Mostafa Kamal - (Kurigram)
প্রকাশ ১৩/০২/২০২১ ০২:২৮পি এম

মাঝমেঘনায় ৪ দিন ধরে আটকা তেলবাহী জাহাজ

মাঝমেঘনায় ৪ দিন ধরে আটকা তেলবাহী জাহাজ Ad Banner

নাব্যতা সংকটে মাঝমেঘনায় ‘এমভি মধুকর’ নামে তেলবাহী একটি জাহাজ গত চারদিন ধরে আটকা পড়ে আছে। 

১০ ফেব্রুয়ারি ওই তেল নিয়ে আসা জাহাজটি জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ীর আনন্দবাজার এলাকার মেঘনায় আটকা পড়ে।  শনিবারও জাহাজটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। 

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় অবস্থিত ভাসমান তেল ডিপো যমুনা ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের বার্জ দুটি তেলশূন্য অবস্থায় রয়েছে। 

ডিপো দুটি তেলশূন্য হয়ে পড়ায় এলাকায় তেলের সংকট সৃষ্টি হয়েছে।  জানা গেছে, যমুনা তেল ডিপোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফলে গত বছর জানুয়ারিতে ডিপোটি তেলশূন্য হয়ে পড়ে। গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে ডিপোটিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় প্রায় এক বছর ধরে এটি তেলশূন্য অবস্থায় রয়েছে।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মেঘনা ওয়েল কোম্পানির ডিপো সুপার (অপারেশন) মো. আইয়ুব আলী। 

অপরদিকে মেঘনা তেল ডিপোটি গত ১৩ ডিসেম্বর তেলশূন্য হয়ে পড়ে। গত মাসের প্রথম দিকে মেঘনা ডিপোর একটি জাহাজ দুই লাখ ২৭ হাজার লিটার তেল নিয়ে নাব্যতা সংকটের কারণে সিরাজগঞ্জ এলাকা থেকে ফেরত চলে যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে তেল এনে চড়া দামে বিক্রি করে কোনো রকমে চলতি বোরো মৌসুম পার করছেন। 

কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে মেঘনা কোম্পানির ‘এমভি মধুকর’ নামে একটি জাহাজ দুই লাখ ৬৭ হাজার লিটার তেল নিয়ে চিলমারী রওনা দেয়। 

১০ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি নাব্যতা সংকটের কারণে বকশিগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ীর আনন্দবাজার নামক স্থানে আটকে যায় (ক্রাক গ্রাউন্ড করে)। 

সেখান থেকে জাহাজটি উদ্ধারের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে জাহাজটির সুপারইনডেনডেন্ট সেখানেই তেল খালাসের জন্য সহায়তা চেয়ে চিলমারী ডিপো সুপারের কাছে চিঠি লিখেন বলে জানা গেছে। 

এ ব্যাপারে মেঘনা ওয়েল কোম্পানির ডিপো সুপার (অপারেশন) মো. আইয়ুব আলী মোবাইল ফোনে বলেন, তেল নিয়ে আসা একটি জাহাজ নাব্যতা সংকটে নদীতে আটকে পড়েছে। বিআইডব্লিউটিএর কর্তৃপক্ষ সুদৃষ্টি দিলে জাহাজটি নিরাপদে ডিপোতে আসতে পারবে।   


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ