About Us
MD Alim Uddin
প্রকাশ ২১/০৪/২০২১ ০৬:২১এ এম

গ্যাস্ট্রিক রোগির সেহরি

গ্যাস্ট্রিক রোগির সেহরি Ad Banner

ফজর নামাজের সময় হবার আগ পর্যন্ত সেহরি করা যায়। রাসূল কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেরিতে সেহরি করার কথা বলেছেন। এটা সুন্নাত, এই সুন্নাত পালনের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা রয়েছে। দেরিতে সেহরি করার জন্য এই কারণে বলা হয়েছে যেনো সেহরি করে ফজর নামাজ এর প্রস্তুতি নেওয়া যায় আর ফজর নামাজ এর প্রস্তুতি নিয়ে নামাজ শেষ করে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করতে যে ৩০-৪০ মিনিট সময় লাগবে তা খাবার পরিপাকে সহায়তা করে।

যদি কেউ ফজরের সময় হবার ১-২ ঘন্টা আগে সেহরি করে, তাহলে সে তো আর সেহরি শেষ করে ২ ঘন্টা বসে থাকবে না। বরং শুয়ে পরবে আর খাবার খেয়ে সাথে সাথে শুয়ে যাওয়া এসিডিটির অন্যতম কারণ। তাই দেরিতে সেহরি করা সুন্নাত আর সেহরি করে নামাজ পড়ে তারপর ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্যও উত্তম।

সেহরির খাবার হতে পারে ভাত, মাছ/মুরগী, ডাল সবজি ইত্যাদি, খুব বেশিও না আবার খুব কম ও না। ২ কাপ পরিমান (১০০গ্রাম) ভাত, সাথে ১ পিস মাছ/মুরগী, ডাল সবজি হলেই যথেষ্ট। সম্ভব হলে এক দুইটা খেজুর। অতিরিক্ত ঝাল খাবার, চর্বি জাতীয় খাবার, কিংবা তেলে ভাজা খাবার সেহরিতে খাবেন না।

সেহরি শেষ করে সম্ভব হলে ৩-৪ চামচ ইসুপগুলের ভুসি দিয়ে এক গ্লাস শরবত গুলে খেতে পারেন। কারণ ফাইবার জাতীয় খাবারের মধ্যে ইসুপগুলের ভুসি অন্যতম। এটা শরিরের মধ্যে পানি ধরে রাখে এবং দিনের বেলায় পানির পিপাসার পরিমান কমায়। তাই সেহরির পরে ইসুপগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস অনেক ভালো। এইটা একদিক দিয়ে দিনের বেলায় পানি শূন্যতা কমাবে অন্যদিকে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্যও এইটা উপকারী।

যাদের পূর্ব থেকেই এসিডিটি কিংবা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের করণীয় কি? মূলত যাদের এসিডিটির সমস্যা কিংবা গ্যাস্ট্রিক রোগ রয়েছে তারা গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খেতে পারেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে রোযা রাখতে পারবেন আর সাথে সাথে উপরের নিয়মগুলি মেনে চলতে হবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ