About Us
Ananda - (Pirojpur)
প্রকাশ ০৬/০৪/২০২১ ০৯:২১এ এম

সরবরাহ সংকটের অজুহাতে নিত্যপণ্যের বাজারে চড়া দামের ঝাঁজ

সরবরাহ সংকটের অজুহাতে নিত্যপণ্যের  বাজারে চড়া দামের ঝাঁজ Ad Banner

গতকাল থেকে সারা দেশে লকডাউন ঘোষিত হলেও সবকিছুই প্রায় রয়েছে স্বাভাবিক এমনকি যান চলাচলও। তবে এই অজুহাত কাজে  লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থে সিদ্ধির কাজে লেগে গেছে একদল অসাধু ব্যবসায়ী সরবরাহ সংকটে অজুহাত দিয়ে বাড়িয়ে দিয়েছে সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম।  ক্রমশ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানীর বাজারগুলোতে এই চিত্র বেশি দেখা যাচ্ছে।   

এই দফায় চাল, ডাল, আটা, শাকসবজি, ফলমূল ও মসলার দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। অথচ বাজারে চাহিদার তুলনায় পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।  লকডাউনের প্রথম দিনেই (সোমবার) সব ধরনের চাল খুচরা পর্যায়ে কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা, সবজি প্রকারভেদে কেজিতে সর্বোচ্চ ১০ টাকা, এক দিনের ব্যবধানে কেজিতে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। কেজিতে এলাচের দাম ৫০০ টাকা, পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ একাধিক মসলাজাতীয় পণ্যের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ রাজধানীর বাজারগুলোতে খাদ্যদ্রব্যের কোন রকম ঘাটতি দেখা যায়নি রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহ।         

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সামনে রমজান মাস তাই এখনই দ্রুত পদক্ষেপ না-নিলে ব্যবসায়ীরা লকডাউনের অজুহাতে পণ্যের দাম আরও বাড়িয়ে ফেলবে। দাম বাড়লে তা সহজে কমে না। ফলে বাড়তি দাম পুরো রমজান মাস অব্যাহত থাকতে পারে।   এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত লকডাউন চলাকালীন নিত্যপণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ, পাইকারি ও খুচরা বিক্রিতে কোনো বিধিনিষেধ রাখা হয়নি। কর্তৃপক্ষের  দাবি গত বছর দেশে সাধারণ ছুটি চলাকালীন বিভিন্ন কারণে সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়েছিল। সে সময় কিছু সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় ওই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে এবার প্রথম থেকেই অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কাজ করছি। আশা করছি, বাজারে কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ