About Us
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১
sachchida nanda dey
প্রকাশ ০৮/০৬/২০২১ ১২:৫৮এ এম

আশাশুনিতে চলছে ঢিলেঢালা বিধিনিষেধে

আশাশুনিতে চলছে ঢিলেঢালা বিধিনিষেধে Ad Banner

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে চলছে বিশেষ লকউন বা বিধিনিষেধ।আজ সোমবার (৭ জুন) বিধিনিষেধের দিনে উপজেলার অধিকাংশ জায়গায় দোকান পাট বন্ধ রয়েছে।

তবে সড়কে যানবাহন ও মানুষের চলাচল বেড়েছে।কাঁচা বাজার,মাছবাজারে স্বাস্থ্য বিধি ব্যহত হচ্ছে। আশাশুনির বুধহাটা বাজারে গিয়ে দেখা যায় আব্দুল আলিম নামক একজন স্বেচ্ছাসেবক হ্যান্ডমাইক নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্কপড়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন।

কিন্তু বাজারের ভিতরে ছিল অন্য রকম চিত্র।ক্রেতাদের একে অপারের গায়ে হুমড়িখেয়ে পড়ার প্রতিযোগিতা।দোকানের কর্মচারি থেকে মালিক,ক্রেতা বিক্রেতা কারোর মুখে মাস্ক নেই।মাছ ও মাংসের বাজারের অঅবস্থা আরো শোচনীয়।

এখানে কোন বিক্রেতার মুখে মাস্ক নেই।সকাল নয় টা থেকে শর্ত মেনে কিছু কিছু দোকান পাট খোলার কথা থাকলেও  ভোর হতেই না হতে শুরু হয়ে যায় দোকানপাট খোলার প্রতিযোগিতা।চায়ের দোকানে চলে চা পানেরর সাথে সাথে আড্ডা।জেলাআন্ত সীমান্ত বন্ধ থাকলেও লোকজন আসার কমতি নেই।

ইজিবাইক,ইঞ্জিন ভ্যান,মটরসাইকেল চলছে দাপটের সাথে। ইজিবাইকে লোকাদাগাদি করে চলছে রাস্তা ঘাটে।যাত্রীর মুখে নেই মাস্ক। বিভিন্ন গাড়ীর ড্রাইভারের মুখে মাস্ক থুতনির নিচে ঝোলানো থাকে মাস্ক।অপর দিকে  আশাশুনিতে ২য় ধাপের পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হতে চলছে।

চলতি বছর ২য় ধাপে ইতিমধ্যে মোট ৫১ জন আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিন আক্রান্তে সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২ দিনে মোট ১৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে শোভনালীর গোঁদাড়া গ্রাম এবং বুধহাটার চাপড়া গ্রাম সবথেকে ঝুঁকিপূর্ণ। 

এ দু’টি ইউনিয়ন এর অন্যান্য গ্রামও ক্রমশ ঝুঁকির মুখে পতিত হচ্ছে। এক সময় সারা জেলার মধ্যে একজন পজিটিভ রুগী পাওয়া দুষ্কর ছিলো আর আজ সময়ের ব্যবধানে গ্রাম কে গ্রাম ছেঁয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় সকলকে সাবধান হওয়া ছাড়া প্রতিরোধের কোন উপায় নেই বলে স্বাস্থ্য বিভাগ হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছে।

কোভিড-১৯, ২য় ধাপের উপজেলার ১১ ইউনিয়নের পরি সংখ্যান  হলো, শোভনালী ইউনিয়ন ২১ জন, বুধহাটা ইউনিয়ন ১৪ জন, কুল্যা ইউনিয়নে ৩ জন, দরগাহপুর ইউনিয়নে ১ জন, বড়দল ইউনিয়নে ১ জন, আশাশুনি সদরে ৬ জন, শ্রীউলা ইউনিয়নে ১ জন, আনুলিয়া ইউনিয়নে ১ জন,  প্রতাপনগর ইউনিয়নে ২ জন ও কাদাকাটি ইউনিয়নে ১ জন, মোট ৫১জন ২য় ধাপে করোনা পজেটিভ হয়েছে।

উপজেলার খাজরা ইউনিয়নে ২য় ধাপে কোন করোন পজেটিভ রিপোর্ট আসেনি। তাদের মধ্যে সুস্থতা লাভ করেছে ১৩ জন এবং ৩৮ জন চিকিৎসাধীন আছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ