About Us
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
Nayan Das - (Rangpur)
প্রকাশ ০৪/০৫/২০২১ ০১:১৫এ এম

ধান কেটে দিলেন এলাকার যুবকরা

ধান কেটে দিলেন এলাকার যুবকরা Ad Banner

কুড়িগ্রামের-উলিপুরে বাম্পার ফলন হলেও করোনাভাইরাসের প্রভাবে ফসল ঘরে তুলতে শ্রমিক ও আর্থিক সংকটের কারণে ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কিছু হতদরিদ্র পরিবার।

উলিপুর উপজেলার ধরণীবাড়ী ইউনিয়ন এর ৭ নং ওয়ার্ডের মৌজা মধুপুর নমো দাস পাড়া গ্রামে শ্রী উত্তম চন্দ্র দাস এর ৫০ শতক জমির ধান কেটে দিলেন গ্রামের যুবকরা।

উত্তম চন্দ্র দাসের সাথে কথা বললে তিনি জানান, করোনাকালে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছি। পরিবারে ৬ জন সদস্য নিয়ে সংসার, জ্বালা বড়। বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে একদিকে পরিবার চালানো আরেকদিকে জমির ধান কাটা নিয়ে বড় চিন্তায় ছিলাম। সেই সময় গ্রামের শ্রদ্ধেয় বড় কাকা নারায়ন চন্দ্র দাস বলেন বাবা তুমি চিন্তা করবে না গ্রামের কয়েকজন ছেলেকে নিয়ে, তোমার ধান আমরা কেটে দেবো সেই কথা শুনে উত্তম চন্দ্র দাস একটু চিন্তা থেকে মুক্তি পেলেন।

এ সময় নারায়ন চন্দ্র দাস এর নেতৃত্বে জমিতে ধান কাটতে নামে এলাকার যুবকরা। এলাকার শ্রী উত্তম চন্দ্র দাস, ৫০ শতক জমির ধান কেটে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ সময় তাঁরা ধান মাড়াইয়ের কাজেও অংশ নেন। একাজে সহায়তা করেন এলাকার নারায়ন চন্দ্র দাস, কমল চন্দ্র দাস, জয়ন্ত চন্দ্র দাস, রুবেল হোসেন, এনতা, শরিফুল, বাবলু, শাহিন, সাহেব বাবু, বাইজিদ, লাদেন, রাশেদুল, ফিরোজ, বোল্লা সোসেন প্রমুখ।

উত্তম চন্দ্র দাস বলেন, ‘চলমান লকডাউনের কারণে জমির পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছিলাম। মাঠে পাকা ধানগুলো নষ্ট হওয়ার পথে খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। আমার এমন অসহায়ত্বের কথা শুনে এলাকার কিছু কাকা-ভাই টাকা-পয়সা ছাড়াই আমার এক একর ক্ষেতের ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেন। তাদের এ সাহায্যের কথা আমি কখনো ভুলব না।’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ