Feedback

আরও...

গণবিচ্ছিন্ন নেতা আমলার চেয়ে ইফেকটিভ ছাত্রলীগের সাবেকরা

গণবিচ্ছিন্ন নেতা আমলার চেয়ে ইফেকটিভ ছাত্রলীগের সাবেকরা
April 30
12:52am
2020

আই নিউজ বিডি ডেস্ক Verify Icon
Eye News BD App PlayStore

বাণী ইয়াসমিন হাসি:

একটা যৌথ পরিবারের নাম বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এখানে কেউ সাবেক হয় না। ছাত্রলীগের প্রতিটা কর্মী বুকের পাঁজরে দেশ, বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষ আর শেখ হাসিনাকে ধারণ করে। প্রিয় নেত্রী, প্রতিটা সেক্টরে ছাত্রলীগের সাবেকদের কাজে লাগান প্লিজ। গণবিচ্ছিন্ন নেতা আমলার চেয়ে এখনো অনেক বেশি ইফেকটিভ ছাত্রলীগের এই সাবেকরা। এরা পরীক্ষিত। বাঙালি জাতিসত্তার সাথে মিশে থেকে জাতির উত্থানের সব ইতিহাসের প্রত্যক্ষ সাক্ষী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, এরপর স্বৈরাচার এরশাদের পতন থেকে ১/১১ সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কূটকৌশল এবং সেনাশাসন থেকে দেশকে রক্ষা করার মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে আন্দোলন-সংগ্রাম রয়েছে তার সঙ্গে ছাত্রলীগের নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দীর্ঘ পথ চলার এই ইতিহাস জাতির মুক্তির স্বপ্ন, সাধনা এবং সংগ্রামকে বাস্তবে রূপদানের ইতিহাস। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে সংগঠনটি। ’৫২ এর ভাষা আন্দোলনে, ’৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮ এর আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে ছাত্রলীগ গৌরব উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে। ’৬৬ এর ছয় দফা নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, মাঠে-ঘাটে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও শিক্ষা আন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থানসহ ’৭০ এর নির্বাচন ও ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগ গৌরব উজ্জ্বল ভূমিকা লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। নব্বইয়ের দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে অগ্রভাগে সৈনিক ছিল সেই ছাত্রলীগই। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেয়া এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা পরে জাতীয় রাজনীতিতেও নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান জাতীয় রাজনীতির অনেক শীর্ষনেতার রাজনীতিতে হাতে খড়িও হয়েছে ছাত্রলীগ থেকে। একদল লোভী স্বার্থান্ধ গোষ্ঠী ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে ঘরে বাইরে। এই সকল বাধা সংকট উত্তরণে শেখ হাসিনার পাশে দরকার দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মীদের। যারা জীবনবাজী রাখতে প্রস্তুত সকল সংকটে। আজ তারা ফিরে আসুক সকল সিন্ডিকেট ভেঙে আপনার মমতার ছায়াতলে। ওয়ান ইলেভেনে দেখেছি অনেক তুখোড় নেতাদের আপোষকামিতা, দেখেছি ভিন্ন সুরে কথা বলতে। অথচ গুটিকয়েক ছাত্রনেতারা সেদিন মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমেছিল ,আপনার মুক্তির আন্দোলনে। সেদিন তাদের দেখে সারাদেশে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত আপনার হাজারো নিবেদিত কর্মীরা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তুমুল আন্দোলনের মুখে আপনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল তৎকালীন সেনাশাসিত সরকার। আজ সেই সকল নিবেদিত প্রাণ কর্মীদের যারা দূরে রাখতে চায়, তারা সেই দুর্বৃত্ত যারা চায় না বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ গড়তে, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ গড়তে। তারা ভিন্ন আদর্শের লোকেদের অনুপ্রবেশ করিয়ে আপনার হাতকে দুর্বল করতে চায়। আপনার সকল অর্জনকে বিতর্কিত করতে চায়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ছাত্রলীগ এবং ছাত্র ইউনিয়ন প্রতিবাদ গড়ে তুলেছিল। শেখ হাসিনাকে বিদেশ থেকে দেশে আনার ব্যাপারে যে দাবি সেটাও তুলেছিল ছাত্রলীগ। জাতির যে কোনো ক্রান্তিকালে ছাত্রলীগই এগিয়ে এসেছে। একটা সংগঠন হিসেবে সারাদেশে ছাত্রলীগের ভূমিকা রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনিই তো বলেছেন -ঝড়-ঝাপটা দুর্যোগ তো আসে, আসবেই। এ সময় হতাশ হওয়া বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সাহসের সাথে এটা মোকাবেলা করতে হবে। যে যেখানে আছি, যার যার অবস্থানে থেকে এটা মোকাবেলা করতে হবে। বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায় একজন শেখ হাসিনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্বের জনপ্রিয় ফোর্বস ম্যাগাজিনে করোনা মোকাবেলায় সফল নারী নেতৃত্বের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন তিনি। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নতুন করে ৮ নারী নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয় যেখানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ যখন আপনি শত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও জনগণকে আশার আলো দেখাচ্ছেন। এই করোনা সংকট কালে দৃঢ় হাতে সব সামলে নিচ্ছেন। ঠিক তখনই সমন্বয়হীনতা, আস্থাহীনতাসহ নানা ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে ঘরে বাইরে। এই সকল বাধা সংকট উত্তরণে আপনার পাশে দরকার দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মীদের। যারা জীবনবাজী রাখতে প্রস্তুত সকল সংকটে। আজ তারা ফিরে আসুক সকল সিন্ডিকেট ভেঙে আপনার মমতার ছায়াতলে। একজন এমপি, একজন মেয়র, একজন চেয়ারম্যান, একজন কমিশনার, একজন মেম্বার এদের মাঝেই জনপ্রতিনিধিত্বের বেড়াজাল। এর বাইরে গিয়ে কাজ করার সুযোগ নেই বললেই চলে। সাবেক ছাত্রনেতাদের নিবিড় রাজনৈতিক চর্চা দীর্ঘ রাজনৈতিক সেশনজটের করাঘাতে ধূলিসাৎ হওয়ার পথে। বিগত বছরগুলোতে সাবেক হওয়া কমপক্ষে সামনের সারির ৩০০ থেকে ৫০০ ছাত্রনেতা আছেন যারা এই ৩০০ আসনের জনপ্রতিনিধিদের সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারেন। বেশিদূর যেতে হবে না; এই করোনার ক্রান্তিকালে সাবেক ছাত্রনেতাদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ জনসেবামূলক কার্যক্রম। সেগুলোকে যদি কাজে লাগানো যেতো তাহলে অনেক জায়গায়ই জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা আপনা আপনিই এসে যেতো। কারণ যারা এই কঠিন দুঃসময়ে সামান্য চালের লোভ সামলাতে পারে না ভবিষ্যতে জাতির বড় কোন প্রয়োজনেও তারা কাজে আসবে না। দল ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার আওতায় এসব সাবেকদের কাজে লাগানোর এখনই উপযুক্ত সময়। এরাই জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশ নিয়ে যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার কূটকৌশল করে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে  যেতো। সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে এই দুর্যোগে মানুষের পাশে আছে ছাত্রলীগের সাবেক এবং বর্তমানরা। সারাদিন মানুষের সেবায় কাটিয়ে রাতে যখন ঘরে ফেরে তখন অনেক ছাত্রলীগ কর্মীই হয়তো একটু ভাত ডাল আর পেট ভরে পানি খেয়ে ঘুমিয়ে যায়। সারাদিন মানুষের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া ছেলেটার বাড়িতেই হয়তো ঠিকমত চুলা জ্বলে না। ছাত্রলীগ কান্না লুকিয়ে হাসতে জানে। বঙ্গবন্ধু, দেশ, দেশের মানুষ তার তাদের আপার প্রশ্নে আপোষহীন ছাত্রলীগের প্রতিটা কর্মী। হ্যাঁ তাদের পকেটে হয়তো তিনবেলা খাওয়ার টাকা থাকে না। কিন্তু তাদের বুকপাজরে বঙ্গবন্ধু থাকে, দেশপ্রেম থাকে। করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকিকে একপাশে সরিয়ে রেখে তাই তারা পারে, তারা পারছে মানুষের পাশে থাকতে। এই সংকটে মানুষ কাঁদছে। মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের পেছনে লাগা যায়, ছাত্রলীগকে নিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো যায়। এমনকি মিথ্যা গল্পও ফাঁদা যায়। কিন্তু ছাত্রলীগের মেধা, যোগ্যতা, ঔদার্য আর কমিটমেন্টের ধারে কাছেও যাওয়া যায় না। ওয়ান ইলেভেনের কঠিন সময়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা যখন আদর্শের পরীক্ষায় হাবুডুবু খাচ্ছে, লোভের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেছে অনেকে। যখন প্রিয় নেত্রীর গ্রেফতারে হতবিহ্বল কর্মীরা। হতাশা, বিভক্তি আর অজানা আশঙ্কায় বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ। এসময় শেখ হাসিনার পক্ষে এক অনবদ্য অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ। ত্যাগই যে সবচেয়ে বড় ভালোবাসা, সবচেয়ে বড় কমিটমেন্ট -সেটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে ছাত্রলীগ। যে কোন ভালো কাজকেই শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত করে ছাড়ে কিছু অতিউৎসাহী মানুষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেই না ছাত্রলীগের প্রশংসা করলেই ওমনিই কিছু মানুষের গায়ে ফোসকা পড়ে গেল। তারা জুতা মোজা টাই পড়ে ধান কাটতে নেমে গেলেন। ফটোসেশনের নামে কাঁচা পাকা বাছবিচার করলেন না। মুহূর্তেই ভাইরাল হলেন। ছাত্রলীগের ছেলেদের এতো ভালো কাজটাকে শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত করে ছাড়লেন। মূল সমস্যা হলো অতি উৎসাহ আর কমিটমেন্টের অভাব। দলের প্রতি, মানুষের প্রতি। দল ও দেশের প্রয়োজনে যারা পরীক্ষিত সময় এসেছে তাদের মূল্যায়নের। একটা লম্বা সময় দেশের সব কলকারখানা অফিস আদালত বন্ধ। স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে আরও কতদিন অপেক্ষা করতে হবে সেই হিসেবও আমরা কেউ জানি না। দেশের অর্থনীতিতে একটা দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়তে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পথে বসেছে। খামারীরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাঁতিদের তাঁত বন্ধ। কৃষকের ফসল মাঠেই পচছে। পাচ্ছে না ন্যায্য মূল্য। আসল সংকটটা শুরু হবে সামনের দিনগুলোতে। খাদ্যের জন্য হাহাকার বাড়বে, মানুষের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাবে। সরকারকেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকারি বরাদ্দের যথাযথ এবং সুষম বন্টনটা খুব জরুরি। সবচেয়ে বেশি দরকার একটা টেকসই কার্যকরী পরিকল্পনা। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি জনপ্রতিনিধিদের তেলেসমাতি। কতটা বাধ্য হয়ে বিরক্ত হয়ে আপনাকে আমলাদের হাতে দায়িত্ব বন্টন করতে হয়েছে সেটা আমরা বুঝতে পারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এই আমলারাও তো জনমুখী নন। প্রতিটা এলাকায় দুই একজন সাবেক ছাত্রনেতা আছেন যাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে। এলাকার মানুষ তাদের ভালোবাসেন, বিশ্বাস করেন। এলাকার মানুষের যে কোনো বিপদে আপদে তারা পাশে থাকেন। জনপ্রতিনিধিরা তাদের প্রতিপক্ষ মনে করে কখনো স্পেস দেয় না। প্রিয় আপা, এই মানুষগুলোকে একবার ডেকে দেখুন, তাদের কাজে লাগান, দেখেন তারা দেশকে কতটা দিতে পারে! লেখক: সম্পাদক, বিবার্তা২৪ডটনেট

All News Report

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

নিখোঁজের ২০ ঘন্টা পর  আমতলীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ২০ ঘন্টা পর আমতলীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

মানুষ মত দেখতে অদ্ভুত প্রাণীটির দেখা মিলল পৃথিবীতে!

মানুষ মত দেখতে অদ্ভুত প্রাণীটির দেখা মিলল পৃথিবীতে!

বগুড়ায় নেশা ও যৌন উত্তেজক ঔষধ অত:পর

বগুড়ায় নেশা ও যৌন উত্তেজক ঔষধ অত:পর

রাণীনগরে গৃহবধুর রহস্য জনক মৃত্যু

রাণীনগরে গৃহবধুর রহস্য জনক মৃত্যু

নবীনগরে  ছুরিকাঘাতে প্রবাসী সোহাগ নিহত

নবীনগরে ছুরিকাঘাতে প্রবাসী সোহাগ নিহত

অখ্যাত স্কুলের বিখ্যাত শিক্ষকঃ একজন হামিদ স্যার

অখ্যাত স্কুলের বিখ্যাত শিক্ষকঃ একজন হামিদ স্যার

বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ মার্কিন নীতি

বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ মার্কিন নীতি

আত্মহত্যার কারণ ও তার সুস্পষ্ট সমাধান

আত্মহত্যার কারণ ও তার সুস্পষ্ট সমাধান

আমতলীতে দুই একর জমির রোপা আমনের চারা উপড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

আমতলীতে দুই একর জমির রোপা আমনের চারা উপড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

পাবনা-৪ আসনে ভোট চলছে

পাবনা-৪ আসনে ভোট চলছে

ওমান প্রবাসীদের জন্য সুখবর, কমিয়েছে প্রবাসী শ্রমিকদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন ফি

ওমান প্রবাসীদের জন্য সুখবর, কমিয়েছে প্রবাসী শ্রমিকদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন ফি

প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা

ধর্ষণের অভিযোগ: বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের গঠিত তদন্ত কমিটির সময় বেড়েছে

ধর্ষণের অভিযোগ: বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের গঠিত তদন্ত কমিটির সময় বেড়েছে

নওগাঁয় ১৫০০কেজি সরকারি ভিজিডির চাল উদ্ধার

নওগাঁয় ১৫০০কেজি সরকারি ভিজিডির চাল উদ্ধার

ব্যবহার করা কন্ডোম ধুয়ে প্যাকেটে ভরে বিক্রি

ব্যবহার করা কন্ডোম ধুয়ে প্যাকেটে ভরে বিক্রি

সর্বশেষ

মাল থেকে মাছ সবই খাই! নির্ঘাত সবাই জেলে যাবে:- স্বস্তিকা

মাল থেকে মাছ সবই খাই! নির্ঘাত সবাই জেলে যাবে:- স্বস্তিকা

বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানালেন বাদশা

বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানালেন বাদশা

কৃষকদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলার অভিযোগে কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা

কৃষকদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলার অভিযোগে কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ‘ধর্ষণকারীদের’ আত্মপক্ষ সমর্থন!

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ‘ধর্ষণকারীদের’ আত্মপক্ষ সমর্থন!

বিধ্বস্ত-আতংকিত ধর্ষণের শিকার সেই তরুণী

বিধ্বস্ত-আতংকিত ধর্ষণের শিকার সেই তরুণী

রেক্টাল ক্যান্সারে জয়পুরহাটে র‌্যাব সদস্যের মৃত্যু।

রেক্টাল ক্যান্সারে জয়পুরহাটে র‌্যাব সদস্যের মৃত্যু।

রাজশাহীর পদ্মায় নৌকাডুবির ঘটনায় মামলা, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত

রাজশাহীর পদ্মায় নৌকাডুবির ঘটনায় মামলা, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত

গফরগাঁও এ আধুনিক মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণ

গফরগাঁও এ আধুনিক মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণ

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের অলিপুরে যত্রতত্র পার্কিং " ঘটছে দুর্ঘটনা

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের অলিপুরে যত্রতত্র পার্কিং " ঘটছে দুর্ঘটনা

প্রফেসর এজেএম নূরুদ্দীন চৌধুরী স্যারের ইন্তেকাল

প্রফেসর এজেএম নূরুদ্দীন চৌধুরী স্যারের ইন্তেকাল

আমরা মানব ইতিহাসের অভাবনীয় দুঃসময় অতিক্রম করছি: প্রধানমন্ত্রী

আমরা মানব ইতিহাসের অভাবনীয় দুঃসময় অতিক্রম করছি: প্রধানমন্ত্রী

পাইকগাছায় মোবাইল কার্টুন নিয়ে লুকোচুরির অভিযোগ ব্যবসায়ীদের ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে দ’ুব্যক্তির দৌড়ঝাপ

পাইকগাছায় মোবাইল কার্টুন নিয়ে লুকোচুরির অভিযোগ ব্যবসায়ীদের ঘটনা ভিন্ন খাতে নিতে দ’ুব্যক্তির দৌড়ঝাপ

কপিলমুনির একাধিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী!

কপিলমুনির একাধিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী!

পঞ্চম দফা বন্যার কবলে ১০ জেলা

পঞ্চম দফা বন্যার কবলে ১০ জেলা

করোনা রোধে কার্যকর রেশম কাপড়ের মাস্ক, দাবি গবেষকদের

করোনা রোধে কার্যকর রেশম কাপড়ের মাস্ক, দাবি গবেষকদের