About Us
Hasan - (Dhaka)
প্রকাশ ০৭/০৬/২০২১ ১২:৩৭পি এম

জীবন

জীবন Ad Banner

দ্বিতীয় অংকের পরবর্তী অংশ।

হ্যা একেবারেই সাদিয়ার মত।আজব এমন হয় কিভাবে?

মেয়েটা আবার তাকাল আমার দিকে তখনো আমি তাকিয়ে আছি।মেয়েটি আরো বিরক্ত হল।

বিরক্তি চোখে আমাকে বলল-

-অন্য ছবি দেখান। এগুলা ভাল লাগছে না।

আমি কিছু না বলেই ছবি বদলিয়ে দিলাম।

আবার দেখতে লাগল। কন্ঠ শুনে বুঝতে পারলাম এটা সাদিয়া না।

সাদিয়ার কন্ঠ অনেক মধুর।

ওর কন্ঠ শুনেই ওর প্রেমে পরেছিলাম।কি যে মায়া জানিনা।

সাদিয়ার কথা মনে পরছে।মনে হচ্ছে গলার নিচটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। আমি বুঝতে পারলাম এটা পিপাসা তবে পানির নয়। এটা আজন্ম প্রেম আর প্রেমিকার পিপাসা। তৃষ্ণায় বুক ফেটে যাচ্ছে। মনটাও ছটফট করছে। নিজেকে অনেক চেষ্টা  করেও ধরে রাখতে পারলাম না। বেহায়ার মত আবার তাকালাম।  নির্লজ্জ হয়ে দেখতে লাগলাম চিরচেনা সেই প্রেম ও প্রেমিকাকে।

দুপুর ১২ টা কটকটে রোদ। এগিয়ে চলেছি সাতমসজিদ রোড দিয়ে মোহাম্মদপুরের দিকে। মন কিছুটা খারাপ। বারবার সাদিয়ার কথাই মনে পরছে। নিয়তি বড়ই আজব যা ভুলে জেতে চাই তাই বেশি মনে করিয়ে দেয়। যা হারিয়ে গেছে তা ফিরে পাওয়ার লালসা জাগায় মনে। অনুভুতিটা যেমন বিরক্তিকর তেমনই কস্টের।

রিকশা এগিয়ে চলছে। দুপাশে রঙিন সাদিয়ার ছরাছরি। পিছন থেকে ডাক আসে সাদিয়ার-

-এই শোন।শুনছ।কি হল শুনতে পাওনা?

-নাহ শুনতে পাইনা। এই রঙিন পৃথিবীতে সাদা কালো আমার ইচ্ছা বা চাওয়া পাওয়ার কোন দাম নেই। এখানে শুধু আছে ছুটে চলার। পরিবার,জীবন,ভবিষ্যৎ, সমাজের কাছে বাধা আমি।

নাহ আমি শুনতে পাইনা।শুধু এগিয়ে চলি। এগিয়েই চলি।

এই রঙিন জীবনে অদ্ভুদ শহরে মরিচিকা নিয়ে ঘুরছে হাজারো সাদিয়া।

আর প্রতিদিন হাজারো হাসান বলি দিয়ে চলেছে তাদের প্রেম,প্রেমিকা আর আকাংখার।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ