Dibarul Islam Dip - (Dhaka)
প্রকাশ ০৪/০৪/২০২১ ০১:১৭পি এম

রাফিউল ইসলাম সাজিদ এর প্রথম বই "তৈমুর লং মহামতি নাকি দুর্গতি!"

রাফিউল ইসলাম সাজিদ এর প্রথম বই "তৈমুর লং মহামতি নাকি দুর্গতি!" Ad Banner

মোঃ রাফিউল ইসলাম সাজিদ, মাধ্যমিক পার করেছেন ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বাহেরচরে তার গ্রামের বাড়ি। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত আছেন। 

ছোটো থেকেই অল্প অল্প ছন্দ সাজানোর প্রবণতা ছিল তার। তবে লেখালেখি শুরু করেছেন প্রায় ৩ বছর আগে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে থাকতে তৈমুর সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। তারপর শুরু সে বিষয়ে নিয়ে পড়াশোনা আর গবেষণা। পরবর্তীতে দুবছরের পরিশ্রমে লিখে ফেলেন ঐতিহাসিক গল্প "তৈমুর লং মহামতি নাকি দুর্গতি!"।  এটাই তার লেখা প্রথম বই। 

এবারের বইমেলায় "বাবুই প্রকাশ" নামক প্রকাশনীর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার লেখা "তৈমুর লং মহামতি নাকি দুর্গতি!" বইটি। স্টল নং ৬০১-৬০২ এ পাওয়া যাচ্ছে বইটি। লেখালেখিতে  তিনি  অনুসরণ করেন হুমায়ুন আহমেদ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সমরেশ মজুমদার এর মতো সাহিত্যিকদের।

তার লেখালেখি জগতে পরিবারের সবাই প্রায় সহযোগিতা করেছেন। যদিও প্রথমে রাজি হননি কেউই। তবে একসময় রাজি করিয়েছেন। বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন তার আম্মু ও আব্বু কে। পরিবারের বাইরেও অনেকেই সহযোগিতা করেছেন তাকে। 

তিনি জানান, "আমার খুব কাছের বড় ভাই ইব্রাহীম রাসেল ভাই, বন্ধুদের মধ্যে তারেক, নিলয়, চমক, নিশা ওদের সহযোগিতা পাই। আমার সবধরনের সমস্যাতেই তাদের পাশে পাওয়া যায়।"

তিনি বর্তমানে কয়েকটি সংগঠনে কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করছেন। লেখালেখি নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বই প্রকাশের অনুভূতি সম্পর্কে মোঃ রাফিউল ইসলাম সাজিদ জানান, "লেখালেখি নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা বলতে গেলে আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লিখে যেতে চাই। আমার বই কত কপি বিক্রি হয় তা নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নেই বললেই চলে।

আমার কাছে কোয়ান্টিটি থেকে কোয়ালিটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাঠকদের উদ্দেশ্য বলতে চাই-বইটি পড়ার অনুরোধ থাকলো। বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয়নাই। সর্বশেষ পৃথিবী বইয়ের হোক।"


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ