Nurul hasan Anowar
প্রকাশ ২২/০১/২০২১ ১১:০০এ এম

সিলেটে তরুণ খুনের নেপথ্যে ত্রিভুজ প্রেম নাকি আইফোন বিক্রি

সিলেটে তরুণ খুনের নেপথ্যে ত্রিভুজ প্রেম নাকি আইফোন বিক্রি Ad Banner

সিলেটে তরুণ নাঈম আহমদকে হত্যার ঘটনায় পেছনে ত্রিভুজ প্রেম নাকি বন্ধুর আইফোন বিক্রির টাকা ভাগাভাগি, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নাঈমের বন্ধু দেলোয়ার হোসেন সবুজকে আটক করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) সবুজকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হযেছে। রিমান্ডে সবকিছু খোলাসা হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের।

তিনি জানান, মাম্মি নামের এক মেয়েকে ভালোবাসত নাঈম। ওই মেয়েকে বন্ধু রাব্বিও ভালোবাসত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা চলে আসছিল বেশ কিছুদিন ধরে।

মাম্মি থেকে কেউ সরে যেতে চাইছিল না। এরই মাঝে নাঈমের বন্ধু সবুজ ও রাব্বি এক বড়লোক বন্ধুর আইফোন কৌশলে বিক্রি করে ফেলে। আইফোনের মালিককে সবুজ ও রাব্বি বলে মোবাইল হারিয়ে গেছে।

খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে তারা। এই ঘটনা জানত নাঈম। এ কারণে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে রাব্বি ও সবুজ।

মঙ্গলবার সবুজ ও রাব্বিই জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে দুপুরে ডেকে নিয়ে যায়। পরে রাতে তার লাশ পাওয়া যায়।  

অন্যদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুধবার রাতে সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপির) শাহপরাণ থানায় নাঈমের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে নাঈমের বন্ধু সবুজ, রাব্বি, জুনেদসহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। 

বৃহস্পতিবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সুবজকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে জন্মদিনের কথা বলে নাঈমকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যান সবুজ। সন্ধ্যায় সড়কের পাশ থেকে তার ছুরিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আটক দেলোয়ার হোসেন সবুজ (২২) সিলেটের গোয়াইনাঘাট উপজেলার ফতেহপুরের বড়নগর গুলনি চা বাগানের লাল মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে শাহপরাণ এলাকার চামেলীবাগে বসবাস করেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ