• 0
  • 0
Asadujjaman Asad
Posted at 06/01/2021 05:11:pm

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মুসলিম জনতা ঐক্য ফ্রন্টের যাত্রা শুরু

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মুসলিম জনতা ঐক্য ফ্রন্টের যাত্রা শুরু

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ বাস্তবায়ন ও সমাজসেবা করার উদ্দেশ্য নিয়ে পথ চলা শুরু হলো সেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সংগঠন মুসলিম জনতা ঐক্য ফ্রন্টের। সংগঠনটির উদ্যোক্তা ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ক্বারী মোঃ নেয়ামত উল্লাহ মুন্সী।

গতকাল ৫ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেল ৫টায় আমুয়া বাজারের জামে মসজিদে  উক্ত সংগঠনটির শুভ উদ্বোধন করা হয়। এই সময়ে উদ্যোক্তাসহ সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্যোক্তা ক্বারী মোঃ নেয়ামত উল্লাহ মুন্সী বলেন, মুসলিম জনতা ঐক্য ফ্রন্ট একটি স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সংগঠন। দলমত নির্বিশেষে সকল স্তরের জনগণ এই সংগঠনের সদস্য হতে পারবে। সমাজে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ বাস্তবায়ন ও মানব সেবা করাই এই সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য।

বিশেষ কিছু লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে পথ চলা শুরু হয় উক্ত সংগঠনটির। এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো হলো- বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ  ও জীবনকর্ম বাস্তবায়ন করা, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একতাবদ্ধ থাকা, মানব সেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করা, গরীব-দুঃখীদের পাশে দাড়ানো, অসহায় রুগীদের চিকিৎসা করানো, সকল প্রকার অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকা, সমাজের কুপ্রথা ও সমাজ কেন্দ্রীক চলমান শরীয়ত বিরোধী প্রথাকে নির্মুলের পক্ষে কাজ করা, মানুষের কল্যাণে নিজের জান-মাল সর্বদা উৎসর্গ করা এবং সে ক্ষেত্রে জাতি-ধর্ম- বর্ণ পেশা দল-মত কোনোটার বিবেচনা করা হবেনা, সকল প্রকার সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, নির্যাতন, ছিনতাই, সুদ, ঘুষ , ধর্ষণ, প্রতারণা, ফেৎনা প্রভৃতি বন্ধ করা  ও সামাজিক ভ্রাতিত্ব, ঐক্য, সাম্য সহিষ্ণুতা, অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা, সামাজিক শান্তি এবং সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা।

নবগঠিত এই সংগঠনের জন্য যেসকল নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো হলো- দলমত নির্বিশেষে সকল স্তরের জনগন এই সংগঠনে অংশগ্রহণ করতে পারবে, এই সংগঠন কোনো রাজনৈতিক দল বা মতের সাথে একমত পোষণ করে না, সংগঠন পরিচালনার জন্য ৭ থেকে ৯ জন সুরা সদস্য নির্বাচিত হবে, সুরা সদস্যগণের পরামর্শক্রমে যে সিদ্ধান্ত উপনীত হবে তা সকলের মেনে নিতে হবে, প্রত্যেক সদস্যের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সংগঠনে জড়িত থাকতে হবে, বছরে একবার সদস্য সম্মেলন ডাকা হবে, সেখানে বাৎসরিক আয় ব্যায়ের হিসাব অডিট করে সকলের সামনে তুলে ধরা হবে এবং সেখানে সংগঠনের উন্নতি অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা হবে।

উল্লেখ্য যে, বিশেষ প্রয়োজনে উপরোক্ত নীতিমালা পরিবর্তন হতে পারে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ