About Us
শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
Md. Ibrahim - (Bhola)
প্রকাশ ৩০/০৪/২০২১ ০৮:০৫পি এম

পালস অক্সিমিটার সঠিকভাবে ব্যবহারের নিয়ম

পালস অক্সিমিটার সঠিকভাবে ব্যবহারের নিয়ম Ad Banner

পালস অক্সিমিটার এই করোনার সময়ে যন্ত্রটিকে মানুষের কাছে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। মুলত এই পালস অক্সিমিটার যে কাজটি করে, রক্তে আপনার অক্সিজেনের মাত্রা জানিয়ে দেয়। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে।   

পালস অক্সিমিটার থাকলে আপনি দুটি জিনিস দেখতে পারবেন SPO2 লেখা থাকে এক জায়গায়। সেটি হচ্ছে আপনার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা। আরেকটা থাকে পালস রেট। সাধারনত ৯৫ থেকে ১০০ হচ্ছে আপনার স্বাভাবিক। যদি আপনি কখনো যদি আবার  রক্তের অক্সিজেনের পরিমাণ দেখায় সেটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু ৯৫ নিচে যদি দেখায় SPO2 তাহলে আপনাকে সেটা অস্বাভাবিক তখনই আপনার চিন্তা করতে হবে, ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে কি করা যায় সে বিষয়টির সঙ্গে।

তবে এই পালস অক্সিমিটার কিন্তু আপনি একবার হঠাৎ করে দেখলেন যে আপনার দেখাচ্ছে ৯০/৯২ SPO2 রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা। আপনি ভয় পেয়ে গেলেন। তার আগে আপনি বিভিন্ন ভাবে ভুল রিডিং আসতে পারে। প্রথম কথা হচ্ছে আপনি পালস অক্সিমিটার হাতে নিলেন এবং আপনি দেখলেন সেটা হচ্ছে কম এবং অনেক বেশি কম সন্দেহজনক। তখন আপনি কি করতে পারেন পালস অক্সিমিটারটা আরেকজনের হাতে দিতে পারেন। সেখানে যদি ঠিকঠাক দেখায় তাহলে ওকে যন্ত্রটি ঠিক আছে।

কিন্তু সেখানে যদি আপনার সন্দেহজনক মনে হয় তখন আপনার মনে হতে পারে যন্ত্রটা আপনাকে রিডিং দিচ্ছে। আরেকটা উপায় আছে আপনি পালস অক্সিমিটার দিয়ে একটা রিডিং নিলেন। নেয়ার পর আপনার সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। তারপর আপনি একটু হেঁটে আসতে পারেন বিভিন্ন জায়গায় হেঁটে আসার পর কিছুক্ষণ রিডিংটা মাপতে পারেন। তখনও যদি আবার কম দেখাচ্ছে কমে যায় আলো তখন ভাবতেই হবে যে আপনার পালস অক্সিমিটারটি সমস্যার রয়েছে।   

যে তিনটি/চারটি কারণে আপনার পালস অক্সিমিটার ভুল রিডিং দেয়। তার থেকে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হচ্ছে, এই পালস অক্সিমিটার আপনার ঠিক জায়গায় বসাতে হাতটা। ভিতরে দেখবেন, যে একটি রে আছে যেখান দিয়ে রে দিয়ে বের হয়ে যায়। সেই রে এর মধ্যে ঠিকভাবে বসছি কিনা সেটা খুব ইম্পর্টেন্ট একটা বিষয়।     

আরেকটি বিষয় যে আঙ্গুলটি আপনি পালস অক্সিমিটারে ব্যবহার করছেন সে আঙ্গুলে যদি কোন মেহেদি থাকে, নেলপালিশ থাকে বা ট্যাটু থাকে তাহলে কিন্তু আপনার রিডিং ভুল আসবে। অর্থাৎ যে আঙ্গল আপনি ব্যবহার করবেন সেখানে আপনি কোন ক্রমেই মেহেদী বা কোন রকম রং লাগা থাকবে না একটু পরিষ্কার আঙ্গল হতে হবে সে জায়গা। না হলে ভুল রিডিং আসবে।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে, আপনি যদি এমন জ্বর থাকেন যে আপনার হাত কাপছে তখন আপনি পালস অক্সিমিটার আপনার হাতটি রাখছেন তখন কিন্তু ভুল রিডিং আসার সম্ভাবনা থাকবে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে আপনি হয়তো ঘুমন্ত আছেন/ ঘুমিয়ে আছেন। ঘুমিয়ে থাকলে অক্সিজেনের কমবেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সে অবস্থায় যদি আপনি পালস অক্সিমিটার দিয়ে মাপার চেষ্টা করেন সেসময় রিডিংয়ে ভুল আসতে পারে।   

তাই পালস অক্সিমিটার এই সময় সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় করোনায় সময় আপনাকে জানতে হবে আপনার যখন জ্বর আসছে বাজে উপসর্গ গুলো দেখা দিচ্ছে । তাহলে আপনি প্রথম দিন থেকে কিন্তু পালস অক্সিমিটার দিয়ে আপনার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপার চেষ্টা করেন বা আমরা অনেকেই চেষ্টা করছি। কিন্তু সেখানে যদি ভুল রিডিং আসে আপনার পেনিক হওয়া যাওয়া যাবে না সে বিষয়টি। শুধু আপনি বার বার ট্রাই করবেন ঠিক আছে কিনা সেটা দেখার চেষ্টা করবেন বোঝার চেষ্টা করবেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ