• 0
M. R. Sumon
Posted at 11/01/2021 12:18:pm

নব্বইয়ের দশকের শক্তিমান কবি- কবিআসাদ উল্লাহ

নব্বইয়ের দশকের শক্তিমান কবি- কবিআসাদ উল্লাহ

আসাদ উল্লাহ গফরগাঁওয়ের উথুরী গ্রামে ১৯৬৯ সালের ১ মার্চ জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার। পরিবারে ছয় ভাই-বোনের মধ্যে কবি সবার ছোট।

উথুরী ফ্রি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে গফরগাঁও ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এসএসসি পাশ করেন।

গফরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে এইসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তারপর ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে' স্নাতক ও ১৯৯১ সালে  স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৯৬ সালে নেত্রকোনার আবু আব্বাস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন এবং বর্তমানে এখানেই কর্মরত আছেন। ১৯৯৮/৯৯ সালে যুক্ত ছিলেন ময়মনসিংহের এক সময়ের আলোকিত পত্রিকা 'দৈনিক বাংলার জমিন'র নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে ছিলেন।

ময়মনসিংহ লেখক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক। কবি মনে করেন সংগঠন লেখক তৈরী করতে পারে না। সংগঠন লেখককে আলোকিত করে না। লেখক সংগঠনকে আলোকিত করে। তবে কবি মনে করেন লেখকদের আড্ডার জন্য প্লাটফরম থাকতে পারে।

কবি শৈশব থেকেই লেখালেখির সাথে যুক্ত। কবির কাছে কবিতা হচ্ছে সার্বক্ষণিক বিষয়।মাথার মধ্যে একেকটা চরণ, শব্দ সব সময় খেলা করে। কবিতায় থাকবে বিজ্ঞান সম্মত শব্দ চয়ন। থাকবে গ্রামীণ মা- মাটির গন্ধ। কোনো কিছুই জগৎ সংসারের বাইরে নয়। যখন কারো লেখা জনসাধারণের মুখে গুনগুনিয়ে গান হয়ে উঠবে কিংবা কবিতাটা হবে সার্বজনীন তখনই কবিতা সার্থক, কবি সার্থক। একেকটা লাইনের মানে হবে একেক জনের কাছে একেক রকম। সাহিত্যের সবচেয়ে কঠিন শাখা কবিতা। কবিতার জন্য পড়তে হবে। সবাই কবি কিন্তু কেউ কেউ কবি হয়।

কবির প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি 'মেয়েটিকে দেখি না'(১ম প্রকাশিত) 'বার বার মন বলে যাই'(২য়)।

সর্বশেষ ২০২০ সালে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত -'জল পতনের শব্দ'। হাতে আছে কয়েকটি পাণ্ডুলিপি।সামনের বই মেলায় প্রকাশিত হতে পারে 'ছেঁড়া কাগজ' নামে একটি উপন্যাস। কবি আসাদ উল্লাহ বিশ্বাস করেন লেখকের কোন সংগঠন নেই, দেশ নেই। লেখক সব কালের সব দেশের, লেখক বিশ্বের।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ

  • 0