MD Shofikul Islam Topu
প্রকাশ ১৪/০২/২০২১ ০১:০৬এ এম

শেখ জামালের বিপক্ষে বিতর্কিত বসুন্ধরা

শেখ জামালের বিপক্ষে বিতর্কিত বসুন্ধরা Ad Banner

টানা সাত ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে ছিল বসুন্ধরা কিংসের। অষ্টম জয়ের আশায় আজ নেমেছিল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। কিন্তু আজ আর জয় নিয়ে ফিরতে পারেনি প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা। ছন্দে থাকা শেখ জামালের সঙ্গে পয়েন্ট হারাতে বাধ্য হয়েছে। গোলশূন্য ড্র হয়েছে শেখ জামাল ও বসুন্ধরার ম্যাচ। 

এমনকি বসুন্ধরা আজ হেরেও যেতে পারত। ৮৮ মিনিটে বদলি ফরোয়ার্ড জাহিদের ঠেলে দেওয়া বল জালে পাঠান জামালের গাম্বিয়ান স্ট্রাইকার ওমর জোবে। তাঁকে কড়া পাহারায় রাখা তপু বর্মণকে ছিটকে বেরিয়ে যান জোবে।

বক্সের একটু বাইরে তপু চেষ্টা করছিলেন জোবেকে আটকাতে। কিন্তু তাঁর সাধ্য ছিল না জোবেকে আটকানো। উল্টো তপু পড়ে যান বক্সের বাইরে। সহকারী রেফারি শাহ আলম গোল হয়েছে ধরে নিয়ে পতাকা তোলেননি। 

এর আগেও রেফারির বিতর্কিত সব সিদ্ধান্ত গেছে বসুন্ধরার ঘরে। আগের ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে লঘু পাপে শেখ জামালের সলোমন কিংকে লাল কার্ড দেখানো হয়।

প্রতিপক্ষ আবাহনী থেকেই বলা হয়েছে, বসুন্ধরার বিপক্ষ সলোমন যাতে খেলতে না পারেন, সে জন্যই ওই লাল কার্ড। এর আগে বসুন্ধরার বিপক্ষে রেফারি পেনাল্টি দেননি চট্টগ্রাম আবাহনীকে। সেদিন চট্টগ্রাম আবাহনীর কর্মকর্তারা বলেছিলেন, এভাবে রেফারিং হলে মাঠে এসে খেলার কোনো কারণ নেই।

একটি দলকে ট্রফি দিয়ে দিলেই হয়।  সব ছাপিয়ে আজ যা ঘটল, এককথায় চরম বিতর্কিত। মাঠে বসে খেলা দেখা বাফুফের সাবেক সদস্য ও লিগ কমিটির কো–চেয়ারম্যান আবদুর রহিম প্রথম আলোকে বললেন, ‘আমার কাছে মনে হয়নি জোবে ফাউল করেছেন।

এটা পরিষ্কার গোলই মনে হয়েছে।’ রিপ্লে দেখে সবারই অভিন্ন অভিমত, জোবের বিপক্ষে ফাউল দেওয়ার যুক্তি নেই। ফাউল দিলে তপুর বিপক্ষেই হতে পারে। এটি পরিচ্ছন্ন এক গোলই।

আর সেই দাবি করে ম্যাচের পর শেখ জামালের কোচ কর্মকর্তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন মাঠে। কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘আমি হতবাক। এটা কীভাবে ফাউল ধরা হলো।

এমন রেফারিংয়ের প্রতিকার হওয়া উচিত।’ কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন চুন্নর কথা, ‘এর চেয়ে নির্লজ্জ রেফারিং আর হয় না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ

md akkas islam - (Nilphamari)
প্রকাশ ২৭/০২/২০২১ ০৮:৪৮এ এম