About Us
Sajib Rajbhar
প্রকাশ ২৫/০৪/২০২১ ০৩:১৩পি এম

যমুনার চর লাল মরিচের ভান্ডার এবার বাম্পার ফলন

যমুনার চর লাল মরিচের ভান্ডার এবার বাম্পার ফলন Ad Banner

লকডাউনের কারণে শ্রমিক সংকট থাকায় কিছুটা বিপাকে পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। এরই মধ্যে কৃষকরা মরিচ তুলতে শুরু করেছেন। বগুড়ায় লাল মরিচে সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন যমুনা নদীর চরাঞ্চলের কৃষকরা।বিকল্প হিসেবে পরিবারের সদস্যদের নিয়েই ক্ষেত থেকে মরিচ সংগ্রহ করে শুকিয়ে নেয়ার কাজ করছেন চাষীরা।তবে ফলন ভালো ও বাজার দর ভালো থাকায় মরিচ ঘরে তুলতে শ্রমিক সংকট খুব বেশি ভোগান্তির কারণ হবে না বলে মনে করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।     

কিছু কিছু এলাকায় মরিচ বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা, আচারের পাড়া, সুজাইতপুর, সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা, তিতপরল, বোহাইল, যমুনা নদীর কয়েক কিলোমিটার বাঁধজুড়ে মরিচ শুকানো হচ্ছে।খোলাবাজারে শুকনা মরিচ ৪০০ টাকা আর পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২১০-২৪০ টাকা কেজি দরে।  জেলার কৃষি অফিস বলছে, চলতি মৌসুমে শীতকালীন সবজির ফলন ভালো হয়েছে।

এবার লাল মরিচেও লাভের মুখ দেখবেন চাষীরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন পেতে যাচ্ছেন মরিচ চাষীরা। বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২০ মৌসুমে বগুড়ায় প্রায় সাত হাজার হেক্টর জমিতে মরিচ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। কিন্তু জেলায় আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে। এবার লক্ষ্যমাত্রার ১৫০-এর বেশি একর জমিতে চাষীরা মরিচ আবাদ করেন। অন্যদিকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৭ হাজার ৫১৫ টন। আবাদ অনুযায়ী উৎপাদনও এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ