Verified আই নিউজ বিডি ডেস্ক
প্রকাশ ২১/০২/২০২১ ০৬:৪৯পি এম

২৩ মিনিট আগে আলোচনা সভা স্থগিত করলো বিএনপি

২৩ মিনিট আগে আলোচনা সভা স্থগিত করলো বিএনপি Ad Banner

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে পূর্ব ঘোষিত আলোচনা সভা স্থগিত করেছে বিএনপি। 

রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় দলটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় ছিল। এতে লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, স্থায়ী কমিটি সদস্যসহ অন্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু বেলা ২টা ৩৭ মিনিটে হঠাৎ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আলোচনা সভা স্থগিতের কথা জানানো হয় দলটির পক্ষ থেকে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, অনিবার্য কারণবশত ভার্চুয়াল আলোচনা সভাটি আজ অনুষ্ঠিত হবে না। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় এটি অনুষ্ঠিত হবে।  গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এক দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সেখানে তিনি ভার্চুয়াল আলোচনা সভার কথাও জানান।     

প্রতি বছর শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু ২০১৮ সালে দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা দিনটিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছেন।

তবে এ বছর মির্জা ফখরুল চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।  তাই রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল সকালে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের মাজার জিয়ারত করে। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রিজভী বলেন, একুশের চেতনা থেকে শক্তি নিয়েই তারা ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম’ করে যাচ্ছেন। বাহান্নর রক্তস্নাত অমর একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটি আমাদেরকে আজও উদ্বুদ্ধ করে, যখন দেখি আজও রাষ্ট্র ক্ষমতায় এক দলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন, মাফিয়াতন্ত্রের রাষ্ট্রযন্ত্র তৈরি করা হয়েছে।

বাহান্নর চেতনা আমাদেরকে শাণিত করেছে, ধারালো করেছে বলেই আজও আমরা দৈত্যের ন্যায় এই কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম করছি। 

রিজভী বলেন, ১৯৫২ সালে ছাত্র-জনতা আত্মদান করেছিল মাতৃভাষার জন্য। সেটা ছিল অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। আজও আমরা যুথবদ্ধভাবে সংগ্রম করছি, আমরা মামলা-হামলা, গ্রেপ্তার, গুম এবং খুনকে বরণ করে নিয়েও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। এই চেতনার উৎস হচ্ছে ভাষা আন্দোলন, ভাষার অধিকার আদায়ে ছাত্রদের আত্মদান।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ