About Us
শনিবার, ১৫ মে ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
নুরুজ্জামান 'লিটন' - (Naogaon)
প্রকাশ ০১/০৫/২০২১ ১১:১৩পি এম

নওগাঁ ধামইরহাটে আক্রোশে জমির কাঁচা ধান নষ্ট করার অভিযোগ

নওগাঁ ধামইরহাটে আক্রোশে জমির কাঁচা ধান নষ্ট করার অভিযোগ Ad Banner

নওগাঁ জেলার ধামইরহাটে ধানক্ষেতে বিষ প্রয়োগ ও কেটে ২ বিঘা জমির ধান নষ্ট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধামইরহাট উপজেলার বেনিদুয়ার (হরিতকিডাঙ্গা) গ্রামের লোকমান আলীর ছেলে মহসিন আলী অভিযোগে জানান তার বাড়ীর নিকটবর্তী কোকিল মৌজায় পিতার ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত আরএস ৩৭ নং খতিয়ানের ৩০১ ও ৩০২ নং দাগের ৮১ শতক জমিতে কোকিল গ্রামের আছির উদ্দিনের পুত্র জবেদুল ইসলাম জাকির (৪০) ও তার পিতা আছির উদ্দিন (৬৫) আক্রোশ বশত বিষ প্রয়োগ করে ও কাঁচা ধান কেটে নষ্ট করে। এতে মহসিনের প্রায় ৫০ হাজর টাকার ক্ষতি হয়।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক মহসিন আলী জানান, ‘ইতিপূর্বে ২০১৬ সালে উক্ত অভিযুক্তরা জমি জবরদখলের হুমকি দিলে ৬ নং জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদে গ্রামআদালতে অভিযোগ দেই, এবং ২০১৭ সালে ১ নং ধামইরহাট ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে অভিযোগ দিলে গ্রাম আদালত কাগজ-দলিল যাচাই পূর্বক আমার পিতার দলিল সঠিক মর্মে মতামত প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে, ১৯৬৭ সালে অভিযুক্ত আছির উদ্দিন নাবালক থাকাকালে তার পিতা তছাই মন্ডল ওরফে তছির উদ্দিন ৪৯ শতক জমি আমার পিতা লোকমান আলী বরাবর খোশ কবলা দলিল করিয়া দেন এবং ১৯৭৭ সালে অভিযুক্ত আছির উদ্দিন ৩৭ নং আরএস খতিয়ানের উল্লেখিত ৮১ শতক জমির সমুদয় আমার পিতা লোকমান আলী বরাবর রেজিষ্ট্রি করিয়া দিয়া আছির উদ্দিন উক্ত জমিতে স্বত্তহীন হন।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালে আছির উদ্দিন ও তার পুত্র জবেদুল ইসলাম জাকির উক্ত জমি জবর দখলের হুমকি দিলে নওগাঁ বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালতে ১০৭/২০১৬ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা রুজু করিলে বিজ্ঞ আদালত ২০২০ সালে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ডিক্রি প্রদান করেন। অভিযুক্ত জবেদুল ইসলাম জাকির ও তার পিতা আছির উদ্দিন অতি লোভে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি জবর দখলের পাঁয়তারা করছে।’

অভিযুক্ত জবেদুল ইসলাম জাকিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করাহলে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম্য শালিস ও আদালতের মামলার কথা স্বীকার করেন, কিন্ত ধানে বিষ প্রয়োগ ও কেটে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন, এবং বিষয়টি কেউ আপোষ করে দিলে তাদে সম্মতি আছে বলে জাকির জানান। 

ধান নষ্টকারির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থার দাবীতে ধামইরহাট থানায় অভিযোগ দেন মহসিন আলী। তদন্তের দায়ীত্বপ্রাপ্ত এস.আই মো. মোমিন বলেন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মমিন বলেন, ‘আমার দায়িত্ব দেয়া অফিসারের নিকট থেকে প্রকৃত ঘটনার বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ