About Us
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
সোহেল রানা - (Dhaka)
প্রকাশ ২৮/০৪/২০২১ ০৭:৩৫পি এম

নতুন ষড়যন্ত্রের আভাস নুর-ফারুকদের বিরুদ্ধে

নতুন ষড়যন্ত্রের আভাস নুর-ফারুকদের বিরুদ্ধে Ad Banner

নতুন করে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া গেছে নুর-ফারুকদের বিরুদ্ধে। আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এনে তাওহীদ নামে এক যুবককে দিয়ে খেলছে সরকার আর এতে সহযোগিতা করছে ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে বহিষ্কৃত নেতা সুহেল এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান।       

অনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হাসানের সবআছে ডটকম নামে একটি কম্পানি রয়েছে। এই কোম্পানিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের অনেকেই যুক্ত ছিলেন। মহামারী করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) শুরু হলে কোম্পানিটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।     পরবর্তীতে অনেকেই তাদের অংশীদারের অংশটি ডকুমেন্টস সাপেক্ষে ফেরত নিয়ে চলে গেছেন।  এই ইস্যুটি কাজে লাগিয়ে সংগঠন থেকে বহিস্কৃত নেতা সুহেল ও তার অন্যতম সহযোগী গোপালগঞ্জের এক বখাটে যার নাম তওহীদ তাকে দিয়ে নতুন এক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এতে নতুন করে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া গেছে। আই নিউজ বিডি'র অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।     

অংশীদারিত্ব ফিরে পাওয়া নিয়ে বহিস্কৃত নেতা সুহেল এর অন্যতম সহযোগী গোপালগঞ্জের বখাটে তওহীদ দাবি করেছে,তার ২৫ হাজার টাকা  সবআছে ডটকম কোম্পানি মেরে দিয়েছে।    তাওহীদ আপনি যে টাকা দাবি করছেন সেই টাকা কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে দিয়েছেন কি.?  আপনার অভিযোগের ভিত্তি কতটুকু.? আপনার কাছে কি প্রমাণ রয়েছে.?  মুঠোফোনে জানতে চাইলে প্রতিবেদককে তিনি জানান, অফিশিয়ালি কোন ডকুমেন্টস আমার কাছে নেই তবে মৌখিকভাবে আমাদের কথা হয়েছে।  এ বিষয়ে ফারুক হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি পরিষ্কারভবে বলেন আমাদের কোম্পানিতে যারা যুক্ত ছিল তারা প্রত্যেকে ব্যাংক রশিদ ও চুক্তিপত্র দেখিয়ে  টাকা ফেরত নিয়ে গেছে।     

তওহীদ যদি টাকা দিয়ে থাকে তাহলে সে নুন্যতম কোন ডকুমেন্টস নিয়ে আসুক কিংবা আপনার মাধ্যমে পাঠাক আমরা এক্ষুনি তার টাকা ফেরত দিবো।    তিনি আরো বলেন, আমাদের কোম্পানির নিদৃষ্ট ব্যাংক  একাউন্ট আছে। আমাদের সকল লেনদেন অফিসের অ্যাকাউন্ট ডকুমেন্টের মাধ্যমে হয়। সে টাকা দিয়ে থাকলে তার কাছে অবশ্যই ব্যাংকের রশিদ আছে সেটা নিয়ে আসুন এখনি টাকা ফেরত দিবে কোম্পানি। 

এছাড়া যারা এখানে আমাদের পার্টনার হয়েছিল তাদের সবার সাথে কোম্পানির চুক্তিনামা আছে। সেটা সে দেখাক, এই চুক্তিনামাটা দেখাতে পারলেও তৎক্ষণাৎ তার দাবীকৃত টাকা তাকে ফেতর দেওয়া হবে। সে আসলে কোম্পানিতে কোন টাকাই দেয়নাই।  আমাদেরকে বিতর্কিত করার জন্য সরকারের ফাঁদে পড়ে সুহেল গংদের ষড়যন্ত্রে এসব করতেছে।  এসব করে কোন লাভ নেই। ষড়যন্ত্র অতীতেও আমাদের বিরুদ্ধে হয়েছে এখনো হচ্ছে ভবিষ্যতেও হবে। ইনশাল্লাহ ষড়যন্ত্র করে আমাদের দমানো বা বিতর্কিত করা যাবেনা।   

আমরা তাঁর কাছে রশিদ ও চুক্তিপত্র চেয়েছি সে আদৌ কোন ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি। পুরোটাই তাদের ষড়যন্ত্র।  কিভাবে আপনাদের কোম্পানি গড়ে উঠেছে.? এমন প্রশ্নে প্রতিবেদককে ফারুক হাসান বলেন, আমাদের একটি ফেসবুক গ্রুপ ছিল উদ্যোক্তা হয়ে দেশ গড়ি-কর্মসংস্থান তৈরি করি" এই গ্রুপটি সুহেল গং হ্যাক করে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এবং সেই গ্রুপে এসব গুজব ও ষড়যন্ত্র প্রচার করছে তারা। সবাইকে এ বিষয়ে সর্তক থাকার আহবান জানাচ্ছি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ