About Us
Nesarul Islam
প্রকাশ ০৬/০৪/২০২১ ০৯:৩৩এ এম

লকডাউন কে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র

লকডাউন কে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র Ad Banner

 একটি দোকান বন্ধ করা এক ব্যক্তিকে লাঠিপেটা করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সাথে পুলিশের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে সালথা বাজার এলাকা। এসময় পুলিশের এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে গেছে বলে জানা যায়।  এছাড়াও সহকারি কমিশনার এর (ভূমি) কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সালথা থানার ওসি আশিকুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

গতকাল সোমবার (৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে দশটার দিকে উত্তেজিত জনতা ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তির দাবিতে এ ঘটনা ঘটায়।  জানা গেছে সোমবার (৫ এপ্রিল)বিকেলে সালথা বাজার একটি দোকান বন্ধ করা নিয়ে সালথা উপজেলা সহকারী কমিশনার হিরা মনির সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় ওই দোকান মালিকের।  এ ঘটনার সময় সহকারী কমিশনার পুলিশ ডেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালে দোকানদারের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে।  জানা গেছে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফরকা বাজারে চা পান করে ওই ইউনিয়নের নটাখোলা গ্রামের মৃত মোসলেম মোল্লার ছেলে মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা বাড়ি ফিরছিলেন। 

এ সময় সেখানে লকডাউনের কর্মকার ইতা পরিদর্শনে উপজেলা সহকারী কমিশনার মারুফা সুলতানা খান হিরামন উপস্থিত হন।  জাকির হোসেন অভিযোগ করেন কিছু বুঝে ওঠার আগেই সহকারী কমিশনারের গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি তার কোমরের সজোরে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার কোমর ভেঙে যায়।আহত জাকির হোসেনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  এদিকে জাকির হোসেনকে আহত করার খবরে সেখানে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ার ও গ্রামবাসী জর হয়। এরপর সেখানে সালথা থানার উপ পরিদর্শক (এস আই) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপর হামলা করে। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়। এর পর বিক্ষুব্ধ জনতা সালতা থানা ঘেরাও করে। 

শান্ত থানার ওসি আসাদুজ্জামান বলেন,সহকারী কমিশনার এর কাছ থেকে খবর পেয়ে ফুকরা বাজারে পুলিশ পৌঁছে সেখানে পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়। উত্তেজিত জনতাকে  শান্ত হতে অনুরোধ জানান তিনি।  এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার মারুফা সুলতানা খান হিরামনির বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইলে ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ