About Us
Md.Shahidul Islam - (Bandarban)
প্রকাশ ০১/০৪/২০২১ ১১:২৭এ এম

করোনা ও পর্যটন পরিস্থিতিতি

করোনা ও পর্যটন পরিস্থিতিতি Ad Banner

আগের যে কোন সময়ের চেয়ে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় বান্দরবানের ৭টি উপজেলার সব পর্যটন কেন্দ্র আগামী ১৪ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। ফোনে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন পারভিন তিবরীজি প্রতিবেদক কে বিষয়টি নিশ্চত করেন।আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লুৎফুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দেশে তথা বান্দরবান জেলায় করোনার প্রকোপ দ্রুত বেড়ে যাওয়ার কারনে আজ বুধবার থেকে ২ সপ্তাহের জন্য জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে জেলার কোন পর্যটনস্পটে পর্যটকরা অবস্থান গ্রহন করতে পারবেনা। আর পর্যটক সমাগম কমে গেলে হোটেল মোটেলেও পর্যটক শূন্য থাকবে বিধায় আনুষ্ঠানিক ভাবে হোটেল মোটেল বন্ধ ঘোষনা করা হয়নি। 

এদিকে এই ঘোষনার পর জেলার নাফাকুম,রেমাক্রি, তিন্দু, দেবতাকুম,বগালেক, মেঘলা, নীলাচল, চিম্বুকসহ যেসব পর্যটনস্পটে পর্যটকরা অবস্থান করছে তাদের দ্রুত পর্যটনস্পট ছেড়ে নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।এদিকে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রশাসন বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত করছে। জেলা শহরে মাস্ক ব্যবহার না করায় ১০ জনকে জরিমানা করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এক বছরে বান্দরবানে করানোভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৪ জনের মৃত্যু ও ৯১৮ জন আক্রান্ত হয়েছে।প্রসঙ্গত, বান্দরবানে ৭টি উপজেলায় অর্ধশত পর্যটন কেন্দ্রের পাশাপাশি শতাধিক হোটেল মোটেল রয়েছে, সরকারী এই নির্দেশনায় ফের আর্থিক ভাবে ক্ষতির সন্মুখিন হবে পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িতরা।  অপরদিকে আরেক পর্যটন নগরী কক্সবাজার সমুদ্র  সৈকতসহ পর্যটন স্পটসমূহ বন্ধের কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।কক্সবাজার কেন্দ্রীক যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের বেলায় অনেক বিষয় বিবেচনা করতে হয়। তাই সংশ্লিষ্ট সব স্টোকহোল্ডারের সঙ্গে বসেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তবে, খুব শিগগিরই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধের ঘোষণা আসছে।বুধবার (৩১ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এসব কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।জেলা প্রশাসক বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে করণীয় ঠিক করা হবে।আপাতত: সরকারের জারি করা ১৮ নির্দেশনা মত সৈকতে পর্যটক সমাগম সীমিত করার জন্য কাজ চলছে। সে জন্য যতটুকু সম্ভব কড়াকড়ি করা হচ্ছে।তিনি বলেন, আগের মত সমুদ্র সৈকতে ব্যাপক জনসমাগম হতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিদিন সৈকতে জেলা প্রশাসনের একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করা হচ্ছে।এদিকে, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন।বিভিন্ন গণপরিবহন ধারণ ক্ষমতার ৫০ভাগ যাত্রী নিয়ে চলাচলা করছে কিনা তা মনিটরিং করতে বুধবার অভিযান পরিচালিত হয়।বাজারে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে স্বাস্থ্যবিধি এবং বাংলাদেশ হোটেল-রেঁস্তোরা আইন-২০১৪ বাস্তবায়নে অভিযান করে জেলা প্রশাসনের টিম।সবমিলিয়ে কক্সবাজার সদরে ২০ মামলায় আইন ভঙ্গকারীদের বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়। অভিযানের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত লিফলেট ও মাস্কও বিতরণ করা হয়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ