About Us
M. R. Sumon
প্রকাশ ০৬/০৫/২০২১ ১১:২৫পি এম

গফরগাঁওয়ের নামে এত বদনাম কেন?

গফরগাঁওয়ের নামে এত বদনাম কেন? Ad Banner

গফরগাঁও ঐতিহাসিক দিক থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় শিক্ষা, ক্রীড়া, রাজনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি সব কিছু পর্যালোচনা করে আমি আমরা নতুন প্রজন্ম বিস্মিত হই। বাইরের মানুষ জনের অনেকেই বলেন, এতোসব গৌরব ও ঐতিহ্য বাংলাদেশের আরও কোন থানা এলাকায় আছে কিনা সন্দেহ। এতকিছু থাকা সত্ত্বেও একটা প্রশ্ন সামনে চলেই আসে তাহলে গফরগাঁওয়ের নামে এত বদনাম কেন? 

যদিও একথা কেউ হলফ করে বলতে পারবেনা যে কারও এলাকায় বা কোন এলাকায় অপরাধ প্রবণতা নেই। ষণ্ডা -পাণ্ডা, চোর ডাকাতা নেই। গফরগাঁওবাসীই বা ইহা বলবে কেমন করে গফরগাঁওয়ে নেই-,সবই গুজব! কিংবা আগে হয়তো ছিলো এখন নাই, না ইহা ইতিহাস রহস্য না উদ্ধার করে সরাসরি বলা যায় না। 

ইতিহাসের পাতা পর্যালোচনা করে, বিভিন্ন রেকর্ড ঘেটে জানা যায়- বাংলাদেশে এমন থানা কিংবা এলাকা বহু রয়েছে যেখানে গফরগাঁওয়ের চেয়ে চারগুণ অপরাধ প্রবণতা বেশি। অথচ সেসব জায়গার নাম কারো মুখে শুনা যায় না। কিন্তু সামান্য ঘটনা-দুর্ঘটনায় গফরগাঁওয়ের বদনাম দিগ্বিদিক ছড়িয়ে পড়ে।

এটা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি যে, কোন ঘটনা তা ক্ষুদ্র হলেও তার পেছনে বিচিত্র কিছু জড়িয়ে থাকলে সে দিকেই সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়। পাশে মারাত্মক কিছু ঘটলেও সেদিকে কারও নজর যায় না। সুতরাং এ থেকে ইহা স্পষ্টত, গফরগাঁওয়ে অতীতের ঘটনাগুলো যা সংঘটিত হত তা অন্যান্য এলাকার তুলনায় সংখ্যায় কম ও ক্ষুদ্র হলেও এর পেছনে এমন বিচিত্র কিছু জড়িয়ে থাকতো যেগুলির আকস্মিকতায় সবাইকে চমকে দিত এবং তা সহজেই প্রচারিত হয়ে পড়তো দূর-দূরান্তর।

বাইরের লোকজন সেগুলোকেই ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে রং ছিটিয়ে গল্প করতো সবার কাছে। আর এইসব গল্প থেকেই গফরগাঁওয়ের নামে সৃষ্টি হয়েছে গুজব ও অলীক কাহিনী। তবে আজব ঘটনাগুলো কিন্তু গুজব ছিলোনা।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ