About Us
MD.KAMRUZZAMAN SOHAG - (Kushtia)
প্রকাশ ৩১/০৩/২০২১ ০১:৪১পি এম

ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে হেফাজতের হামলায় পুলিশের যত ক্ষতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে হেফাজতের হামলায় পুলিশের যত ক্ষতি Ad Banner

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদরাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৬ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের চালানো তাণ্ডবে জেলা পুলিশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি শতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। 

গতকাল মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে জেলা পুলিশ। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৬ মার্চের তাণ্ডবে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ৪৩টি জানালার গ্লাস, নিয়ন্ত্রণ-কক্ষের সিসি ক্যামেরার মনিটর, কম্পিউটার, ফটোকপি মেশিন, জেনারেটর, ট্রাফিক পুলিশের ভাস্কর্য, রিকুইজিশন করা ২টি মাইক্রোবাস, ১টি পাজেরো জিপ ও ১৩টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়া ওইদিন সদর মডেল থানার ২নং ফাঁড়ির ৫২টি জানালার গ্লাস, ৪টি সিসি ক্যামেরা, ২টি সিলিং ফ্যান, ৬টি মোটরসাইকেল ও ৪টি দরজার থাই গ্লাসসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদরাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে গত ২৬ মার্চ দুপুরের পর থেকেই উত্তাল হয়ে উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

মাদরাসাছাত্র ও হেফাজত নেতাকর্মীরা ওইদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতে আগুন দেয়। এরপর ২৮ মার্চ হরতালের দিন জেলা পরিষদ ভবন, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌরমিলনায়তন, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা গণগ্রন্থাগার, পৌরসভা কার্যালয় ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজত-কর্মীরা। এছাড়া ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মোদী বিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত হন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ