About Us
নুরুজ্জামান 'লিটন' - (Naogaon)
প্রকাশ ০৬/০৬/২০২১ ১১:২৮পি এম

নওগাঁয় বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নওগাঁয় বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ Ad Banner

নওগাঁ জেলার মান্দায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এবং আপত্তিকর অবস্থার ছবি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে এক কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে নাহিদ হাসান নান্নু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।  ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার মৈনম ইউপির বিলদুবলা গ্রামে। ভূক্তভোগীরা অনেক গরীব এবং অসহায় হওয়ায় স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীরা তাদেরকে প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করায় তারা আইনের আশ্রয় নিতেও ভয় পাচ্ছেন। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যেও সৃষ্টি হয়েছে। 

এ ঘটনার পর থেকে ওই বখাটে যুবক পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ওই অসহায় কলেজছাত্রীকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ায় বর্তমানে সে অসহায়ত্ব নিয়ে পথে পথে ঘুরছে।  এ ছাড়াও তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করায় সে ন্যায় বিচারের আসায় বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন। নাহিদ হাসান নান্নু একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।  ভূক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,নাহিদ হাসান নান্নু একই গ্রামের প্রতিবেশি সম্পর্কে তার চাচা হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবৎ উভয়ের বাড়িতে অবাধে যাতায়াত ছিলো তাদের। এরই একপর্যায়ে বিভিন্দিয়ে এবং চাকুরির অযুহাত দেখিয়ে বেশকিছুদিনের জন্য ঢাকায় নিয়ে যান ওই লম্পট চাচা।

এরপর তারা দুজনে ঢাকাতে স্বামী- স্ত্রী পরিচয়ে থাকতো। সম্প্রতি করোনার কারনে তারা দুজনেই ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে আসে। কিন্তু ঢাকায় থাকাবস্থায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে তার সাথে একাধিকবার অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক করায় ২/৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কলেজছাত্রী।  এরপর গত ২৬ মে উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের সাবাইহাটের একটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওই বখাটের নানীর মাধ্যমে নিয়ে গিয়ে ওই কলেজছাত্রীর গর্ভপাত করানো হয় বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী। বর্তমানে তার দুটি পথ খোলা একটি ন্যায় বিচার অথবা আত্মহত্যা। এহেন ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় নাহিদ হাসান নান্নু নামে ওই লম্পটের কঠিন বিচার দাবি করেছেন ভূক্তভোগী এবং স্থানীয়রা। 

ভূক্তভোগীর মা এবং বাবা বলেন, আমরা খুব গরীব এবং অসহায় মানুষ । একদিন দিনমজুরি কাজ না করলে আমাদের জীবন চলে না। আমরা খুব অসহায়। আমাদের মেয়ের সাথে যে অন্যায় করা হয়েছে, আমরা এর সুষ্ঠ চাই।  এ ঘটনায় সরেজমিন গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা সকলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নি।  মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, ধর্ষণ এবং নারী নির্যাতনের ঘটনার সাথে জড়িতদের কোন ছাড় নেই। এ ব্যাপারে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ