এম এইচ মামুন
প্রকাশ ২০/০২/২০২১ ০৮:৫৮পি এম

অস্থিতিশীল চাল ও তেলের বাজার

অস্থিতিশীল চাল ও তেলের বাজার Ad Banner

আবারও বেড়েছে চাল ও তেলের দাম আবারও বেড়েছে। সপ্তাহ ঘুরতেই প্রতি কেজিতে চালের দাম বেড়েছে ২-৪ টাকা। আর তেলের দাম কার্টুন প্রতি বেড়েছে ৮০-৯০ টাকা। মাছের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। তবে সবজির দাম কিছুটা কম। 

শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানী যাত্রাবাড়ী কাচা বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে। সরজমিনে জানা যায়, কেজিপ্রতি টাইগার মোরগ ২৮০ টাকা, পাকিস্তানি কক ২৬৫ টাকা, দেশি মুরগি ৩০০ টাকা, দেশী মোরগ ২৮০ টাকা, ফার্মের মুরগি ১১০ টাকা ও সোনালী মোরগ ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

প্রতি কেজি গরুর কলিজা ও তিল্লী ৫৫০ টাকা, গরুর মগজ আকারভেদে প্রতি পিস ৩৭৫-৩০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা। প্রতি পিস ছাগলের কলিজা ২৫০ টাকা। প্রতি কেজি ছাগলের মাংস ১০০০ টাকা ও গরুর মাংস ৫৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বিভিন্ন ধরনের শাক পাইকারিতে ৮ টাকা ও খুচরায় ১০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি লাউ শাক ৩০ টাকা, কলই শাক ১০ টাকা, থানকুনি পাতা ১০ টাকা, বর্তা শাক ১০ টাকা, সরিষা শাক ১০ টাকা, পালং শাক ৮-১০ টাকা, ডাটা হালি প্রতি ১৫ টাকা, লালশাক ১০ টাকা, পুইশাক ২০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  শাক ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা বলেন, শাক সবগুলো বিক্রি হয়ে যায়, তবে শাকের দাম অনেক কমে গেছে।

দোকান ভাড়া, গাড়ি ভাড়া দিয়ে কোনো রকমে ব্যবসা করছি। এত ভালো যাচ্ছে না।  প্রতি পিস পাতাকপি ও ফুলকপি ২০ টাকা, আকারভেদে লাউ প্রতি পিস ২০-৫০ টাকা। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ও ধনিয়া পাতা ৬০ টাকা, বিচিসহ শিম ৩০ টাকা, বিচিছাড়া শিম ২৫-৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, স্কোয়ার্স ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, ক্যাপচিকাম ১০০ টাকা, ক্ষিরা ৪০ টাকা, বিট ১২০ টাকা, ব্রকলি ৪০ টাকা, ঢেড়স ১২০ টাকা, মটরশুটি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী নুর নবী জানান, ‘ব্যবসা ভালো যাচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা আছে। দামও বেশি বাড়ে নাই। তবে ক্রেতা কমে গেছে।’  প্রতি কেজি পোয়া মাছ ৪০০ টাকা, বাইলা মাছ ১০০০ টাকা, কাজলি মাছ ৯০০ টাকা, রিডা মাছ ৬০০ টাকা, বাইন মাছ আকারভেদে ৫০০-১০০০ টাকা, পুঁটি ৬০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ টাকা, আই মাছ ২০০ টাকা, বাতাসা মাছ ৪০০, মৃত-জীবিতভেদে শোল মাছ ২০০-৫০০ টাকা, আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে পিস প্রতি ৫০০-১০০০ টাকায়।

মৃগেল মাছ ১৭০-২০০ টাকা, আকারভেদে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৩০-১৮০ টাকা, আকারভেদে সিলভার কার্প মাছের দাম ১৫০-২০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬০০-৭০০ টাকা, সরপুঁটি মাছ ১৫০-২০০ টাকা ও বোয়াল মাছ ৪০০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  মাছ ব্যবসায়ী মামুন খান জানান, ‘মাছের দাম তেমন বাড়েনি। তবে ক্রেতা সংকটে ভুগছি আমরা, আগের তুলনায় মানুষ কম আসে।

সামনে মনে হয় আরও কমে যাবে। কারণ বর্ষাকাল আসছে।’  এদিকে প্রতি কেজি আলু ১৫ টাকা, পেঁয়াজ ২৮-৩০ টাকা, রসুন ১১০ টাকা, আদা ৬০ টাকা। ডিম প্রতি হালি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  চালের বাজার এখনও চড়া।

প্রতি কেজি নাজিরশাইল চাল ৬৬ টাকা, কাটারীভোগ ৮৫ টাকা, চিনিগুড়া পোলাও চাল ৯৫ টাকা, হাছকি নাজির ৫৫ টাকা, পোলাও চাল ১০০ টাকা, আটাশ ৫২-৫৪ টাকা, পাইজাম ৫০ টাকা, মিনিকেট চাল ৬৫ টাকা, জিরা নাজির ৬৮-৭০ টাকা, কাজল লতা চাল ৫৫-৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ