About Us
sachchida nanda dey
প্রকাশ ০৫/০৫/২০২১ ০১:১২পি এম

গাছ ফেলে গৃহ ভেঙ্গে তছনছ ড্রেন করার নামে ১৭টি সরকারি গাছ কর্তন!

গাছ ফেলে গৃহ ভেঙ্গে তছনছ ড্রেন করার নামে ১৭টি সরকারি  গাছ কর্তন! Ad Banner

খাস জমির গাছ কাটা দন্ডনীয় অপরাধ হলেও ড্রেন করার নামে অনেকগুলো গাছ কেটে সাবার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাথে সাথে কেটে দেওয়া গাছ ঘরের উপর পড়ায় ঘর ভেঙ্গে তছনছ হয়ে গেছে। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গাছ জব্দ করেছেন। ঘটনা ঘটেছে সদর উপজেলার উত্তর জোড়দিয়া গ্রামে।
উত্তর জোড়দিয়া গ্রামের জসিমের দোকান হতে নাফিল সানার বাড়ি পর্যন্ত সড়কের পাশে বদ্দি পাড়ার মানুষের শতাধিক বছরের যাতয়াতের রাস্তা রয়েছে। রাস্তার পাশে মোবারক হোসেনের পুত্র নেয়ামত আলির বংশ পরম্পরার লাগানো গাছের মালিক। স্থানীয় ইউপি সদস্য আঃ রাজ্জাক পানি নিস্কাশনের ড্রেন করার নামে ১৭টি মেহগনি, নারিকেল, জাম ও আম গাছ কেটে সাবাড় করে ফেলেছেন। কর্তন করা গাছ পাশের সাইফুল ইসলামের বসতঘরের উপর পড়লে খোলা চাল ভেঙ্গে তছনছ হয়ে গেছে। ফলে নেয়ামত দিং যেমনি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তেমনি সাইফুল ইসলাম গৃহ ভেঙ্গে যাওয়ায় বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। ব্যক্তি মালিকানা কিংবা খাস জমিতে লাগানো গাছের অধিকার সরকারের ও গাছ লাগানো ব্যক্তির থাকে। কিন্তু সরকারি গাছ কর্তনের নিয়ম নীতির তুয়াক্কা না করে নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলানো এবং গাছ লাগানো মালিককে নক আউট করে দেওয়ার ঘটনায় এলাকাবাসী হতবাক হয়ে গেছে।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা যতীন্দ্র নাথ জানান, গাছগুলো সরকারি জমির। এ গাছ মেম্বার সাহেবের কাটার এখতিয়ার নেই। গাছগুলো জব্দ করে স্থানীয় যুবলীগ নেতা আঃ মান্নানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউপি সদস্য আঃ রাজ্জাক বলেন, সরকারি জমির উপরের গাছ, ড্রেন করার জন্য কর্মসূচির লোকদ্বারা কেটে নেওয়া হয়েছে। সরকারের অনুমতি নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অনুমতি না নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, গাছ না কাটা হয়েছে। তবে ঘর ভেঙ্গে গেছে তার কি হবে প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি। 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ