About Us
MD.KAMRUZZAMAN SOHAG - (Kushtia)
প্রকাশ ০১/০৪/২০২১ ০৫:০০পি এম

মোবাইল ফোন আমদানি না করার আহ্বান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর

মোবাইল ফোন আমদানি না করার আহ্বান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর Ad Banner

বর্তমান সরকারের প্রযুক্তি বান্ধব নীতির ফলে দেশে ১৪টি প্রতিষ্ঠান মোবাইল সেট উৎপাদন করছে বলে দাবি করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেছেন, এসব কারখানায় এখন ফোরজি সেটও তৈরি হচ্ছে। ফলে আমাদের সেট আমদানির কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

সম্প্রতি মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ রাউন্ডটেবল অন বাংলাদেশ অ্যাচিভিং মোবাইল-এনেভলড ডিজিটাল ইনক্লিউশন শীর্ষক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, দেশ ১৯৮৯ সালে মোবাইল ফোন যুগে প্রবেশ করলেও মনোপলি ব্যবসার কারণে মোবাইল ছিল সাধারণের নাগালের বাইরে। ১৯৯৭ সালে ৪টি অপারেটরকে মোবাইল ফোন পরিচালনার লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে মোবাইল সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

তিনি বলেছিলেন, ২০১৩ সালে ৩জি চালু করা অবধি মোবাইল প্রযুক্তি কেবল কথা বলার কাজেই ব্যবহৃত হতো। এরপর ২০১৮ সালে ৪জি চালু হবার পর আমরা প্রকৃত মোবাইল ইন্টারনেটের যুগে প্রবেশ করলাম।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোবাইল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ৪জি চালুর ধারাবাহিকতায় গ্রামীণ ফোনের শতভাগ এবং রবির ৯৮ ভাগ বিটিএস ৪জি নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। টেলিটক ও বাংলালিংক শিগগিরই শতভাগ বিটিএস ফোর জি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী ইতোপূর্বে দেশের তৃণমূল জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল সেবা গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ করে করোনাকালে দেশের প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল চিকিৎসা সেবা এবং শিক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রী শতভাগ বিটিএস ফোরজি নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য অপারেটর সমূহকে তাগিদ দেন।

জিএসএমএ নেতৃবৃন্দ মোবাইল ফোন বিকাশে বাংলাদেশের অবস্থান, ভবিষ্যৎ করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে বেশকিছু পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা ডিজিটাল দক্ষতা ও সচেতনতা তৈরিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

বিটিআরসি, টেলিটক, রবি, বাংলালিংক ও এমটব প্রতিনিধিগণ,আইটিইউ এর এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি এবং এটুআই এর সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজর আনির চৌধুরী গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন। গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন জিএসএম কর্মকর্তা রাহুল শাহ এবং জুলিয়ান গরমেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ