About Us
MD.KAMRUZZAMAN SOHAG - (Kushtia)
প্রকাশ ০৩/০৪/২০২১ ০৫:২৪পি এম

গ্যাস্ট্রাইটিস থেকে বাঁচতে এ অভ্যাসগুলো বাদ দিন

গ্যাস্ট্রাইটিস থেকে বাঁচতে এ অভ্যাসগুলো বাদ দিন Ad Banner

আমাদের পাকস্থলীর গায়ে সূক্ষ্ম একটা ঝিল্লি আছে। পাকস্থলীকে ক্ষতিকর জীবাণু ও খাবারের অ্যাসিড থেকে বাঁচায় ওটা। কোনও কারণে ওই ঝিল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হলে অ্যাসিডের সংস্পর্শে সেখানে এক ধরনের জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। আর ওটাই হলো গ্যাস্ট্রাইটিসের প্রচলিত লক্ষণ। এ থেকে বাঁচতে সবার আগে ঠিক রাখা চাই আমাদের হজম প্রক্রিয়াটাকে। এর জন্য বাদ দিতে হবে কতগুলো অভ্যাস।

অ্যালকোহল, ধূমপান ও অন্যান্য

বদভ্যাসের তালিকায় এ দুটো এমনিতেই সবার উপরে। গ্যাস্ট্রাইটিসের সঙ্গেও আছে সরাসরি সম্পর্ক। অ্যালকোহল ও সিগারেটের ধোঁয়া- দুটোই আমাদের ডাইজেস্টিভ মিউকাস নষ্ট করে। অতিরিক্ত চা-কফিও একই ক্ষতি করে। আবার আদা, ঝাল, সরিষা, চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলেও মিউকাস নষ্ট হতে থাকে।

অনিয়মের খাওয়া

শুধু সময় নয়, খাবার খেতে হবে বেলা মেপেও। গবেষকরা বলছেন, আমাদের উচিৎ অল্প পরিমাণে মোট পাঁচ বেলা খাওয়া। একেবারে বেশি করে খেলেও হজমে গোলমাল দেখা দেবে। বাড়বে গ্যাস্ট্রাইটিস।

কম চিবুনো

অনেকেরই তাড়াহুড়ো করে খাওয়ার অভ্যাস আছে। দ্রুত খাওয়া শেষের মধ্যে গর্বের কিছু নেই। বরং ভালোমতো না চিবিয়ে পাকস্থলীর ওপর প্রেশার বাড়াচ্ছেন তারা। আর তাই খাওয়ার সময় কথা বলা কিংবা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকার অভ্যাসটাও বাদ দিন।

নানা পদের খাবার

পাতে হরেক পদ না থাকলে যাদের মন ভরে না, তারাও গ্যাস নিয়ে ভুগবেন। খাবারের সঙ্গে ফল যাদের লাগবেই, তারাও জেনে রাখুন, গ্যাস্ট্রাইটিস এড়াতে ফল খাওয়ার উপযুক্ত সময়টা হলো সকালের নাস্তার পর কিংবা বিকেলের একটু আগে।

মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টাসিড

গ্যাস্ট্রাইটিসের জন্য যারা ক্ষণে ক্ষণে অ্যান্টাসিড খোঁজেন, তাদের অনেকেই জানেন না যে, দীর্ঘমেয়াদে কী ক্ষতিটা করছে এই ওষুধ। হজমের রসের সঙ্গে বিক্রিয়া করতে করতে ভবিষ্যতে এ জাতীয় ওষুধগুলো হজমের প্রাকৃতিক ক্ষমতাকেই নষ্ট করে ফেলে।

সঙ্গে সঙ্গে পানি

খাবারের পরপর একগাদা পানি পানের অভ্যাসটাও ছাড়তে হবে এবার। কারণ খাওয়ার পর পর পাকস্থলীতে হজম রসের (ডাইজেসটিভ জুস) নিঃসরণ ঘটে। বেশি পরিমাণে পানি গেলে ওই রস পানিতে মিশে কার্যকারিতা হারায়। এতে করে পরবর্তীতে জারক রস কম নিঃসরণ করার সংকেত পাঠায় পাকস্থলী। তাতেই দেখা দেয় বুকে জ্বালাপোড়া ও অ্যাসিডিটির অনুভূতি।

মানসিক চাপ

মনের সঙ্গে পেটের খুব বেশি দূরত্ব নেই। মনে চাপ থাকলে সেটা পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক জুসের নিঃসরণও বাড়ায়। তাই যারা গ্যাস্ট্রাইটিস সমস্যায় ভুগছেন, তারা প্রফুল্ল থাকার চেষ্টা করুন। সমস্যা অনেকখানি লাঘব হবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ