About Us
Ananda - (Pirojpur)
প্রকাশ ০৪/০৪/২০২১ ১০:১২এ এম

বিশেষজ্ঞদের মতে সাত দিন নয় আবশ্যক ১৪ দিনের লকডাউন

বিশেষজ্ঞদের মতে সাত দিন নয় আবশ্যক ১৪ দিনের লকডাউন Ad Banner

করোনাভাইরাসের সুপ্তিকাল ১৪ দিন। অর্থাৎ করোনাভাইরাস একজনের শরীরে ১৪ দিন পর্যন্ত সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। শরীরে প্রবেশের ১৪তম দিনেও ভাইরাসটি সুপ্ত অবস্থা ভেঙে প্রকাশ্যে আসতে পারে। অর্থাৎ রোগ তৈরিতে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এ জন্য বৈজ্ঞানিক বিবেচনা থেকে লকডাউন দিলে তা কমপক্ষে দুই সপ্তাহ অর্থাৎ ১৪ দিন হওয়া প্রয়োজন ছিল। একটি ধাপের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নূ্যনতম ১৪ দিন লাগে।   

 তাছাড়া লকডাউন ঘোষণার পর সারা দেশের আন্তঃজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা দরকার। অর্থাৎ সড়ক, নৌ, রেল ও বিমান যোগাযোগ নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কার্যকর অর্থেই নিষিদ্ধ থাকা। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখা অত্যাবশ্যক। অন্যথায় সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব নয়।  লকডাউন মানে তো পুরোপুরি সবকিছু বন্ধ রাখা। জরুরি সেবা অর্থাৎ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। সীমিত পরিসরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দোকানও খোলা থাকবে। অফিস-আদালত সবকিছু অনলাইনে চলবে। সার্বিকভাবে এ সময়ে মানুষকে ঘরবন্দি হয়ে থাকতে হবে। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, সরকারি অফিস-আদালত ও শিল্পকারখানা খোলা থাকবে। তাহলেও তো লকডাউন হলো না।   

বিশেষজ্ঞরা বলেন, চলমান ঊর্ধ্বগতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত ২৫ মার্চ প্রেরিত সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১৮ দফা নির্দেশনা প্রদান করে। তবে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে তা জোরালো প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। তারা চলমান ঊর্ধ্বগতির তীব্রতা ও ভয়াবহতা বুঝতে না পেরে সচেতন হয়নি। ফলে মাঠ পর্যায়ে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন না ঘটায় সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ