About Us
জাহাঙ্গীর আলম কবীর - (Satkhira)
প্রকাশ ০৩/০৪/২০২১ ০৭:৫৪পি এম

তালার শহর আলীরা পুলিশের সাহায্য পায়নি

তালার শহর আলীরা পুলিশের সাহায্য পায়নি Ad Banner

মারপিটের শিকার আহত শহর আলী মোল্লারা থানায় মামলা না করতে পেরে বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে ধর্ণা দিচ্ছে। তাদের প্রতিপক্ষরা তার ও তার স্ত্রীকে খুন করার হুমকি দিচ্ছে।
শহর আলী মোল্লার বাড়ি তালা থানার শিবপুর গ্রামে। তাদের শরিক মানিক মোল্ল্যা, জবেদ মোল্লা, জহর মোল্লা, জাফর মোল্ল্যা, ছবর মোল্ল্যা, আছিরোন, ছবিরোন, গফুর মোল্ল্যা, মরিয়ম, মাজিদা, মমতাজ, ও তার সাথে একই গ্রামের মুক্তার আলী খাঁ ও আক্তার আলি খাঁর সাথে জমিজমার সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় সাতক্ষীরা জজ কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। গত ২০ মার্চ ২০২১ তারিখ সকালে মুরগির ব্যবসায়ী শহর আলী মোল্লা সজিনা গাছ থেকে সজিনা পাড়ার সময় বাঁশের লাঠি, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে মুক্তার আলী খাঁ ও আক্তার আলি খাঁ তার ওপর হামলা চালায়। শহর আলী মোল্লার মাথা ফাটিয়ে ও সমস্ত শরীরে পিটায়ে জখম করে। এ সময় হালিমা বেগম, তার ছোট জা মমতাজ বেগম ও দেবরের ছেলে নাইম মোল্লা দেখতে পেয়ে মুক্তার আলী খাঁ ও আক্তার আলী খাঁর হাত থেকে তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে তাদেরও বেধড়ক মারপিট করে। মুক্তার আলী খাঁ হালিমা বেগমের শাড়ি-বøাউজ জোরপূর্বক টেনে ছেড়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। আক্তার আলী খাঁর গলার ৩৫ হাজার টাকা দামের সোনার চেন ছিড়ে নিয়ে যায়। শহর আলী মোল্লার ব্যবসার সাড়ে ১৫ টাকা তার জামার পকেট থেকে বের করে নেয়। মমতাজ বেগম টাকা কেড়ে নিতে গেলে তার মাথায় বাড়ি মারে। তাদের চিৎকারে মাঝিয়াড়ার আলতাফ মোড়ল, শিবপুর গ্রামের ছবর আলী মোল্লা ও ফরিদা বেগম সহ আরো অনেকে ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে। তখন মুক্তার আলী খাঁ ও আক্তার আলী খাঁ তাদের খুন জখম  করার ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে শহর আলী মোল্লা, মমতাজ বেগম ও নাইমের অবস্থা খারাপ থাকায় তালা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য ভর্তি হয়। তারা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। থানায় মামলা না নেয়ায় প্রতিপক্ষরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ