About Us
Md. Akhter Ali - (Chuadanga)
প্রকাশ ৩১/০৩/২০২১ ০৪:১১পি এম

আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা Ad Banner

চুয়াডাঙ্গায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর মল্লিক (৩৫) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে পিটিয়ে আহত করে। পরে বিকেল ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।   নিহত জাহাঙ্গীর মল্লিক তিতুদহ ইউনিয়নের নুরুল্লাহপুর গ্রামের আমজেদ মল্লিকের ছেলে। তিনি তিতুদহ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর আলী। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুকুর আলী ছয়ঘরিয়া গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করে আসছেন। শুকুর আলীর অনুসারী জাহাঙ্গীর আলম ওই বালুর ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার দুপুরে ছয়ঘরিয়া গ্রামের কেরু মাঠ এলাকায় বালু উত্তোলন করতে গেলে জাহাঙ্গীরকে কোদাল ও বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে জখম করে ফেলে রাখে ওই যুবলীগ নেতার লোকজন। পরে স্থানীয়রা জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়।   

নিহত জাহাঙ্গীরের বাবা আমজেদ মল্লিক বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করা করেছে। তবে কারা, কী কারণে তাকে হত্যা করেছে আমি কিছুই জানি না।

ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর আলী বলেন, জাহাঙ্গীর আমার বালুর ব্যবসা দেখাশোনা করতো। দুপুরে তাকে বালু  উত্তোলনের টাকা আনতে ছয়ঘরিয়া গ্রামে পাঠিয়েছিলাম। সেখানে গেলে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। কোদাল, বেলচা ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। ছয়ঘরিয়া গ্রামের যুবলীগ নেতা আব্দুল মোমিনসহ কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন।   চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। প্রতিপক্ষের লোকজন জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চালানো হচ্ছে। 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ