About Us
মোঃ ইফরানুল হুদা - (Dhaka)
প্রকাশ ০৩/০৩/২০২১ ০৬:৩৭পি এম

মশক মন্ত্রনালয় আজ শুধু সময়ের চাহিদা

মশক মন্ত্রনালয় আজ শুধু সময়ের চাহিদা Ad Banner

মশক মন্ত্রনালয় আজ শুধু সময়ের চাহিদা। হাসছেন, হাসবেন না ভাবুন। মশার অত্যাচারে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। এই মশার কামড়ে কষ্টকর মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে কত লোকের আর্থিক ও শারীরিক অবস্থা দূর্বিষহ তা করো ভাবনাতে নেই।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মশার অবদান আছে, তাই মশাকে নির্মূলে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ মশাকে সুবিধা দেয়। 

অর্থনীতিতে মশার অবদান- 

☆ মশার কয়েল, এই শিল্পের বিকাশ মশার অবদান।

☆ মশার স্প্রে শিল্পের বিকাশ।

☆ মশা নিধনে বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার বিভিন্ন প্রকল্প এবং মশার ঔষধের ব্যাবসা বিকাশ সাথে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

☆ মশা বাহিত রোগের প্রকোপ বেশি হওয়ার ফলে, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য।

☆ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্যের কারণে ডাক্তারদের ও ঔষধ শিল্পের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।

মনে হয় উপরোক্ত বিবেচনায়,  সরকার ও সরকারি সংস্থা গুলোকে মশা বান্ধব নীতিমালা গ্রহণে উৎসাহিত করেছে।

যাহোক সরকার থেকে যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা নিয়েও এই ছোট মশা জনগনের আপন হতে পারেনি। মশার জন্য জনগনের জীবনযাত্রার ব্যয় ও কষ্ট দিনে দিনে বেড়ে গেছে। জনগনের জীবনযাত্রায় ব্যয় বৃদ্ধিতে মশা- 

☆ মশার কয়েল ও স্প্রে জীবনযাত্রার অংশ হয়ে গেছে, যা কারো কাছে কাম্য নয় ।প্রতি মাসে পরিবারের মশা তাড়ানোর পেছনে ৩০০-৫০০/- টাকা ব্যয় হচ্ছে, যা কেউই পছন্দ করেন না ।

☆ একটি কয়েল একশোটা সিগারেটের সমান ক্ষতিকর । তাহলে কি পরিমাণ ক্ষতি প্রতিটা পরিবারের? এটা টাকার অংকে আনা সম্ভব না।

☆ মশার অত্যাচারে ঘরে- বাইরে কোথাও শান্তিতে থাকা যায় না, তাই বাধ্য হয়ে মানুষ বিভিন্ন ক্ষতিকর বস্তু ব্যবহার করে অসুস্থ হয়ে শারীরিক, মানসিক, আর্থিক ও পারিবারিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়ে দূর্বিষহ জীবনযাপন করছে ।

☆ মশা তাড়ানোর জন্য ব্যবহারিত ক্ষতিকারক বস্তুর মাধ্যমে ক্যান্সারের ঝুঁকি ও রোগীর সংখ্যা বাড়ছে যা আশংকা জনক।

তাই মশা সমস্যাকে গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে মশক মন্ত্রনালয় প্রতিষ্ঠা করে মশা নিধনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

মশার অর্থনৈতিক বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে জনগনের দুর্ভোগ কমাতে, সরকারের সুদৃষ্টি সকলের জন্য কাম্য।

মশার দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে কয়েল ব্যবহার না করে পারছি না কিন্তু এর ক্ষতির দিকটা বিবেচনায় নিয়ে সরকারের উচিত আইন করে প্রত্যেকটা কয়েলের প্যাকেটে লিখতে বাধ্য করা- "কয়েল স্বাস্থ্যকর নয়", ঠিক সিগারেটের প্যাকেটে যেভাবে লিখা থাকে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ

Verified আই নিউজ বিডি ডেস্ক
প্রকাশ ১৯/০৪/২০২১ ০৩:০৭পি এম