About Us
Rakib Monasib
প্রকাশ ০৩/০৪/২০২১ ১০:৫৮পি এম

বাসদ থেকে বেরিয়ে গিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন

বাসদ থেকে বেরিয়ে গিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন Ad Banner

দেশে আরও একটি নতুন রাজনৈতিক দল ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ভেঙে এই দল গঠন করা হলো। বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তীর নেতৃত্বে ‘বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন’ নামে নতুন এ দল গঠন করা হয়েছে। ৩৭ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা কমিটির সমন্বয়কের নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি। 

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ দলের নাম ঘোষণা করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কমরেড মঞ্জুরুল আলম মিঠু, কমরেড অপু দাস গুপ্ত, জলিলুর রহমান, সত্যজিৎ বিশ্বাস ও আমিনুল ইসলাম। 

লিখিত বক্তব্যে শুভ্রাংশু চক্রবর্তী বলেন, একটি বিপ্লবী দল গড়ে তোলার জন্য এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছি। কমিউনিস্ট পার্টি গড়ার নীতিগত ও পদ্ধতিগত সংগ্রামের নানা দিক এবং অতীত রাজনীতির অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলছি। এটি একটি দল গঠন প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়াকে আরও মূর্ত করতে একটি নতুন নামকরণ এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করছি। সেই প্রয়োজন থেকেই নতুন নাম ঘোষণা করা হলো। 

শুভ্রাংশু বলেন, পুঁজিবাদ বিরোধী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। লেলিনীয় ধারণার বিকশিত রূপ হিসাবে মার্কসবাদী চিন্তাবিদ কমরেড শিবদাস ঘোষের চিন্তাধারা গ্রহণ করেছিল বাসদ।

কিন্তু উলি­খিত সে গাইডলাইন অনুযায়ী দল গঠনের আদর্শগত ও পদ্ধতিগত সংগ্রাম পরিচালিত হয়নি। প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণা অনুযায়ী একটি সঠিক কমিউনিস্ট পার্টি গড়ে তোলার জন্য নেতাকর্মীদের চিন্তাজগত ও বাস্তবজীবনের সর্বক্ষেত্রকে ব্যপ্ত করে নিরবচ্ছিন্ন আদর্শগত সংগ্রাম পরিচালনার মধ্যদিয়ে দলের মধ্যে আদর্শগত কেন্দ্রীকতা গড়ে তোলা হয়নি।

কিন্তু সেই সংগ্রাম এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামানসহ নেতৃত্বের একাংশ প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণার অস্বীকার করে আসে। এ অবস্থায় বাসদের ১৬ জন নেতা এসবের প্রতিবাদ এবং মূল লক্ষ্য পালনের দাবি জানান। তাদের দাবি না মেনে উল্টো ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়। 

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশি-বিদেশি ধনিক শ্রেণির স্বার্থে যে রাষ্ট্র কাঠামো তৈরি হয়েছে তা মানুষকে কিছু দিতে পারে না। এ রাষ্ট্র ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

গ্রাম শহরের শ্রমজীবী মানুষের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে বুর্জোয়া শ্রেণিকে উচ্ছেদ করাই আজ ইতিহাস নির্ধারিত বিজ্ঞানসম্মত পথ। সে জন্যই এ রাজনেতিক দল গঠন করা হয়েছে। 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ