Saturday -
  • 0
  • 0
Abu Shale Musa
Posted at 05/01/2021 06:36:pm

জীর্ণতাই নিয়তি ২শ বছরের পুরোনো ফটিক হাওলাদারের জমিদার বাড়ির

জীর্ণতাই নিয়তি ২শ বছরের পুরোনো ফটিক হাওলাদারের জমিদার বাড়ির

প্রাকৃতিক রূপের লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ। আবহমান বাংলার আনাচে কানাচে লুকিয়ে আছে হাজারো নিদর্শন ও ঐতিহ্য। যার অনেকটাই হয়ে আছে আমাদের চোখের আড়াল। 

সাগরকন্যা বরগুনা জেলায়ও চোখের সামনে ও পিছনে রয়েছে বহু নিদর্শন। এরমধ্যে আমতলী উপজেলার অর্পনগাসিয়া ইউনিয়নের ঘোপখালী গ্রামে চোখের আড়াল হয়ে ছিল প্রাচীনতম এক পুরোনো জমিদার বাড়ি।   

১৯২০ সালে দেশ যখন বৃটিশদের তত্ত্বাবধানে তখনই মাত্র এ বাড়িটির ভিত্তি প্রস্থান গঠন করা হয়। ওয়াকফার মাধ্যমে বাড়িটি দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় এবং এর কিছু বছর পরই শুরু করা হয় বাড়িটির নির্মাণ কাজ।   

মরহুম ফটিক হাওলাদার বাড়িটি নির্মাণ করেন। প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকতেই প্রথমে চোখে পরে দুইতলা বিশিষ্ট বাড়িটির সম্মুখ দিক। প্রথমে বাড়িটি তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণ হলেও উনসত্তর এর বন্যার পর বাড়িটির উপরতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরবর্তীতে ভেঙে ফেলা হয়। এরপরে দক্ষিণ পার্শ্বে জমিদারের বিশাল বৈঠকখানা এবং উত্তর পার্শ্বে মসজিদ ও ঘাট বাঁধানো পুকুর।   

বাড়িটির বর্তমান বয়ষ প্রায় ১৬০ বছরেরও বেশী। সম্পূর্ণ বাড়ীর আয়তন ২১.৩৩ একর বা ২১৩৩ শতাংশ। ইংরেজদের আমলের পুরোনো এই বাড়িটি এখন আর বসবাস যোগ্য নয়। তবে এখনও নামাজ আদায়ের জন্য এলাকাবাসিরা পুরোনো সেই মসজিদে আসেন ও গোসল করা সহ নানা কাজে ঘাট বাঁধানো সেই পুরোনো পুকুরটি ব্যবহার করে থাকেন।   

প্রাচীনতম এই বাড়িটি নিদর্শন হিসেবে টিকিয়ে রাখতে করতে চান সংস্করণ। এজন্য জমিদার ফটিক হাওলাদারের নাতি মুশফিকুর রহমান টুকু হাওলাদার সরকারি সহয়তা চাচ্ছেন।   

এনিয়ে টুকু হাওলাদার 'বাংলাবাজার'কে বলেন, সরকারি সহয়তা পেলে বাড়িটি সংস্কার করা সম্ভব। বাড়িটি প্রাচীন আমলের তৈরি হবার কারনে অনেক নরম হয়ে গিয়েছে। জায়গায় জায়গায় ফাঁটল ধরেছে। আমি মনে করি এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্য। সরকারের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, পুরোনো এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সরকারিভাবে সহায়তার হাত বাড়াবেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ