About Us
Verified আই নিউজ বিডি ডেস্ক
প্রকাশ ০৪/০৩/২০২১ ০১:২২পি এম

শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি পরামর্শে ইউজিসি মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি: দাবি উপাচার্যের

শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি পরামর্শে ইউজিসি মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি: দাবি উপাচার্যের Ad Banner

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক  ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি পরামর্শে ইউজিসি এমন মিথ্য পতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে বলে, এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য করা হয়েছে।   

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের তিনি এসব কথা বলেন। দুই মার্চ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকারে পাওয়া ‘বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে’ উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের তদন্ত কমিটি পাওয়ার দুই দিন পর এই সংবাদ সম্মেলনে আসলেন উপাচার্য।  অধ্যাপক  ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, ইউজিসির যে পতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে এটা বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি ও উপমন্ত্রীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি যে আসনে নির্বাচন করে সেই আসনে আমার নানা ও মামা প্রতিনিধিত্ব করেন। এটা চাঁদপুরের স্থানীয় রাজনৈতিক কারণে হবে পারে বলেও মনে করেন তিনি। 

ইউজিসি অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ প্রমাণ পাওয়া পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটির সদস্য মঞ্জুর কাদেরকে অব্যাহতি দিতে সুপারিশ করা হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় কমিটি। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে একনেকের এক বৈঠকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের একটি হল ও ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণের জন্য বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৯৭ দশমিক ৫০ কোটি টাকা। 

প্রকল্পটি তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. জলিল মিয়ার আমলে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী ছাত্রীদের হল ১০ তলা করা এবং সেখানে সব ধরনের সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখার নির্দেশ দেন।

একইভাবে ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউটকেও আধুনিক মানসম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে ভবনের নকশা পরিবর্তন করে আধুনিক যুগোপযোগী নকশা তৈরি করে প্রকল্পটি তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূর-উন-নবীর আমলে অনুমোদন দেয়া হয়। তাতে সায় দেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। এই দুটি স্বতন্ত্র ভবন নির্মাণের জন্য ৭৮ কোটি ২২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ