About Us
Shamem Ahmed - (Dhaka)
প্রকাশ ০১/০৫/২০২১ ১০:২৩পি এম

আকাশ পথের খুঁটিনাটি

আকাশ পথের খুঁটিনাটি Ad Banner

বাংলাদেশে (করোনাকালিন সময় ব্যতিরেখে) চলমান পাঁচটি আভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর (সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর, বরিশাল ও কক্সবাজার) আর ৩টা আন্তজার্তিক বিমানবন্দর (ঢাকা, চট্রগ্রাম, সিলেট)। পাঁচটি আভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের মধ্যে সৈয়দপুর ও যশোর খুব বিজি থাকে, ডেইলি ১০টার বেশি ফ্লাইট। একসময় সপ্তাহে ৩টা ফ্লাইট ছিল সৈয়দপুর । বর্তমানে করোনার কারণে বেশিরভাগ ফ্লাইটই বন্ধু।  অবশ্য সিলেট-চট্রগ্রাম ও সৈয়দপুর-চট্রগ্রাম চালু হবে শীঘ্রই ফ্লাইট।

  সৈয়দপুর বিমানবন্দর আন্তজার্তিক করার জন্য পুরোদমে কাজ চলছে, তখন নেপাল ভুটান যাত্রা সহজ হবে।  কুমিল্লা বিমানবন্দর ১৯৪০ সালে চালু হলেও ৮০ সাল থেকে বন্ধ। 

ইশ্বরদি বিমানবন্দর (যদিও এটা নাটোরের লালপুর ইউনিয়ন এ পড়েছে জমি) ১৯৯৬ সালে নির্মিত হয়ে ২০১৩-২০১৪ দুই বছর ফ্লাইট চলার পর বন্ধ। 

বাগেরহাট বিমানবন্দর ১৯৯৬ সালে জমি অধিগ্রহণ করা হয় (খুলনা হতে মাত্র ১৭ কিমি) এবং ২০১৭ সালে ডিপিপি করে নতুন ভাবে নির্মানের কথা থাকলেও কাজের অগ্রগতি মন্থর। 

ঠাকুরগাঁ বিমানবন্দর ১৯৪০ সালে চালু হয়, অতপর ৭৭ সালে বেশ সংস্কার করে বানিজ্যক ফ্লাইট চলে ৩ বছর। যাত্রীর অভাবে ১৯৮০ থেকে পরিত্যক্ত হয়। 

নোয়াখালি বিমানবন্দর ১৯৯৫ সালে শহর থেকে ১৫ কিমি দূরে ধর্মপুর ওয়াপদা বাজার এলাকায় ছোট রানওয়ে সহ এয়ারপোর্ট নির্মিত হয়, চালু হয়নি আজো।  তবে এটা সম্প্রসারণ করে চালুর কথা রয়েছে। 

লালমনিরহাট বিমানবন্দর ১৯৪৫ সালে চালু হয়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৯ চালে স্টল পোর্ট হিসেবে আবার চালু হয়েছে।  বগুড়া বিমানবন্দর ১৯৯৬ সালে শহরের এরুলিয়াতে জমি অধিগ্রহণ করা হয়ে ২০০০ সালে চালু হবার কথা ছিল আর হয়নি। 

শমসেরনগর বিমানবন্দর (মৌলভীবাজার) ২০১৫ সাল হতে স্টল পোর্ট হিসেবে চালু আছে, যাত্রীবাহী বিমান অবশ্য চলে না।  পটুয়াখালি (কুয়াকাটা) ও ফেনীতে দুইটা অব্যবহৃত এয়ারপোর্ট রয়েছে। ফেনীর টা কিছু অংশ ইপিজেড কে দেয়া হচ্ছে। 

রাঙামাটির কাউখালি তে পার্বত্য অঞ্চলে যোগাযোগ সহজীকরনে সরকার বিমানবন্দর নির্মানের পরিকল্পনা আছে। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে কিশোরগঞ্জ বাজিতপুর সরারচরে একটা ছোট অব্যবহৃত এয়ারপোর্ট আছে এটাকে কাজে লাগান যেতে পারে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ