About Us
প্রকাশ ০৪/০৩/২০২১ ০২:৫৪পি এম

দ্রুত আয়ের জন্য পুরোনো পেশা ছেড়ে ছিনতাই-মলমপার্টি বেছে নেয়া: গ্রেফতার ৭

দ্রুত আয়ের জন্য পুরোনো পেশা ছেড়ে ছিনতাই-মলমপার্টি বেছে নেয়া: গ্রেফতার ৭ Ad Banner

পেশায় কেউ ছিলেন দোকানের কর্মচারী আবার কেউ ছিলেন ফটোগ্রাফার পেশায়। বর্তমানে এসব পেশায় আয়-রোজগার কম হওয়ায় তারা পেশা বদলে ছিনতাই-মলমপার্টিতে যুক্ত হয়।

রাজধানীর উত্তরা আবদুল্লাহপুর থেকে থেকে অভিযান চালিয়ে মলমপার্টির সাতজন সদস্যদেরকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় আব্দুল্লাহপুর পরিস্থান পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- মূলহোতা স্বপন, ফিরোজ, মাসুদ রানা, শহীদুল ইসলাম, জাকির হোসেন জাকির, শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল ও হাবিবুর রহমান সিরাজ ওরফে সিরাজ মুন্সী ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির ঢাকা মেট্রোর অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক শেখ ওমর ফারুক। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পূর্বে অন্যান্য পেশায় যুক্ত ছিলেন। কিন্তু আয়-রোজগার কম হওয়ায় ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দ্রুত বেশি টাকা আয় করার জন্য যুক্ত হয় মলমপার্টিতে।

আবদুল্লাহপুর বেঁড়ীবাধ রোডের শিকদার এন্টারপ্রাইজের সামনে থেকে গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে এই মলমপার্টির সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়। মলমপার্টির সক্রিয় সদস্যরা একত্র হয়ে কৌশলে সহজসরল যাত্রীদের টার্গেট করে চেতনানাশক ওষুধ ও মলম প্রয়োগ করে টাকা ও মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেয়।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রের আটজন সদস্য ছিল। তাদের মধ্যে একজন পালিয়ে গেছে। চক্রটি কোথায় অভিযান চালাবে এর আগে তারা জায়গাটি আগে রেকি করে নেয়। এছাড়াও তারা যে বাসে অপারেশন করে সেই বাসের কন্টাকটরও বিষয়টি জেনে থাকে। তাকেও এই টাকার ভাগ দেওয়া হয়।

ওমর ফারুক বলেন, অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা কেউ ১৪ বছর কেউ এক দুই মাস ধরে কাজ করছে। এদের কেউ দোকানদার কেউ ফটোগ্রাফার পেশায় ছিল।

তারা কম পরিশ্রমে বেশি টাকায় আয় করার লোভে এই পেশায় এসেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, মলমপার্টির সংখ্যা কত এমন পরিসংখ্যান এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। তবে আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করব।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তরের বিশেষ পুলিশ সুপার খালিদুল হক হাওলাদার, সহকারী মোহাম্মদ জহিরুল হক ও এএসপি (মিডিয়া) জিসানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে চারটি প্লাস্টিকের ছোট কৌটা ভর্তি মলম ছোট একটি প্লাস্টিকের কৌটায় টাইগার বাম জাতীয় মলম, একটি স্টীলের ছোট কাঁচি, একপাতা ১০ টি মাইলাম ৭.৫ ঘুমের ওষুধ।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ