যান।

ওসির অনুমতি ছাড়া তাকে জিডির ফরমও দেওয়া হয়নি দীর্ঘক্ষন সেখানে  অপেক্ষার পর ওসি শামসুল আলম শাহ মোবাইলে বলেন, তার ফিরতে দেরি হবে। শিহাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রভাব খাটিয়ে তাদের লোকজনের ঘর দিচ্ছেন। বাদ পড়েছেন  অসহায় ও  দরিদ্রদের নাম। এলাকার অনেকেই মনে করেন, এখানে টাকার লেনদেন হয়েছে।

এ বিষয়ে শিহাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ এর জন্য একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তথ্য অধিকার ফর্মে আবেদন করে তথ্য চাওয়ার পরও কর্মকর্তার এমন আচরণ সমন্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে চাইলে লিটন সরকার বলেন,ব্যাপারটা আমি জানিনা। যদি এমন কিছু হয় তাহলে আমরা তদন্ত সহকারে ব্যবস্থা নিবো। ৩নম্বর ইট ব্যবহার প্রসঙ্গে গতকালকে তিনি অবগত হয়েছেন সব খারাপ ইট পরিবর্তনের কথা বললেও,  যে গুলো ইতিমধ্যে হয়ে গেছে সে ঘর গুলো নিয়ে কোন ব্যবস্থার কথা জানাতে পারেননি এই কর্মকর্তা।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ