MD:ABDUL KADIR
প্রকাশ ২২/০২/২০২১ ১১:৫৭পি এম

গুলিছুড়ে বসতঘরে অগ্নিকান্ড ও লুটপাত

গুলিছুড়ে বসতঘরে অগ্নিকান্ড ও লুটপাত Ad Banner

প্রাগৈাতিহাসিক কোন কাহিনী নয় ,গঠনাঠি গঠেছে  চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলায় । (২২ ফেব্রুয়ারী) সোমবার বিকালে ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১১নং চরদু:খিয়া পুর্ব ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামের বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।   

ফাঁকাগুলি ছুড়ে আতংক সৃষ্টি করে  বসত ঘরে আগুনে পুড়িয়ে দেয়াসহ আরো ১২টি বসত ঘর ভেঙ্গে তচনছ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় ওই বাড়ির দুটি গোয়ালঘর থেকে ৭টি গরু লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

সন্ত্রাসীদের বাঁধা দিতে গিয়ে এক ব্যাংক কর্মকর্তার পরিবারের ৩ সদস্যসহ ৬ জন গুরুতর আহত হয়।  স্থানীয় লোকজন জানায়, পশ্চিম সন্তোষপুর গ্রামের সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ এর সাথে একই বাড়ির প্রবাসী লোকমান হোসেনের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। বিরোধ নিরসণে স্থানীয়ভাবে একাধিক শালিশী বৈঠক হলেও তা নিষ্পত্তি হয়নি।

সর্বশেষ সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারী) অস্ত্রধারী একদল সন্ত্রাসী হঠাৎ করেই ওই বাড়িতে হামলা করে।  ব্যাংক কর্মকর্তা নুরু মোহাম্মদ এর মেয়ে শাহানাজ আক্তার লিজা জানান, এমরান হোসেন ভূইয়ার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তাদের বাড়িতে হামলা করে।

তারা গুলি ছুড়ে এবং আমাদের বসতঘরটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। তাদের বাঁধা দিতে গেলে বাবা নুর মোহাম্মদ ও তিন ভাই গিয়াস উদ্দিন (৩৫), প্রতিবন্ধী জুয়েল (২০) এবং সিহাব (২৪)কে কুপিয়ে আহত করে।

এছাড়া আমাদের বাড়ির শাহজাহান মাষ্টার, মোক্তার আহমেদ, তোফায়েল, আলী হোসেন, আলমগীর , অলিউল্যা, মো: সেলিম, তাজুল ইসলাম, নেছার আহাম্মদ , হুমায়ুন ও জহিরেরসহ ১২টি বসত ঘর কুপিয়ে ও ভেঙ্গে তচনছ করে সন্ত্রাসীরা।

নুর মোহাম্মদের গোয়াল ঘর থেকে ৬টি গরু এবং একই বাড়ির নেছার আহম্মদের ১টি গরু নিয়ে যায়। হামলা চলাকালে শাহজাহান মাষ্টার( ৫২) এমরান ভূঁইয়া নামে আরো দুইজন আহত হয়।  স্থানীয় লোকজন জানায়, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ এর কাছে এলাকার মানুষের ৫শতাধিক জমির দলির গচ্ছিত ছিল।

তার ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার ফলে সমস্ত দলির পুড়ে গেছে। এছাড়া নগদ প্রায় ৫ লাখ টাকাসহ অন্তত ১০ লক্ষাধিক টাকার আসবাবপত্র ভষ্মীভূত হয়ে গেছে।  ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা জানায়, ঘটনার ব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 

এদিকে গুলি বর্ষণ ও সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তান্ডব চালানোর ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাও. ইকরাম হোসেন হামিদ জানান, এটি কোন মতেই মেনে নেয়া যায় না।

এ ধরনের হামলা ও লুটতরাজকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, ঘটনা শুনে ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছি। কাউকে আটক করতে পারি নি।  সন্ত্রাসীদের আটকে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ