Feedback

আরও...

মানবিক সমাজের প্রত্যাশায়

মানবিক সমাজের প্রত্যাশায়
April 27
04:44am
2020
MD Satu Verify Icon
Gopalpur, Tangail, প্রতিনিধি:
Eye News BD App PlayStore
কী শিক্ষিত, কী অশিক্ষিত আমরা কে পেরেছি মানবিক বোধসম্পন্ন হতে
গত ১৬ এপ্রিল ঢাকা বিভাগের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সূচনা বক্তব্যের এক পর্যায়ে "করোনার এই সময়ে মাকে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার" ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এত অমানবিক হতে পারে? তিনি ভাবতে পারেন না। তিনি এসময়ে সবাইকে মানবিক আচরণ করতে বলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে আমাকে ভীষণভাবে ভাবিয়েছে। এই বক্তব্যের কয়দিন পরই দেখতে পেলাম, একজন প্রতিবন্ধীকে তার স্ত্রী সন্তান ছেড়ে চলে গেছে। দেখতে পেলাম করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাবা মারা যাবার পর তার লাশ নিতে সন্তানেরা অপারগতা প্রকাশ করছেন। কিন্তু হাসপাতাল থেকে ঠিকই সন্তানেরা পেনশনের টাকার জন্য ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে গিয়েছেন। সাভারে এক মাকে করোনা রোগী ভেবে সন্তানরা ফেলে চলে গিয়েছে। প্রশাসন তার দায়িত্ব নিয়েছে। এক মাসের ভাড়া দিতে না পারায় মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে দুই মাসের বাচ্চাসহ রাতের আঁধারে এক ভাড়াটিয়াকে বের করে দিয়েছেন বাড়িওয়ালা। অপরদিকে, মাটি খুঁড়ে চালের বস্তা রেখেছে একজন, আর একজন খাটের নিচে তেলের গ্যালন মজুদ করে  রেখে দিয়েছে, কেউ কেউ চাউলের বস্তা নিজের মনে করে মজুদ রেখেছে, কেউ কেউ ত্রাণ চাইতে গিয়ে মার খেয়েছে। ১০ বছরের শিশু ত্রাণ চাইতে গিয়ে ধর্ষিত হয়েছে। শোনা যায়, এক গ্রামের মসজিদ করোনা আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির জন্য খাটিয়া দেয়নি। এক হুজুরের জানাযায় সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে লাখো মানুষের উপস্থিতি, একই জেলায় পরের দিন ধান কাটা নিয়ে মারামারি। তবে শোনা যাচ্ছে, এই জানাজায় এত লোকের সমাগমের পিছনে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা রয়েছে। যদিও বিষয়টি এখনো প্রমাণিত নয়। আর যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে কতটুকু অমানবিক হলে এই কাজটি করতে পারে তারা। এই লকডাউনেই ৪২ জন নারী স্বামীর হাতে খুন হয়েছে। বিভিন্নভাবে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নির্যাতিত হচ্ছে নারীরা। এই হলো আমাদের মানবিকতা। এর ব্যতিক্রম দেখা যায়, বাবার কোলে সন্তানের লাশ, নিজে করোনা পজিটিভ নিয়ে হাসপাতাল থেকে পরিবারের জন্য সাহায্য প্রার্থনা করেছেন এক নারী। নিজের পুকুরের মাছ, ক্ষেতের সবজি গ্রামের মানুষের মাঝে বিতরণ করেছে এক শিক্ষার্থী। আর একজন নিজের মোটরসাইকেল বিক্রি করে ত্রাণ দিয়েছে। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেউ কেউ মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্য দিয়ে যাচ্ছেন। নড়াইলের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা একা একা একটি মোটরসাইকেলে চড়ে গ্রামের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ত্রাণ বিতরণ করছেন। ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে দান করছেন। চিকিৎসক, পুলিশ, প্রশাসনের সঙ্গে সম্পৃক্তদের কথা তো বলাই বাহুল্য। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন, অথচ সুযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আমরা কথা বলতে পিছপা হই না। একজন ইউএনও জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন। পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা খাটিয়া কাঁধে নিয়ে মৃত ব্যক্তিকে কবর পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছেন। র‍্যাবের একজন সদস্য মাথায় চালের বস্তা বহন করে মানুষের বাড়িতে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। গভীর রাতে এক থানার ওসি নিজের খাবার টিফিন ক্যারিয়ারে পুরে এক অভুক্ত পরিবারকে রাতের বেলা নিজের মোটরসাইকেলে চড়ে খাবার দিয়ে এসেছেন। এরকম আরও অনেক মানবিকতার ছবি আমরা দেখতে পাই। তারপরও আমাদের চোখের আড়ালে ঘটে যায় কত অমানবিক গল্প। কয়েকদিন আগে কৌতুহলবশতঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুদের কাছে জানতে চাই, লকডাউন শেষ হয়ে গেলে প্রথমে কে কি করবে? ৭৫% বন্ধু জানায় মায়ের সঙ্গে দেখা করবে। বিষয়টি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। মায়ের কোল এখনও নিরাপদ, নিরাপদ মায়ের আঁচল। এটাইতো হওয়ার কথা। পরক্ষণে মনে পড়ল, তাহলে বৃদ্ধাশ্রমগুলো কেন তৈরি হচ্ছে? এই উত্তরটি জানার জন্য গুগলে বৃদ্ধাশ্রম বিষয়টি নিয়ে লেখাপড়া করতে থাকি। জানতে পারি, বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বয়স্ক বাবা মায়ের করুণ গল্প। সব গল্পের একটিই সারসংক্ষেপ। সেটি হলো- বয়স্করা পরিবারের বোঝা। একটি গল্পে দেখলাম একমাত্র ছেলের বউ শ্বশুড়কে মেরে আঙুল ভেঙে দিয়েছিল। এরপরই তাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানো হয়। আরেকটি গল্প একজন নারীর স্বামী মারা যাওয়ার পর,বহু কষ্টে তার ছেলেকে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়িয়ে লেখাপড়া করতে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠান। সেই ছেলে আর ফেরেনি। আরেকজন মাকে স্টেশনে ফেলে রেখে যায় তার ছেলেমেয়েরা। আরেকটি গল্পে দেখা যায়, বেড়াতে যাবে বলে ছেলে তার বউকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। পরে জানা যায় ফ্ল্যাটটি বিক্রি হয়ে গিয়েছে। নিগৃহীত বয়স্কদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী। রাজধানী ঢাকার প্রবীণ হিতৈষী সংঘের হাসপাতালে গিয়েছিলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল স্যারের সঙ্গে দেখা করতে।যার হাতে শিক্ষা নিয়েছে শত শত শিক্ষার্থী, তিনি আজ বৃদ্ধাশ্রমে একাকী দিনযাপন করছেন। ছেলেমেয়েরা ভীষণভাবে প্রতিষ্ঠিত। নিজের পেনশনের টাকা দিয়েছেন ছোট ছেলেকে। তবুও জায়গা হয়নি ছেলের বাড়িতে। ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এই মানুষটি যখন বুঝতে পারলেন তিনি পরিবারের বোঝা। তখন তিনি বেরিয়ে যান বাসা থেকে। এই হলো আমাদের মানবিকতা। কী শিক্ষিত, কী অশিক্ষিত আমরা কে পেরেছি মানবিক বোধসম্পন্ন হতে? কত জায়গায় কতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে তার সব ঘটনা চোখে পড়েনা। লেখাটি লিখতে লিখতে খবর পেলাম, বাংলাদেশের কোনো এক জেলার ইউপি চেয়ারম্যান দিনের পর দিন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় থাকা চাল দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করেননি। এজন্য প্রশাসন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। একটি গল্প মনে পড়ছে, তখন আমি বিয়াম মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক। টিফিন পিরিয়ডে চোখে পড়ল শ্রেণিকক্ষে একজন শিক্ষার্থী টিফিন খাচ্ছে। তার পাশে থাকা আরেকজন বসে আছে। আমি জানতে চাইলাম, টিফিন আনোনি? সে বলল ভুলে গেছি আনতে। পাশে থাকা ছেলেটিকে বললাম বন্ধুর সঙ্গে শেয়ার করো তোমার টিফিন। সেই শিক্ষার্থী আমাকে বলল, মা বলেছে কারও সঙ্গে টিফিন শেয়ার না করতে। সেদিন আমি ধাক্কা খেয়েছিলাম। কারণ আমার জীবনের অভিজ্ঞতা এমন নয়। আমি যৌথ পরিবারের সন্তান। একা নয়, মিলেমিশে খেয়েই বড় হয়েছি। একজন অভিভাবক কী করে এতটা আত্মকেন্দ্রিক হতে পারেন, তা আমার জানা নেই। তবে এটুকু বলতে পারি, এ ধরনের অভিভাবকদের ভাগ্যেই হয়ত বৃদ্ধাশ্রম জোটে একটা সময়। কারণ পরিবার থেকেই মানবিক শিক্ষার পাঠটি দিতে হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কতটুকু শিক্ষা দিচ্ছি আমাদের ছেলেমেয়েকে মানবিক মানুষ হিসেবে বড় হওয়ার জন্য? শুধু জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্যই আমরা আমাদের বাচ্চাগুলোকে ব্যস্ত করে রেখেছি। আমাদের সমাজ মানবিক ছিল কবে জানি না। যদি তাই হতো, তাহলে ছয়মাসের অন্তঃসত্ত্বা চাকরিপ্রার্থী মেধাবী এবং যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও বাদ পড়ে যায়। মেধাবীদের পেছনে রেখে কম মেধাবীদের নিয়োগ তো এ সমাজই দেয়। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের তো আমরাই ঠকাই (সবাই নয়)। নিজের সন্তানদের যতটা যত্ন করি, ঠিক কতটা শিক্ষার্থীদের যত্ন করি? মাসে কয়েকদিন শ্রেণিকক্ষে গিয়ে ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের সময় না দিয়ে বিভাগে বেশিরভাগ সময় আমরাই অনুপস্থিত থাকি। অথচ মাসের বেতনটা ঠিকই হিসেব করে গুণে নিই। কতটুকু জবাবদিহিতা আছে আমাদের? এক জেলা থেকে আর এক জেলাতে বদলির জন্য গুনতে হয় লাখ লাখ টাকা। আসল মাস্কের নাম লিখে ধলিয়ে দেওয়া হয় নকল মাস্ক। ব্যবসায় পুঁজি বাড়ানোর জন্য ফলমূলে মেশানো হয় ফরমালিন। ট্যাবলেট দিয়ে তৈরি করা হয় দুধ। দইয়ে মেশানো হয় টিস্যু। মবিল দিয়ে চানাচুর তৈরি করি আমরা, কুকুর মেরে এরপর আনন্দমিছিল আমরাই করি, মানুষ মেরে মানুষের পা নিয়ে আনন্দ তো আমরাই করি, ধান কাটা নিয়ে আমরাই মারামারি করি, পরিবারের সবাই মিলে পরিবারে যে নারী সদস্যটি বাপের বাড়ি থেকে মনমতো যৌতুক আনতে পারেনি, তাকে তো আমরাই নির্যাতন করি। গৃহকর্মীকে খুন্তি দিয়ে হাত তো আমরাই পুড়িয়ে দেই। নারীর মুখে এসিড তো আমরাই ছুঁড়ে দেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রোমানা মঞ্জুরের চোখ তো এ সমাজেরই একজন অন্ধ করে ফেলে। নগরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নামে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে আমরাই তো ব্যবসা করি। হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কিনতে গিয়ে এক টাকার জায়গায় দুই টাকার রশিদ তো আমরাই দেখাই। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন তো আমরাই দেই না, কৃষকের ন্যায্যমূল্য তো আমরাই দেই না। সড়ক মেরামত করতে গিয়ে সড়কে ঠিকমতো পিচ তো আমরাই ঢালি না। যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীদের তো আমরাই বাদ দিয়ে দেই। একে অন্যের পেছনে আমরাই লেগে থাকি। অন্যের ক্ষতি করার জন্যই তো আমরাই উঠে-পড়ে লেগে থাকি। কেউ উপরে উঠে গেলে, তাকে নাস্তানাবুদ করার ষড়যন্ত্র তো আমরাই করি। আমরা মানে যারা পাঠক পড়ছেন তারা নন। আমরা মানে এ সমাজে যারা এই কাজগুলো করছেন তারা। যাদের বিবেক নেই, স্বার্থপর লোভী, চাটুকার। যারা এই সমাজেরই অংশ। এর মধ্যে কেউ কেউ আছেন যাদের মুখে দেশপ্রেমের বুলি। অথচ সুযোগ পেলে দেশের বারোটা এরাই বাজায়। সরকারের দেওয়া সুবিধা নিয়ে সরকারকে ব্যবহার করে চাকরি নেয়, আরও কত সুবিধা নিয়ে সুযোগ পেলে সরকারের বিরোধিতা করে তারা তাদের আসল রূপ প্রকাশ করে। অথচ তাদের বেশভূষা এবং কথাবার্তা ফেরেশতাদের মতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একাই দেশটাকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন। তার চারপাশের যারা আছেন, তারা সাহায্য করছেন। তাহলে সমস্যা কোথায়? হয়ত এর মধ্যেও হয়ত কেউ কেউ সর্ষের মধ্যে ভূত হয়ে বিবেককে বর্জন করে ফেলেন। তবে এর সংখ্যা বেশি নয়। শুরু করেছিলাম প্রধানমন্ত্রীর একটি কথা দিয়ে, তিনি দুঃখ করে বলেছিলেন, বাংলাদেশের মানুষ এমন অমানবিক হতে পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, ১৯৭১ এ পাকিস্তানি হানাদার দোসরদের সঙ্গে যারা হাতে হাত মিলিয়ে এদেশের নিরীহ মানুষকে হত্যা, লুণ্ঠন, বাড়িঘর পোড়ানো এবং নির্যাতন করেছিল তারা তো এই ভূ-খণ্ডেরই মানুষ ছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে যারা হত্যা করেছিল, তারা তো বাংলাদেশেরই কেউ কেউ। জাতীয় চার নেতাকে যারা হত্যা করেছিল তারা তো এই বাংলাদেশেরই কেউ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে বারে বারে যারা হত্যা করতে চেয়েছে তারা তো এই দেশেরই। আজকের এই অমানবিক সমাজকে শিক্ষা দিতে আজ এসেছে করোনাভাইরাস। এই ভাইরাস যদি আমাদের মধ্যে বোধোদয় ঘটাতে পারে, তাহলেই হবে করোনার সার্থকতা। তবে এখনও সমাজে মানবিক মানুষের সংখ্যাই বেশি। নইলে অনেক আগেই সমাজ বিনষ্ট হয়ে যেত। তবু স্বপ্ন দেখে যাই দিনমান যাদের বিবেক শূন্যের কোঠায় তাদের বিবেক জাগ্রত হোক। মানবিক সমাজ গড়ে উঠুক। মানবিক সমাজ যেদিন গড়ে উঠবে, সেদিনই সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণের একপর্যায়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, "মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। ন্যায়নীতির উপর প্রতিষ্টিত না হলে শান্তি কখনো স্থায়ী হতে পারে না।" করোনা পরবর্তী বিশ্বে আমাদের সকলের শপথ হোক একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার। যে সমাজে বাবা-মা সন্তানের কাছেই থাকবেন। কেউ কারও বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগবে না। যার যার ন্যায্য অধিকার তাকে বুঝিয়ে দেবে। দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠিত হবে। আমাদের যার যার স্থান থেকে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুললেই এ সমাজ হবে দুর্নীতিমুক্ত। যে সমাজে দুর্নীতি নেই সে সমাজে শোষণ নেই এবং সে সমাজে এমনিতেই শান্তি বিরাজ করে। আসুন সবাই কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করি করোনাভাইরাস প্রতিকারের জন্য। একটি সুন্দর, সুখী ও সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশের জন্য।
ড. জেবউননেছা, সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, লোকপ্রশাসন বিভাগ,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখার জন্য আই নিউজ বিডি কোনো ধরনের দায় নেবে না। 

All News Report

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

২৭ হাজার প্রবাসীর আকামা বাতিল

২৭ হাজার প্রবাসীর আকামা বাতিল

যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু

যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু

ফেসবুক লাইভে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যা

ফেসবুক লাইভে ঘোষণা দিয়ে আত্মহত্যা

প্রাথমিক বিদ্যালয় নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে

প্রাথমিক বিদ্যালয় নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে

আল্লামা আহমেদ শফীর জানাজা সময় ও স্থান

আল্লামা আহমেদ শফীর জানাজা সময় ও স্থান

সাঘাটায় শিশূ ধর্ষণের ধর্ষক ৯ বছরের শিশু সংশোধনাগারে

সাঘাটায় শিশূ ধর্ষণের ধর্ষক ৯ বছরের শিশু সংশোধনাগারে

মৌলভীবাজার নির্বাচনে লড়বেন লুৎফুর রহমান সুইট

মৌলভীবাজার নির্বাচনে লড়বেন লুৎফুর রহমান সুইট

আল্লামা শফি ইন্তেকাল করেছেন

আল্লামা শফি ইন্তেকাল করেছেন

রাতভর সংঘর্ষে রক্তাক্ত আফগানিস্তান, নিহত অর্ধশত

রাতভর সংঘর্ষে রক্তাক্ত আফগানিস্তান, নিহত অর্ধশত

মাকে হারিয়ে অপু বিশ্বাসের আবেগঘন স্ট্যাটাস

মাকে হারিয়ে অপু বিশ্বাসের আবেগঘন স্ট্যাটাস

আল্লামা আহমদ শফির চিরপ্রস্থানে দেশময় শোকের ছায়া

আল্লামা আহমদ শফির চিরপ্রস্থানে দেশময় শোকের ছায়া

২ বাস ও মাইক্রোর সংঘর্ষে চারজন নিহত, আহত ২০

২ বাস ও মাইক্রোর সংঘর্ষে চারজন নিহত, আহত ২০

অভিনব পদ্ধতিতে বৈদ্যুতিক মিটার চুরি

অভিনব পদ্ধতিতে বৈদ্যুতিক মিটার চুরি

ইয়াবাসহ বাসযাত্রী গ্রেপ্তার

ইয়াবাসহ বাসযাত্রী গ্রেপ্তার

মহাজোটের মানববন্ধন দূর্গা পুজায় ৩ দিনের ছুটি

মহাজোটের মানববন্ধন দূর্গা পুজায় ৩ দিনের ছুটি

সর্বশেষ

বন্ড হাউসের পণ্য বিক্রি, ৫২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

বন্ড হাউসের পণ্য বিক্রি, ৫২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

ইউএনও ওয়াহিদা জনপ্রশাসনে, স্বামী স্বাস্থ্যে বদলি

ইউএনও ওয়াহিদা জনপ্রশাসনে, স্বামী স্বাস্থ্যে বদলি

হিলিতে বগি লাইনচ্যুত, দিনাজপুর ট্রেন বিচ্ছিন্ন

হিলিতে বগি লাইনচ্যুত, দিনাজপুর ট্রেন বিচ্ছিন্ন

বকেয়া বেতন ও বিভিন্ন অনিয়ম এর প্রতিবাদে শ্রমিক কর্মচারীদের মত বিনিময় সভা

বকেয়া বেতন ও বিভিন্ন অনিয়ম এর প্রতিবাদে শ্রমিক কর্মচারীদের মত বিনিময় সভা

পল্টনে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও ৪ জন কারাগারে

পল্টনে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও ৪ জন কারাগারে

সাঘাটায় পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলা

সাঘাটায় পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলা

দীনমজুর এর অর্থনীতি

দীনমজুর এর অর্থনীতি

৯ বছরে ৯টি বিয়ে, অবশেষে ধরা পড়লেন গার্মেন্ট শ্রমিক

৯ বছরে ৯টি বিয়ে, অবশেষে ধরা পড়লেন গার্মেন্ট শ্রমিক

পাকিস্তানের জন্য প্রাণ দিতে চেয়ে মুহূর্তে ভাইরাল মিয়া খলিফা

পাকিস্তানের জন্য প্রাণ দিতে চেয়ে মুহূর্তে ভাইরাল মিয়া খলিফা

আজ প্রয়াত নায়ক "সালমান শাহ" এর ৪৯ তম জন্মদিন

আজ প্রয়াত নায়ক "সালমান শাহ" এর ৪৯ তম জন্মদিন

অনিশ্চয়তা কাটছে এইচএসসি নিয়ে

অনিশ্চয়তা কাটছে এইচএসসি নিয়ে

অর্থের মিনিময়ে উপজেলা ছাত্রদল কমিটি ঘোষনার অভিযোগ

অর্থের মিনিময়ে উপজেলা ছাত্রদল কমিটি ঘোষনার অভিযোগ

নয় বছরে নয় বিয়ে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি আরও ৪ জনের!!

নয় বছরে নয় বিয়ে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি আরও ৪ জনের!!

‘মুছা বন্ড’ রিফাত শরীফ হত্যার অন্যতম আসামি এখনও অধরা

‘মুছা বন্ড’ রিফাত শরীফ হত্যার অন্যতম আসামি এখনও অধরা

মৌলভীবাজারের সাংবাদিক রাধিকা মোহন গোস্বামী স্মৃতিপদক প্রদান

মৌলভীবাজারের সাংবাদিক রাধিকা মোহন গোস্বামী স্মৃতিপদক প্রদান