About Us
শনিবার, ১৫ মে ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
Luck Mia - (Netrokona)
প্রকাশ ২৯/০৪/২০২১ ০১:৩৭পি এম

যে কারনে এযাবৎ কালের সেরা প্রতিষ্ঠান শাহীন স্কুল

যে কারনে এযাবৎ কালের সেরা প্রতিষ্ঠান শাহীন স্কুল Ad Banner

শিক্ষা একটি চলমান প্রক্রিয়া। যা একদিনে সম্ভব হয় না। একটি নিদির্ষ্ট সময় লাগে। আচার আচরনরে কাঙ্খিত পরিবর্তন হলে মনুষ্যত্ব জাগ্রত হলে তবে সেটিকে শিক্ষা বলে।শিক্ষার সংঙ্গা অনেক থাকতে পারে। 

শিরোনাম দেখে নিশ্চই বুঝতে পারছেন আজকের লেখাটা কোন বিষয়কে নিয়ে। আগেই বলে নিচ্ছি আপনার যদি সত্যিই কিছু জানার ইচ্ছে থাকে তাহলে শেষ পর্যন্ত পড়বেন কারন লেখার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা ধারাবাহিকতা থাকে।তবে হ্যাঁ, সবার লেখার বা বলার ধরন এক নাও হতে পারে কারন হাতের আঙ্গুলই যেখানে পাঁচটা সমান না। তাই একজনের কথার সাথে আরেকজনেরটা নাও মিলতে পারে। আমিও এর বাহিরে নই।

তবে এটা কেউই অস্বীকার করতে পারবে না যে পরিবার প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়। আর তাই মা বাবা হলো একজন মানুষের প্রথম শিক্ষক।অপ্রিয় হলেও সত্য এটাই যে আজকাল বাবা মা বোধহয় সেই শিক্ষকের দায়িত্বটি আর পালন করতে পারছেন না। তাই যদি না হবে বাবা মাকে কেন আজ শেষ বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হবে। আপনি হয়ত বলবেন সবাই সমান না। হ্যাঁ, এটা আমি স্বীকার করি যে সবাই সামান না।আছে এমন কিছু বাবা মা যারা এখনো সন্তান কে নীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দেন।

সে সন্তান বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রাখে সে সন্তান নয় আমি বলব শয়তান।

এবার আপনার সিদ্ধান্ত আপনি আপনার সন্তান কে শয়তান দেখতে চান নাকি সন্তান?

এবার মূল কথায় আসি, ভূমিকা বেশি হয়ে যাচ্ছে। গত লেখায় বলেছিলাম আগামী লেখায় থাকবে শাহীন স্কুলের একাডেমিক কার্য়ক্রম।আবারও বলছি আমাকে এই লেখার জন্য কেউ কোন টাকা পয়সা দিবে না।লিখতে ভালো লাগে সত্যি টা মানুষকে জানাতে ভালো লাগে সেই দায়িত্ব থেকে লেখা বৈ আর কিছু না।

আপনার সন্তানকে এই স্কুলে ভর্তি করলেন মানে আপনার সন্তান আরেকটি পরিবার পেয়ে গেলো। সেখানে সে সব পাবে পড়াশুনা থেকে শুরু করে ধর্মীয় বিষয় সহ যাকে বলে নীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা(যা বর্তমান সমাজে আফসোসের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে)।এখানে আপনার সন্তান পাবে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সহ সকল বিষয়ের শিক্ষা।শিখবে মানুষের মত মানুষ হতে। শিখবে দেশপ্রেমের চেতনা।আপনার সন্তানের আচরণের পরিবর্তনই বলে দিবে সে এবং অন্য একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে পার্থক্য কোথায়।

শাহীন স্কুল এন্ড কলেজ (আবাসিক, অনাবাসিক)

মূল শাখাঃরেজিস্ট্রিপাড়া টাঙ্গাইল। 

এখানে সে ভর্তি হওয়ার পর(সরকারী চাকুরীজীবি হলে বছরের যে কোন সময় বদলী হলে নতুন জায়গায় শাখা থাকা সাপেক্ষে সেখানেও ভর্তি করাতে পারবেন।) । যদি কোন কারণে স্কুলে আসতে না পারে তাহলে চার্ট দেখে বাবা- মাও বাসায় পড়াতে পারবেন। ভয় নেই চার্টে অল্প পড়া থাকে। কোনো কারনে চার্ট না আনতে পারলে ঘরে বসে অনলাইন থেকে ডাওনলোড করতে পারবে। আরও মজার কথা হলো ইউটিউব থেকে সে ঘরে বসেও ক্লাসগুলো করতে পারছে। তারপরে আসে এভাবে যদি পড়তে গিয়ে কোনো পড়া না বুঝে তখন কি করবে? তারও সমাধান আছে Zoom অনলাইন ক্লাস।নির্ধারিত বিষয়ের স্যার -ম্যাম কে বললে বুঝিয়ে দিতে বাধ্য। শুধু কি তাই এমনও কিছু সময় আছে যখন স্যার -ম্যাম বাসায় গিয়ে পড়া বুঝিয়ে দিয়ে আসে।পরীক্ষার কথা যদি বলি তাহলে যেটা না বললেই নয় সেটা হলো বছরে তিনটি সেমিস্টার পরীক্ষা হয়।উল্লেখ্য যে নতুন বছরে জানুয়ারী মাসের ৪ তারিখের মধ্যেই ক্লাসগুলো শুরু হয়ে যায়।যে সময়ে কিনা অন্য প্রতিষ্ঠান খেলাধুলা নিয়ে ব্যাস্ত।একরম ঘুমেই থাকে তারা।

তবে হ্যাঁ, প্রাইমারি আর হাই সেকশনের পড়ানোর ধরন কিন্তু এক না। এই যেমন প্রাইমারীতে থাকে ডাইরি যেখানে দৈনিক পাঠমূল্যায়ন লিপি লিখা হয়।আর হাই সেকশনে থাকে গ্রডিং কার্ড যেখানে দৈনিক পাঠমূলয়্যান লিপি লিখা হয়। ফলে পড়া ফাকি দেওয়ার কোন সুযোগ থাকে না।

তিন/চার দিন পর পরই হয় মুল্যায়ন পরীক্ষা যার ফলে শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়ে কোনো ভয় থাকে না। তাছাড়া নির্ধারিত সময়ে লেখা শেষ করার চর্চা হয় একই সাথে লেখাও সুন্দর হয়।লেখার গতি বাড়ে।সপ্তাহান্তে মূল্যায়ন পরীক্ষা হয়।পনেরো দিনে পাক্ষিক এবং মাস শেষে মূল্যায়ন পরীক্ষা।শুধু তাই নয় সেমিস্টার পরীক্ষায় যারা ভালো রেজাল্ট করে তাদের পুরস্কারকারের ব্যবস্থাও করা হয়।সর্বোচ্চ মেধা বিকাশে শাহীন শিক্ষা পরিবার অঙ্গীকারাবদ্ধ।প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ও প্রতিষ্ঠিাতা পরিচালক সুত্রে জানা যায়,১৯৯২ সালে  প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই স্কুলটির সারাদেশ ৮ টি বিভাগীয় পর্যায় সহ ৩২ টি জেলায় সরাসরি আর পরোক্ষভাবে ৬৪ টি জেলায় শাখা রয়েছে। প্রতিষ্ঠান টি ২০২২ সালে ৩০ তম বর্ষে পদার্পণ করবে। তিনি বলেন, সারাদেশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে তারা দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে চলছেন। আরও জানা যায়, ২০১১ সালে সারাদেশে সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয় এই প্রতিষ্ঠান। 

প্রিয় পাঠক এতক্ষণে নিশ্চই আপনার টনক নড়েছে। শাহীন স্কুল কেনো ব্যতিক্রম বুঝলেন ত? হয়ত এই জন্যই ১৯ বার টাঙ্গাইলে প্রথম স্থান। টাঙ্গাইলের ভিতরে একমাত্র ISO সনদ প্রাপ্ত কলেজের রেকর্ডও শাহীন শিক্ষা পরিবারের। এছাড়াও প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী স্বপ্নের ক্যাডেট কলেজে চান্স পাচ্ছে। লেখার আকার বড় হয়ে যাচ্ছে বলে শুধু ভাসা ভাসা কিছু কথা বললাম। হয়ত গুছিয়ে বলতে পারি নি।

সর্বোপরি সিদ্ধান্ত আপনার। আগামী লেখায় থাকছে """ শাহীন স্কুলের পিছনের ইতিহাস ও ক্যাডেট সাফল্য"""


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ