MD Habibur Rahman Rana
প্রকাশ ২১/০২/২০২১ ০১:৩৭পি এম

বিশ্বজুড়ে নন্দিত স্মারক

বিশ্বজুড়ে নন্দিত স্মারক Ad Banner

বড় ভাইরা বড় শহীদ মিনারে যায়। আমরা আমাদেরটায় ফুল দিই। নিজের হাতে বানাইছি, আলাদা ভালো লাগা আছে না? আমরা তো আর বড় মানুষ না, তাই আমাদের শহীদ মিনার বড় না। আজ আমরা সারা রাত থাকবো, আলপনা হবে, পুরো রাস্তা রং করা হবে।’ 

এই বলে ছেলেটা তাকায় তাদের হাতে গড়া কিশোর বয়সীদের সমান উঁচু সাদা মিনারগুলোর দিকে। মিনারের বেদির ইটগুলোতে কাদামাটি লেপার কাজ করছিল তার সাথিরা। সবই প্রস্তুত প্রায়, কিন্তু ‘রাত বারোটার আগে ফুল দেওয়া হবে না, যতই বলা হোক’। তার কণ্ঠে ভালোবাসার জোর। 

ঢাকার খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ায় গতকাল ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাস্তার ধারের ছোট্ট এই শহীদ মিনার দেখা গেল। ২১ ফেব্রুয়ারির আরও কয়েক ঘণ্টা বাকি। এখনই তাই ওরা বাজানো শুরু করেছে, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো…’। 

ছোট্ট এই শহীদ মিনার প্রতি ফেব্রুয়ারিতে একবার মাথা তোলে। রায়হানের বয়স যখন মাত্র ১১ বছর, তখন থেকে শুরু। ওদের আগে ওদের বড় ভাইরা করেছে, তার আগে তাদের বড়রা। রায়হানই সবার বড়। ১৬ বছর বয়স, দশম শ্রেণিতে পড়ে। বাকিরা ইমন, সুমন, সানজিদ, শামিম, রিফাত, তানজিব, লিমন, জয় ও তানিমা। বেশির ভাগই খিলগাঁও সরকারি মডেল হাইস্কুলের ছাত্র।রায়হানদের থেকে হাজারো মাইল দূরে, দক্ষিণ ফ্রান্সের তুলুজ শহরেও এবার মাথা তুলেছে নতুন এক শহীদ মিনার। তবে এটি স্থায়ী। সেখানকার বাংলাদেশিরা ১৯ ফেব্রুয়ারিতে নিজ নিজ ফেসবুকে একটা বার্তা পান। 

‘প্রিয় তুলুজবাসী ভাই-বোনসহ সকলকে সালাম ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই শহীদ মিনার। উদ্বোধন করবেন তুলুজের মাননীয় মেয়র মহোদয়। সকাল ১০টায়, পার্ক ক্লেয়ারফ্রন্ট, বেলেফেন্টেইন, তুলুজ।ঘোষণাটি নিজের ফেসবুকের দেয়ালে দিয়েছেন তুলুজের বাংলাদেশি কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফকরুল আকম সেলিম। দক্ষিণ ফ্রান্সের ওচ্চিতানি অঞ্চলের রাজধানী তুলুজে মাথা তুলেছে বাংলাদেশের ভাষাশহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার। এটি ফ্রান্সের প্রথম শহীদ মিনার। তবে ফ্রান্সের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানালেন, প্যারিসের উপকণ্ঠে আরেকটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে। 

একই সময়ে কানাডার ম্যানিটোবা প্রদেশের রাজধানী উইনিপেগে মাতৃভাষা প্লাজা নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কানাডার বাণিজ্যিক রাজধানী টরন্টোর ডেনটোনিয়া পার্কে নির্মিত হয়েছে আরেকটি স্থায়ী শহীদ মিনার। এবারের একুশেতে এর শুভ সূচনা ঘটছে অনেক ভাষাভাষীর পুষ্পস্তবকের ভালোবাসায়। এর উদ্যোক্তাদের একজন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার সি আর দত্তের মেয়ে চয়নিকা দত্ত বলেন, ‘আমরা বলছি শহীদ মিনার, এটা কিন্তু সকল ভাষার সৌধ। তবে এর নকশাটা একদম বাংলাদেশের শহীদ মিনারের আদলে।  জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক স্মারক  ফ্রান্স বা কানাডা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। ধর্মীয় উপাসনা কেন্দ্র ছাড়া আর কোনো সাংস্কৃতিক প্রতীককে এত বেশি বন্দনা খুব কমই দিয়েছে কোনো জাতি। একই চেতনায় একই আদলে শহীদ মিনারের মতো এত বেশি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক স্থাপত্যের নির্মাণ বিরল এক ঘটনা। যেমন বিরল একই দিনে বহু দেশে এত বড় সাংস্কৃতিক জমায়েতেরও। একুশের জমায়েতে অংশ নিতে পারে সব ধর্ম, জাতি, ভাষা, সংস্কৃতি ও সকল জাতির মানুষ। ভাষা আন্দোলনের এই মহিমার কারণেই সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান এবং প্রধান বিচারপতি প্রয়াত মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারি সকল ভাষার কথা কয়।’ 

দেশের দিকেই তাকানো যাক। ঢাকার পূর্বাচলে নতুন উপশহর তৈরি হচ্ছে। মানুষের বসতি এখনো কম। এরই মধ্যে সেখানকার জয় বাংলা চত্বরে তৈরি হয়ে গেছে নতুন শহীদ মিনার।  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সূত্রমতে, বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৬২০টি। এগুলোর মধ্যে প্রায় ২৩ হাজার বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। আর সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয় সাড়ে ১৯ হাজারের মতো। এগুলোর অনেকটিতেই রয়েছে শহীদ মিনার। বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা ও উপজেলা সদর, থানা ও ইউনিয়নের অনেক স্থানেই স্থায়ী শহীদ মিনার দেখা যায়। বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও রয়েছে শহীদ মিনার। সরকারিভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও ধারণা করা যায়, দেশে স্থায়ী শহীদ মিনারের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি হবে। 

প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি এলে সারা দেশে হাজারো অস্থায়ী শহীদ মিনার বানানো হয়। শিশু-কিশোর, তরুণ–তরুণীরা বাঁশের বাতা, কাগজ বা ইট দিয়ে আপন মনের আবেগ দিয়ে সেসব গড়ে তোলে ও সাজায়। ঠিক এভাবে বায়ান্নর ২১ ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত প্রহরের দুই দিন পর ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে তৈরি হয়েছিল প্রথম শহীদ মিনার। সেই স্মৃতিরই যেন পুনরাবৃত্তি হয় একুশের প্রভাতে বানানো অস্থায়ী শহীদ মিনারের আয়োজনে। 

বিশ্বায়িত শহীদ মিনার  বিশ্বের যেখানেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বাঙালির উপস্থিতি আছে, সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে এক বা একাধিক শহীদ মিনার। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে ২১ ফেব্রুয়ারির দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়। জাতিসংঘের স্বীকৃতির পর শহীদ মিনার ও একুশে আজ বিশ্বায়িত। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়, ঝাড়খন্ড ও ছত্তিশগড়ের বিভিন্ন জনপদে ১৯৫২ সালে বাংলাদেশের ভাষাশহীদদের স্মরণে নির্মিত হয়েছে শহীদ মিনার। বাংলাদেশের শহীদ মিনারের আদলে শহীদ মিনার রয়েছে কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে, কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে, ভাষাশহীদ উদ্যানে, মধ্যমগ্রামের চৌরাস্তায়, সীমান্ত–শহর হরিদাসপুরে, উত্তর চব্বিশ পরগনার বশিরহাটে, পঞ্চসায়র নেতাজি সুভাষ হোটেল ম্যানেজমেন্ট কলেজসহ আরও নানা জায়গায়। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় ও সুন্দর শহীদ মিনার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে বশিরহাটের টাকির শহীদ মিনারের।

বেলেঘাটা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ভাষাশহীদদের স্মৃতির মিনার।উপমহাদেশের বাইরে যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, জাপান, পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, ওমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটনসহ কয়েকটি শহরে এক বা একাধিক শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছে। শহীদ মিনারের বৈশ্বিক আবেদনের প্রতিফলন দেখা যায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে। ভয়েস অব আমেরিকা জানায়, প্রস্তাবটিতে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য এ প্রস্তাব করেন কংগ্রেসওম্যান গ্রেস ম্যাং।  জার্মানি, রাশিয়াসহ পূর্ব ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য ওই সব দেশের প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে প্রবাসী বাঙালিদের আলোচনা ও প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। তবে এর প্রকৃত সংখ্যা এখনো নিরূপণ করা হয়নি। 

শহীদ মিনারের অনন্যতা  পশ্চিমা দুনিয়ায় সবচেয়ে নন্দিত সাংস্কৃতিক স্থাপত্য আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের স্ট্যাচু অব লিবার্টি। কিন্তু এটি এক ও অনন্য। এর অজস্র অনুকৃতি বাজারে বিক্রি হয়, কিন্তু সেগুলো স্যুভেনির বা শৌখিন স্মারক। হিরোশিমায় পারমাণবিক ট্র্যাজেডির স্মরণে জাপানের হিরোশিমা নগরে হিরোশিমা শান্তি উদ্যান, হিরোশিমা শান্তি জাদুঘর এবং ভাস্কর্য স্থাপিত হলেও এগুলোর অনুকৃতি দেখা যায় না। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো এবং বর্তমান রাশিয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত বীরদের স্মরণে প্রতিটি লড়াইয়ের ময়দানে মনুমেন্ট বা ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে। তবে সেসবের একক কোনো আকার নেই।

এই বিচারে, শহীদ মিনার বিশ্বজুড়ে ছড়ানো একটি সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে। শহীদ মিনারের সঙ্গে শুরুতে জাতীয় আবেগ জড়িয়ে থাকলেও ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর এর আবেদন এখন বিশ্বজনীন।

শহীদ মিনারের এই দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আবেদন সম্পর্কে বলতে গিয়ে স্থপতি ও চলচ্চিত্রকার এনামুল করিম নির্ঝর বলেন, ‘অপরাজেয় বাংলা অবয়বধর্মী ভাস্কর্য হওয়া সত্ত্বেও হলেও শহীদ মিনারের বিমূর্ত আদলই মানুষকে ভাবাবেগে সিক্ত করেছে বেশি। এই স্থাপত্যের আকৃতির মধ্যে সরলতা আর পবিত্রতার ভাব আছে। এই কাঠামোটি যেন কিছু প্রমাণ করার জন্য দাঁড়িয়ে নেই। এটির মধ্যে আছে সত্যের অন্তর্নিহিত জোর। এত বড় ত্যাগ ও অর্জনের সরল প্রকাশই এর স্থাপত্যিক শক্তি। এখানে অর্জনের গর্ব নেই, বরং বিনয়ের সামর্থ্য আছে।আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম মনে করেন, খুব বিনয়ী, খুব গম্ভীর, সহজে অনুকরণ করা যায় বলে সবাই এটিকে সহজে নিতে পারেন। একে দূরের মনে হয় না। নিজের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা সহজ হয়। আপন ভাবা যায়।

বিশ্বের একই ধরনের অন্যান্য স্মৃতিসৌধের সঙ্গে তুলনা করে মেরিনা তাবাসসুম বলেন, ‘আমেরিকায় ভিয়েতনাম মেমোরিয়াল খুবই প্রভাবশালী। ইউরোপে আছে হলোকস্ট মেমোরিয়াল। ওসবেরও আবেগময় আবেদন আছে। কিন্তু ওখান থেকে চলে এলেই তার আবেদন হয়তো মন থেকে মুছে যায়। অথচ শহীদ মিনার আমাদের জীবনের অংশ। বাঙালিরা যেখানেই যায়, বুকের মধ্যে একে বহন করে নিয়ে যায়। এর আবেদন পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়। 

জাতির প্রাণভোমরা  সারা দেশের শহীদ মিনারগুলোর বেশির ভাগই তৈরি হয়েছে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্থানীয় উদ্যোগে। কোনো প্রণোদনায় মুখাপেক্ষী থাকেনি। এখন যাতে সব সরকারি বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে তৈরি করা হয়, সে জন্য সরকারি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এর নির্মাণযোগ্য নকশা তৈরি করছে গণপূ্র্ত বিভাগ।ভাষাসৈনিক সাঈদ হায়দারের নকশায় তৈরি ১৯৫২ সালের প্রথম শহীদ মিনারটি ভেঙে দিয়েছিল তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।

কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ তখন প্রতিটি বাঙালি পরিবারকে কল্পনা করেছিলেন একেকটি শহীদ মিনার হিসেবে। কবিতায় লিখেছিলেন, ‘স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো/ চার কোটি পরিবার/ খাড়া রয়েছি তো!১৯৫৭ সালে শিল্পী হামিদুর রহমান ও ভাস্কর নভেরা আহমদের পরিকল্পনা ও নকশা অনুযায়ী শহীদ মিনার তৈরির কাজ শুরু হয়। ১৯৬৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এর উদ্বোধন করেন বরকতের মা হাসিনা বেগম।

এই শহীদ মিনারের আদলটিই পরে সবখানে ছড়িয়ে পড়ে।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনারা আবার ভেঙে দিয়েছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। মুক্তিযুদ্ধে অধিকাংশ বাঙালিরই কোনো না কোনো স্বজন শহীদ হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে আবার নতুন করে গড়ে তোলা হয় শহীদ মিনার। সারা দেশের পাড়ায়, মাঠে, স্কুল–কলেজে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে এর অনুকৃতি। দেশজুড়ে প্রতিটি অঞ্চলই হয়ে ওঠে শহীদ মিনারের আঙিনা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া বাঙালির হাত ধরে শহীদ মিনার এখন বিশ্বজনীন মানবিক প্রতীকের মর্যাদা পায়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ