• 0
  • 0
Nurul hasan Anowar
Posted at 14/01/2021 09:18:am

পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ছিল দিহান

পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ছিল দিহান

পর্ণ থেকে ফরেন বডির ব্যবহারের জ্বলন্ত উদাহরণ রাজধানী ঢাকার কলাবাগানে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ও লেভেলের ছাত্রী আনুশকা নূর আমিনের মৃত্যু।
যে ছাত্রীর বয়স মাত্র ১৭ বছর। এই মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

বিশেষ করে আলোচনায় উঠে এসেছে বিপজ্জনক বিকৃত যৌনাচারে লিপ্ত হওয়ার অন্যতম উপাদান ফরেন বডির কথা। যা সহজেই অনলাইন শপে এবং দেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

ফরেন বডির বিষয়টি আলোচনায় আসায় আনুশকা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্ত মোড় নিচ্ছে নতুনত্বের দিকে। অভিযোগের তীর আনুশকার বয়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার দিহানের দিকে। মামলায় অভিযোগ করা হচ্ছে, প্রেমে প্রলুব্ধ করে বাসায় নিয়ে বিকৃত যৌনাচারের মাধ্যমে আনুশকাকে হত্যা করেছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের এ লেভেলের ছাত্র ১৮ বছর বয়সী দিহান।

এমন রহস্যময় পরিস্থিতিতে অভিযুক্তের বিশেষ অঙ্গের বাস্তবিক পরীক্ষার কথাও ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা। এর পরেই দৃশ্যমান আলামত, ভিক্টিমের রক্তক্ষরণের স্থানের ওই সময়ে পরিস্থিতি ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট মিলিয়ে তদন্তের অগ্রগতি অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলেন, আনুশকার যোনিপথ ও রেক্টামে ফরেন বডি পুষ করায় মারাত্মক রক্তক্ষরণ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে। যা সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি থেকেই করা হয়েছে।

আরও পড়ুনযেভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন দিহানের বাবা

মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা বলেন, পর্ণ দেখতে দেখতে তরুণ-তরুণীরা অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা ওইসব পর্ণে দেখানো সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসির স্বাদ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। নিজেদের মধ্যেই তা প্রয়োগের চেষ্টা করে। যার ফলে অপরিপক্ব তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মানসিক ও শারীরিক ভয়াবহ রকমের ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে। এমন বিকৃত যৌনাচার মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাইবার ক্রাইম ইউনিট থেকে বলা হচ্ছে, পর্ণ সাইটগুলো বন্ধ করতে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকগুলো সাইট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ইদানীং তরুণ বয়সীদের মধ্যে পর্ণোগ্রাফিতে আসক্তির সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলছে। খুব ভয়াবহ আকারে বেড়ে যাচ্ছে এটি। স্মার্ট ফোনে ছোটো ছোটো বাচ্চা থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝেও আসক্তির মাত্রা প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে। ফলে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো দিন দিন বেশ জটিলতার দিকে এগোচ্ছে। কখনো কখনো তা করুণ পরিণতিতে গিয়ে শেষ হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ন্যায়বিচার চাইলো আনুশকার মা

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দিহানের বন্ধুদের কাছ থেকে জানা গেছে- দিহান পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত ছিল। যার প্রভাব আনুশকার উপর গিয়েও পড়ে।

আরও পড়ুনদিহানের কোনো আবদার অপূর্ণ রাখেনি তার পরিবার

পর্ণগ্রাফিতে রয়েছে সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি, যাকে বলা যায় বিকৃত যৌনাচার। এই সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসিতে বিভিন্ন ফরেন বডি বা ‘সেক্স টয়’ ব্যবহার করা হয়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ