• 0
  • 0
জাহাঙ্গীর আলম কবীর
Posted at 05/01/2021 10:51:am

মানুষের কল্যাণে কৈখালীর শাহীন আলম

মানুষের কল্যাণে কৈখালীর শাহীন আলম

বাড়ি বাড়ি ফলের গাছ লাগানো, ম্যানগ্রোভ বনভূমি সৃষ্টি এবং রাস্তার পাশে বৃক্ষরোপণ করে মানুষের পুষ্টিহীনতা দূর, বৃষ্টি ও ঝড়ের কবল থেকে সুরক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন শাহীন আলম।

তিনি মানুষের সেবায়, জনস্বার্থে কৈখালী ইউনিয়ন জুড়ে নীরবে নিভৃতে কাজ করেন। তার আকাঙ্খা আলোকিত, সুন্দর, দৃষ্টিনন্দন ও সুসজ্জিত আধুনিক ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নারী সংগঠন, প্রতিবন্ধী সংগঠন, ভূমিহীন সংগঠন, জেলে, কৃষক, দিনমজুর, কিশোর-কিশোরী, সিপিবি, সমাজকর্মী, এনজিওকর্মী, বিধবা নারী, যুব কমিটি, মসজিদ, মন্দির ভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে অপরাধ দমনে প্রশাসনের সহযোগিতাও করেন। শাহীন আলমের বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের জয়াখালী গ্রামে।

তিনি তার মাতা খুলনা বিভাগের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার খায়রুন্নেসার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জনসেবায় মনোনিবেশ করেন। তার নীতি ও নৈতিকতা ইতিমধ্যেই কৈখালী ইউনিয়ন সহ আশেপাশের এলাকাগুলোতেও প্রভাব ফেলেছে।

তিনি বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এই শাহীন আলম একাধারে কৈখালী ম্যানগ্রোভ বনভূমি সংরক্ষণ ও বনায়ন কমিটি, জয়াখালী কৃষক সংগঠন, জয়াখালী শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও পূর্ব কৈখালী কমিউনিটি ক্লিনিক সাপোর্ট কমিটির সভাপতি। কৈখালী মহাজেরিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি।

রমজাননগর কৈখালী ইউনিয়ন জেলে বাউলিয়া সমিতি ও শ্যামনগর উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক। কৈখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির টিম লিডার। সামাজিক উদ্যোগ ফোরামের সদস্য সচিব এবং জয়াখালী ও মানিকখালী গ্রাম নারী সংগঠনের উপদেষ্টা। পাশাপাশি সংবাদপত্রের সাথেও জড়িত আছেন।

শাহীন আলম বলেন, তিনি দীর্ঘদিন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। দুর্যোগ কবলিত ঝুঁকিপূর্ণ কৈখালী ইউনিয়নের মানবসম্পদ ও পরিবেশ বাঁচাতে কাজ করছেন। মানুষের চেতনা ও দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশেও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শাহীন আলম আরও বলেন, শ্যামনগর উপজেলার অবহেলিত জনপদ কৈখালী ইউনিয়নকে তিনি একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসাবে দেখতে চান। তার ইউনিয়নে রয়েছে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো পাঁচ নদীর মোহনা। এই এলাকার উনয়ন ঘটাতে পারলে ও রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হলে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তো। তার দাবি পাঁচ নদীর মোহনাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হোক। শাহীন আলম সারাদিন মানুষের কল্যাণের জন্য ঘুরে ঘুরে কাজ করেন। কোন লোভ লালসার প্রতি তার মোহ নেই। সে কারণে কৈখালী ইউনিয়নে তার সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ