About Us
Ananda - (Pirojpur)
প্রকাশ ০৬/০৪/২০২১ ০৮:৪৩এ এম

ভারতীয় টিকায় অনিশ্চয়তা , বিকল্প উৎসের খোঁজে বাংলাদেশ

ভারতীয় টিকায় অনিশ্চয়তা , বিকল্প উৎসের খোঁজে বাংলাদেশ Ad Banner

করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়ে বাংলাদেশে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে  আপাতত ইতি টানতে হয়েছে প্রথম ধাপের টিকাদান কর্মসূচিতে। দ্বিতীয়  ডোজের টিকা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। ভারত সরকার রপ্তানি স্থগিত করায় টিকা পাচ্ছে না বাংলাদেশ।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে টিকার চালান পাওয়া গিয়েছিল। তবে দ্বিতীয় ধাপেই ৩০ লাখ ডোজ কম আসে। আর তৃতীয় ধাপে কোনো টিকাই পাওয়া যায়নি। ফলে চুক্তি অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৮০ লাখ ডোজ টিকা কম পেয়েছে বাংলাদেশ। রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার ফলে এপ্রিল মাসের টিকা পাওয়া নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা ।এই পরিস্থিতিতে টিকা পেতে একাধিক বিকল্প উৎসের খোঁজে নেমেছে বাংলাদেশ। এ জন্য সরকারি-বেসরকারিভাবে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক  বলেছেন, এসব উদ্যোগে এখনও সাড়া মেলেনি। তবে টিকার বিকল্প উৎস পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদী।   ইউএনডিপির অর্থায়নে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার তিন কোটি ডোজ কেনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কিন্তু এই টিকা আগামী সেপ্টেম্বরের আগে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে তিন কোটি ডোজ টিকা কেনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে সারাবিশ্বে টিকা সংকটের কারণে সেই প্রচেষ্টাও দ্রুত সফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।  এর বাইরে টিকা উৎপাদনে ব্যবহূত কাঁচামালের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকাকে এবং ওষুধ শিল্প উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে অন্য কয়েকটি টিকা উদ্ভাবকদের কাছে চিঠি দিলেও তাতে সাড়া মেলেনি।স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র বলছে, শুধু কাঁচামাল পেলেই এ টিকা তৈরি করা সম্ভব হবে না। এ জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান অনুযায়ী হতে হবে। সে জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তা চেয়ে গত সপ্তাহে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই চিঠির জবাব এখনও আসেনি। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বাংলাদেশে ওষুধের মান পরীক্ষার জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ল্যাবের কেমিক্যাল অংশ গত বছরের মার্চে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে। তবে বায়োলজিক্যাল অংশের কাজ বাকি আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এটি করে দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। কারণ, টিকার অনুমোদন পেতে হলে কিংবা বিদেশে রপ্তানি করতে হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ল্যাবে ওই টিকা তৈরি হতে হবে। এসব কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ল্যাবটি তৈরি করে দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।    


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ