About Us
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১
Md. Nasir Uddin - (Dhaka)
প্রকাশ ০৭/০৬/২০২১ ১২:৪৪পি এম

কদম ও বর্ষার ফুলেরা

কদম ও বর্ষার ফুলেরা Ad Banner

বাংলা পঞ্জিকায় দিন তারিখের হিসেবে বর্ষার আগমন  হয়তো আরো দিন কয়েক পরেই। কিন্তু বৃষ্টির আগমনে  বাঙালি মনে বর্ষার যে ভাববিলাসী রূপের আগমনী বার্ত ছড়ায় সেট ছড়িয়ে গেছে ইতিমধ্যে।  

ঋতুরাজ বসন্ত যদি হয় বাংলার প্রাকৃতির সৌরভ আর সৌন্দর্যের সাতকাহন তাহলে বর্ষা সেখানে কম যায় না। বাঙালি মনকে স্মৃতিকাতর আর রোমান্টিক করে তোলায় বর্ষার জুড়ি মেলা ভার। বর্ষা বাঙালি লেখক কিংবা কবি সত্তাকে কতটা প্রভাবিত করে সেটা বুঝতে হুমায়ুনের ''যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো চলে এসো এক বরষায়. কিংবা রবীন্দ্রনাথের ''বাদল দিনের প্রথমও কদম ফুল.'' গান দুটোই যথেষ্ট।

বসন্তের পর বাংলা যে ঋতুতে সবচেয়ে বেশি ফুল ফুটে তা হল বর্ষা। বর্ষার আলোচনায় কদম ফুল থাকবেনা এটাতো অসম্ভব। কদম ফুল বলাতে ছোট বেলায় বর্ষায়  কদম ফুল সংক্রান্ত যাবতীয় স্মৃতি মনে পড়ে গেল, গোলগাল আকৃতির ফুলটার উপর কত নির্যাতনইনা চালাতাম।  গাছ থেকে ফুল পেড়ে সেই ফুলের পাপড়ি ছিড়ে ফুলটাকে ন্যাড়া বানাতাম তারপর তাতে আঁকতাম মানুষের মুখের অবয়ব আর পাপড়ি দিয়ে মাটিতে কত কিছু যে লিখতাম তার ইয়াত্তা নেই। 

বর্ষার ফুল গুলোর মধ্যে  মনকাড়া সৌরভ ছড়ানো ফুল যেমনি আছে তেমনি আছে নজরকাড়া সৌন্দর্য মণ্ডিত ফুল। বর্ষায়  কদম, কেয়া, কামিনী, বেলি,  বকুল, জুঁই ও দোলনচাঁপার  সুবাসে মুখরিত হয় চারপাশ। আলাদা করে বলতে হয় কামিনীলতা ও জুঁইয়ের কথা এগুলোর সুবাস মন মাতানো । আর বকুল ফুল শুকিয়ে গেলেও সুবাস  ছড়িয়ে থাকে চারদিকে।  স্পাইডার লিলি, দোলনচাঁপা, সুখদর্শন, শাপলা, সন্ধ্যামালতি, গুলনার্গিস, দোপাটি ও অলকান্দা এসব  ফুলের সৌন্দর্য্য যেন  প্রকৃতির বুকে হাঁসি হাঁসি মুখ করে দাড়িয়ে থাকা এক-একটা মুক্তোর ঝুলি । 

যদিও চালতা গাছ ফুল অপেক্ষা ফলের জন্য বেশি পরিচিত তথাপি বর্ষার জলে ধুঁয়ে চিকচিক করা গাড়  সবুজ পাতার ফাঁকে সাদা রঙের চালতা ফুলের ভেতর থেকে হলুদ বর্ণের বিকশিত রশ্মি বর্ষার আরেক  সৌন্দর্য্য। 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ