About Us
সত্যজিৎ দাস - (Habiganj)
প্রকাশ ০৫/০৫/২০২১ ১১:০৭এ এম

রায়হান হত্যার অভিযোগপত্র দাখিল ৫মে

রায়হান হত্যার অভিযোগপত্র দাখিল ৫মে Ad Banner

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান উদ্দিন (৩০) হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আজ বুধবার (৫ মে ২০২১) আদালতে দাখিল করা হবে। মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ দিন সকাল ১১টার দিকে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করবে।  পিবিআই সিলেটেরে পুলিশ সুপার খালেদ-উজ-জামান বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলাটির তদন্ত যাতে ত্রুটিমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য অভিযোগপত্র তৈরিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

তবে, অভিযোগপত্র কত পৃষ্ঠার এবং হত্যায় জড়িত পুলিশ সদস্যরা ব্যাতিরেকেও সহযোগী হিসেবে বাইরের কাউকে আসামি করা হয়েছে কিনা, এ বিষয়ে আপাতত তিনি কোনো কিছু বলেননি।  বলেছেন অভিযোগপত্র দাখিলের পর ব্রিফিংয়ে সব কিছু স্পষ্ট করা হবে।  অবশ্য তদন্ত সূত্র জানায়, রায়হান উদ্দিনকে নির্যাতন করে হত্যায় বন্দরবাজার ফাঁড়ির বরখাস্তকৃত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া ও টুআইসি এসআই হাসান আলীসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।  অভিযোগপত্রে তাদের আসামি করা হবে।

এছাড়া ফাঁড়ির সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক পরিবর্তন ও এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে ভারতে পালাতে সহায়তাকারী কথিত সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল নোমানকেও অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়েছে!  মামলার অভিযোগপত্র প্রস্তুতের খবরে খুশি রায়হানের পরিবার।  রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, এবার দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।  নগরের আখালিয়ার নেহারীপাড়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে গত বছরের ১১ অক্টোবর দিবাগত রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে আনা হয়। তাকে রাতভর ফাঁড়িতে আটকে রেখে অমানসিক নির্যাতন করা হয়।

ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তার নিথর দেহ ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান পুলিশ সদস্যরা। পরে সকাল ৭টা ৫০মিনিটে রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।  এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান অভিযুক্ত বন্দরবাজার ফাঁড়ির এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

ঘটনার ২৮ দিন পর গত বছরের ৯ নভেম্বর কানাইঘাটের ডোনা সীমান্ত থেকে বরখাস্তকৃত এসআই আকবরকে গ্রেফতার করা হয়। এ দিন সন্ধ্যায় তদন্ত সংস্থা পিবিআিইর কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। তবে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবকারী কথিত সাংবাদিক আব্দুল্লাহআল নোমান এখনও পলাতক রয়েছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ