About Us
A M Abdul Wadud - (Sherpur)
প্রকাশ ২৭/০৪/২০২১ ১২:০৯পি এম

সিন্ডিকেটের কারণে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে চড়া দামে

সিন্ডিকেটের কারণে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে চড়া দামে Ad Banner

একেতো  রমজান মাস তাঁর উপর আবার দেশে এখন তীব্র তাপদাহ। বৈশাখের খরাতাপে একটু স্বস্তির আশায় রোজাদার যখন রসালু ফল হিসেবে ইফতারিতে তরমুজকে বেছে নিতে চাচ্ছেন, ঠিক সে মুহুর্তেকেই পুজি করে অসাধু ব্যবসায়ী গড়ে তুলেছে ওজ‌নে তরমুজ বি‌ক্রির সিন্ডিকেট।  চাষিদের কাছ থেকে পিস হিসেবে তরমুজ ক্রয় করলেও ভোক্তাদের কাছে তা কেজি হিসেবে বিক্রি করছে। দামও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে হাঁকা হচ্ছে।

এজেন্য তরমুজের বাজারে আগুন লাগার অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।যে আগুনে নিম্মমধ্যবিত্ততো দূরের কথা মধ্যবিত্তরাই পুড়ে ছারখার হবার অবস্থা। বাজারে দেখা গেছে তরমুজের দাম রাখা হচ্ছে কেজি প্রতি ৫০-৬০ টাকা করে।  তরমুজের রাজধানী ক্ষেত রাঙ্গাবালী তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে জানা গেছে,চাষিরা কেজিতে নয় বরং শ’ হিসেবে তরমুজ বিক্রি করছেন। মূলতো পাইকারি বিক্রেতা বা আড়তদারাই পিচ হিসেবে তরমুজে বিক্রির সিন্ডিকেট করে বাজারে অস্থিতিশীল অবস্থার তৈরি করেছে।যার ফলে প্রান্তিক চাষিরা প্রকৃতভাবে লাভবান হচ্ছে না এবং সাধারণ ক্রেতা বা ভোক্তারাও হচ্ছে প্রতারিত।   

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবকেও তরমুজের এই সিন্ডিকেট নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের ক্ষোভ ঝারতে দেখা গেছে। পটুয়াখালীর উপজেলার তরমুজের দেশ রাঙ্গাবালী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। গতবছর করোনা পরিস্থিতির কারণে যেসকল চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এ বছর সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পেরেছেন তারা। ইতোমধ্যে তরমুজ বিক্রি শেষ প্রায়। কমবেশি সব চাষি এবার লাভবান।দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানা গেছে।   

বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর তরমুজের উৎপাদন অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো। এ বছর দেশে ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে, যার ৬২ শতাংশ হয়েছে বরিশাল বিভাগে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হেক্টরপ্রতি গড়ে ৫০ মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদিত হয়েছে, যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় বেশি। প্রকিবেদকের সাথে কথা হয় আহনাফ হোসেন নাকিব নামে এক যুবকের তিনি বলেন,তরমুজ উচ্চবিলাসি মানুষের ফলে পরিণত হচ্ছে ।

রোজায় এই তীব্র গরমে প্রতিটা মানুষ চায় একটু তৃপ্তিসহকারে  ইফতার।তাই তরমুজ বেছে নেয় সব শ্রেণীর মানুষ।  কিন্তু এর দাম সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।তরমুজ নিয়ে সিন্ডিকেট কাজ করতে দেখা গিয়েছে শেরপুর জেলাতেও।  বিষয়টি নিয়ে শেরপুর জেলার স্থানীয় প্রশাসন শেরপুর জেলা প্রশাসক মহোদয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ইতিমধ্যে কিছু জেলায় প্রশাসন  তরমুজ এর বাজারদর নিয়ে তদারকি শুরু করেছেন এবং জরিমানা,দাম নির্ধারণ সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতেছেন। ক্রেতা ও জনসাধারণে দাবি এসব অসাধু প্রতারণা বন্ধ করতে  প্রশাসন যেন বাজার মনিটরিং করে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ