Feedback

লাইফস্টাইল

যে নিয়ম গুলো মানলে ফার্মেসি ব্যবসায় সফলতা আসবেই

যে নিয়ম গুলো মানলে ফার্মেসি ব্যবসায় সফলতা আসবেই
November 20
10:12pm
2020
Shahriar M Shohan
Chandina, Comilla:
Eye News BD App PlayStore

ফার্মেসি ব্যবসা বর্তমানে বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা। প্রতিষ্ঠিত ও সম্মানজনক ব্যবসার মধ্যে এ ব্যবসা অন্যতম। এখানে অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে সহজেই লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফার্মেসি ব্যবসা করে সফল হওয়ার স্বপ্ন অনেকেই দেখেন। কিন্তু চাইলেই যে কেউ ফার্মেসি ব্যবসা থেকে নিজের আকাঙ্ক্ষিত লাভটা অর্জন করতে পারে না।

একটা মাঝারি ধরনের ওষুধের দোকানে যদি ৩-৪ লাখ টাকার বিনিয়োগ থাকে, তাহলে মাস শেষে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। তবে শুরুর দিকে ২ লাখ টাকা পুঁজিতে মাসে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা লাভ করা যেতে পারে। পুঁজি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে লাভের পরিমাণও।

গড়ে হিসেব করে দেখা যায় যে, ওষুধ বিক্রিতে শতকরা ১২-১৩ শতাংশ লাভ থাকে। ক্ষেত্র বিশেষে ৫০ শতাংশও থাকে। কোন কোন ওষুধে একটু বেশী আবার কোনটাতে কম থাকে। তবে সবকিছু মিলিয়ে ওষুধ ব্যবসায় অল্প টাকা ইনভেস্ট করে মাস শেষে ভালো মুনফা অর্জন করা সম্ভব। একটা দোকানে কিছু ওষুধ নিয়ে বসে পড়া বেশ সহজ, কিন্তু কিছু টেকনিক জানা না থাকলে দোকান চালানো বেশ কঠিন। যে কোন ব্যবসায় সফল হতে চাইলে এই লেখাটি পড়ুন - কোটিপতি হওয়ার ৪৫টি উপায়

চলুন ফার্মেসী ব্যবসায় সফল হওয়ার কিছু জরুরি টিপস জেনে নেয়া যাক-


কি কি ওষুধ দোকানে রাখবেন

ফার্মেসী ব্যবসায় লাভের পরিমান নির্ভর করে নির্দিষ্ট কোম্পানি ও ওষুধের ওপর। সাধারণ ভাবে খুচরা ব্যবসায়ীগণ ১৬-২০ শতাংশ লাভ পেয়ে থাকেন। কী ধরনের ওষুধ কত পরিমানে রাখবেন ফার্মেসি ব্যবসা শুরুর আগেই সেই বিষয়ে ভাল করে গবেষণা করে নিন। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন, মানুষের চাহিদা এগুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা করুন।


ক্রেতার চাহিদার দিকে খেয়াল রাখুন

খেয়াল রাখবেন ক্রেতাকে যদি ওষুধ না পেয়ে ফিরে যেতে হয় তাহলে পরের বার আর তিনি এ দোকানে আসতে আগ্রহী নাও হতে পারেন। আপনার এলাকার ডাক্তার যে ধরনের রোগের চিকিত্সা করেন ও যে ধরনের ওষুধ দেন সেই সমস্ত ওষুধ মজুত রাখার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি সাধারণ রোগের ওষুধ বেশি পরিমানে রাখুন।

ঔষধের ফার্মেসিতে কাস্টমার তার চাহিদামত ঔষধ না পেলে আপনার ব্যবসায় লস হতে পারে। ধরুন কেউ জ্বরের জন্য চাইল নাপা। কিন্তু দোকানে নাপা নেই। আপনি কাস্টমারকে বললেন নাপা নেই। তবে অন্য কোম্পানির "এইস" আছে। এটিও নাপার মত। "এইস" নিয়ে যেতে পারেন।

অনেক সময় কাস্টমারকে এসব না বলে সরাসরি অন্য কোম্পানির ওষুধ দিয়ে দিলেন। কাস্টমার আপনার দোকানে ২য় বার আর আসতে চাইবে না।


কোথায় দোকান বসালে বিক্রি বেশি হবে

ফার্মেসি ব্যবসা বা ওষুধের দোকানে লাভ করতে হলে প্রথমেই জায়গা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। যেখানে দোকান খুলতে চাচ্ছেন সেই এলাকার জনসংখ্যা ও বর্তমান ওষুধের দোকানের সংখ্যা মাথায় রাখুন। এরপর যাচাই বাছাই করুন অন্যান্য আরও কি কি চাহিদা রয়েছে।


হাসপাতালের কাছাকাছি দোকান দিন

আশেপাশে হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডাক্তারের চেম্বার থাকলে ব্যবসা ভাল হবে। ডাক্তারের চেম্বারের কাছাকাছি দোকান নিতে পারলে ব্যবসার পরিমান বাড়বে। বিক্রি বেশি হবে।

তবে এক্ষেত্রে আশেপাশের ব্যবসায়ীদের সাথে পাল্লা দিতে হলে খুব উঁচু মানের ক্যাপিট্যাল লাগবে। যদি সাচ্ছ্যন্দে টিকে থাকতে চান, শুরু থেকেই ভালো ইনকাম চান, শুধুমাত্র মেডিসিনের জন্য শুরুতেই হয়তো পনেরো লাখের মত লাগতে পারে।

যদি মেডিক্যাল বা চেম্বারের আশেপাশে না হয়ে নিজ এলাকা বা সুবিধামত স্থানে ফার্মেসি দোকান নিয়ে বসতে চান তাহলে কম পুঁজি দিয়েই শুরু করা যায়।


পাইকারিভাবে ব্যবসা করতে চাইলে

পাইকারি দোকান দিতে চাইলে অবশ্যই ১টা নির্দিষ্ট স্থানে(যেখানে ঔষধের পাইকারি মার্কেট) দোকান দিতে হবে। পাইকারি ব্যবসাটা চালানোর জন্য অভিজ্ঞ লোকেরও দরকার। এক্ষেত্রে ব্যবসার শুরু থেকেই একটি বড় অংকের টাকা বিনিয়োগ করতে হয়।

পাশাপাশি লোকজনের সাথে পরিচিতি বাড়াতে হবে, কেননা পাইকারি দোকানদারদের কাস্টমার হলো খুচরা দোকানদারেরা। তাই আপনি যত খুচরা দোকানদারদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন, আপনার ব্যবসা তত দ্রুত বাড়বে। এক্ষেত্রে বাকি দেয়ার ব্যাপারে  অবশ্যই সচেতন হতে হবে।


নিজে কিছু ট্রেনিং করা

যারা প্রত্যন্ত অঞ্চল বা মফস্বলে ফার্মেসি খুলে বসেন তারা দোকানে ডাক্তারের চেম্বার বানিয়ে নেন। অথবা নিজেরাই ছোট-খাট ট্রেইনিং করে নিলে রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারেন। ফলে আপনিও রোগীদের ওষুধ দিতে পারেন এবং সে ওষুধ টি আপনার ফার্মেসি থেকেই বিক্রি করতে পারেন।


কাস্টমারকে সর্বাত্মক সেবা দিন

একবার কাস্টমার ধরে ফেললে তাকে কিছুতেই হাতছাড়া করা যাবে না। কাস্টমারের চাহিদামত ঔষধটি দোকানে না থাকলে আপনি সেগুলো পাশের দোকান থেকে এনে দিতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে সৎ থাকা খুবই জরুরী। কারণ কাস্টমার যখন বাইরে যাচাই করে দেখবে আপনি তার কাছ থেকে দাম বেশি নিয়েছেন, আপনি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন, সাথে কাস্টমারও হারাবেন।


ওষুধের দামের দিকে খেয়াল রাখুন

ওষুধের আমাদের নিজের বানানো নয়। তাই ইচ্ছে করলেই যাচ্ছেতাই দাম নেওয়া যাবে না। আপনি হয়ত ওষুধের গায়ে যে দাম আছে ওই দামেই বিক্রি করছেন। কিন্তু আপনার পাশের দোকানে সেই ওষুধ আরো ২টাকা কমে বিক্রি করছে। আপনি কাস্টমার হারিয়ে ফেলবেন। আপনি যদি আপনার ক্রয়মূল্যেও বিক্রি করতে না পারেন তাহলে ওষুধটি বিক্রিই করবেন না। প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে বুদ্ধি খাটাতে হয়।


কাস্টমার আকর্ষণ করার উপায়

ব্যবসার মূল ফোকাসেই কিন্তু থাকে কাস্টমাররা। কাস্টমার আপনার দোকানে যত বেশি আসবে বিক্রি তত বেশি হবে, আর বিক্রি বেশি মানেই লাভ। চলুন কিভাবে কাস্টমার আকর্ষণ করা যায়, তার কিছু উপায় জেনে আসি-

  • নিজ এলাকায় ফার্মেসি দিলে শুরুতেই সব ওষুধ থাকবে না স্বাভাবিক। এলাকায় লোকজন যখন প্রেসক্রিপশন নিয়ে ওষুধ নিতে আসবে তখন দোকানে যেসব ওষুধ নেই সেগুলো নোট করে রাখুন এবং কাস্টমারকে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানান যে এই ওষুধটি বর্তমানে দোকানে নেই, কিন্তু আপনি নোট করে রেখেছেন এবং খুব শীঘ্রই ওষুধটি তাঁর জন্যে এনে রাখবেন।
  • কাস্টমারকে আপনার দোকান এবং আপনার উপর নির্ভরশীল করে ফেলুন যেন তিনি আপনাকে বা আপনার দোকান ছাড়া অন্য কিছু না বুঝেন।


কিভাবে কাস্টমারের ভরসা অর্জন করবেন-

১। কাস্টমারকে প্রতিদিন আসা যাওয়ায় সালাম দিন। হাসিমুখে কুশল জিজ্ঞেস করুন। তারপর প্রেসক্রিপশনটি নিয়ে কি কি ওষুধ লাগবে জেনে নিন। প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো বের করে তার সামনে রাখুন এবং তাঁকে ওষুধগুলো খাওয়ার নিয়ম ও সময় সম্পর্কে ভালোমত বুঝিয়ে দিন। এরপর ওষুধগুলো যথাযথ ভাবে প্যাকেট করে তাঁর হাতে তুলে দিন। বলে দিন যে, কোনো সমস্যা হলে তিনি যেনো কষ্ট করে আবার আসেন।

২। বয়স্ক কাস্টমারদের জন্যে বসার ব্যবস্থা রাখুন। তবে খেয়াল রাখবেন দোকানে যেন আড্ডা না জমে যায়। কেননা এমন কিছু কাস্টমার থাকে যারা অন্যের সামনে ওষুধ নিতে অপ্রস্তুত বোধ করে।

৩। দোকানে অবস্থান করা অবস্থায় কোনো কাস্টমারের সাথে রাজনীতি, ধর্ম বা দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো কথা বলবেন না। কাস্টমার এ সকল বিষয়ে কথা তুললেও আপনি হাসিমুখে তাকে সমর্থন করে যাবেন মাত্র।

৪। সকালে এবং সন্ধ্যায় এলাকার বয়স্ক এবং একটু অস্বচ্ছল রোগীদের বিনামূল্যে ব্লাড সুগার, ব্লাড প্রেসার ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন।

৫। প্রতি মাসে একদিন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন।

৬। প্রতি ২ মাসে একবার বিনা মূল্যে ২০/২৫ জনের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে দিতে পারেন।

৭। এলাকায় ব্যবসা করতে গেলে কখনো কখনো বাকিতে বিক্রি করতে হয়। এক্ষেত্রে যিনি বাকিতে ক্রয় করবেন তিনি যদি পরপর তিন বার পাওনা পরিশোধে ওয়াদা ঠিক না রাখেন তবে তাকে প্রথমে আপনার অপারগতা বুঝিয়ে বলবেন এবং তাতে কাজ না হলে তার কাছে বিক্রি বন্ধ করে দিবেন। মেইন রোডে বা কোনো হাসপাতালের সাথে দোকান হলে অবশ্য বাকি বিক্রির ঝামেলা নাই।

৮। যত মুনাফাই থাকুক না কেন, কোনো অবস্থাতেই মেয়াদহীন এবং আজেবাজে কোম্পানির ওষুধ বিক্রি করা যাবে না।

৪, ৫ এবং ৬ নং কাজগুলো করতে গেলে অতিরিক্ত কিছু টাকা এবং সময় ব্যায় হলেও এর বিনিময়ে আপনি একটি নিয়মিত কাষ্টোমার সার্কেল পাবেন। দ্রুত আপনার ব্যবসার প্রচার, প্রসার এবং সুনামও বাড়বে। সর্বোপরি একজন ব্যবসায়ীর হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গায়ও পাওয়া যাবে পরিপূর্ণ মানসিক প্রশান্তি।

শুধু ফার্মেসি ব্যবসা নয়, যেকোন ব্যবসায় সফল হতে হলে আগে থেকেই ব্যবসার খুঁটিনাটি বিষয় গুলো জেনে নিতে হবে। কাজের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে। উপরের পরামর্শ গুলো খেয়াল রাখলে আশা করা যায় ফার্মেসি ব্যবসায় সফলতা আসবেই।

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের আলোচিত শিশু সানজিদা হত্যার দায় স্বীকার করলো গর্ভধারিনী মা

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের আলোচিত শিশু সানজিদা হত্যার দায় স্বীকার করলো গর্ভধারিনী মা

মসজিদের কক্ষে প্রেমিকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা ইমাম

মসজিদের কক্ষে প্রেমিকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা ইমাম

কিশোরগঞ্জে স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় মেয়ের ফাঁসি ও মায়ের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জে স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় মেয়ের ফাঁসি ও মায়ের যাবজ্জীবন

পানিতে সারা-বরুণের ঠোঁটঠাসা চুমু, "কুলি নম্বর ১"এর ট্রেলার নিয়ে হইচই

পানিতে সারা-বরুণের ঠোঁটঠাসা চুমু, "কুলি নম্বর ১"এর ট্রেলার নিয়ে হইচই

জামালপুরে শিশুপুত্রকে হত্যার দায়ে পিতার মৃত্যুদন্ড

জামালপুরে শিশুপুত্রকে হত্যার দায়ে পিতার মৃত্যুদন্ড

নিজ পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে সুন্দরগঞ্জে ধর্ষক শ্বশুর গ্রেফতার

নিজ পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে সুন্দরগঞ্জে ধর্ষক শ্বশুর গ্রেফতার

২০২০ সালে বিচ্ছেদ হলো যাদের

২০২০ সালে বিচ্ছেদ হলো যাদের

বেনাপোল বর্ডার দিয়ে দেড় বছর পরে দেশে ফিরল ৪ বাংলাদেশী যুবতী

বেনাপোল বর্ডার দিয়ে দেড় বছর পরে দেশে ফিরল ৪ বাংলাদেশী যুবতী

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য হলেন সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু

দ্বিতীয় ধাপে ৬০ পৌরসভার ভোট জানুয়ারিতে, একটি দলের নিবন্ধন বাতিল

দ্বিতীয় ধাপে ৬০ পৌরসভার ভোট জানুয়ারিতে, একটি দলের নিবন্ধন বাতিল

শীতে এলেই বাড়ে হাড়ের ব্যথা, কী করবেন

শীতে এলেই বাড়ে হাড়ের ব্যথা, কী করবেন

খাল ধ্বংস করে সড়ক নির্মাণ

খাল ধ্বংস করে সড়ক নির্মাণ

১০ বছর প্রেম করে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বাবর

১০ বছর প্রেম করে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বাবর

ভাস্কর্য আর মূর্তি এক নয়: ধর্মপ্রতিমন্ত্রী

ভাস্কর্য আর মূর্তি এক নয়: ধর্মপ্রতিমন্ত্রী

প্রভাষক জোসেফ খান আর নেই

প্রভাষক জোসেফ খান আর নেই

সর্বশেষ

ইতিহাসের আজকের দিনেঃ ৩০ নভেম্বর

ইতিহাসের আজকের দিনেঃ ৩০ নভেম্বর

নওগাঁয় করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ মোবাবেলায় সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

নওগাঁয় করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ মোবাবেলায় সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

ছোট শিশুর মৃত্যু

ছোট শিশুর মৃত্যু

জমসেদ আলীর নামে ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত মিথ্যা খবরের প্রতিবাদ

জমসেদ আলীর নামে ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত মিথ্যা খবরের প্রতিবাদ

এবার বেবি পাম্প নিয়ে হাজির অনুষ্কা শর্মা

এবার বেবি পাম্প নিয়ে হাজির অনুষ্কা শর্মা

ধারাবাহিক আল কোরআন ; সূরা আল বাকারা, আয়াত ৭৫, বাংলা তরজমা ও তাফসির !

ধারাবাহিক আল কোরআন ; সূরা আল বাকারা, আয়াত ৭৫, বাংলা তরজমা ও তাফসির !

শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ দশা! কি হতে যাচেছ সামনে?

শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ দশা! কি হতে যাচেছ সামনে?

শুটিংয়ের মাঝেই স্ট্রোক, হাসপাতালে "আশিকি" নায়ক

শুটিংয়ের মাঝেই স্ট্রোক, হাসপাতালে "আশিকি" নায়ক

তাড়াইলে বিএনপি’র দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি  সভা, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

তাড়াইলে বিএনপি’র দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সভা, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা

"ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর" স্বপ্ন পূরণের সারথি

"ক্যান্টনমেন্ট কলেজ যশোর" স্বপ্ন পূরণের সারথি

আরো আধুনিক হচ্ছে রেলের অনলাইন টিকিট ব্যবস্থাপনা

আরো আধুনিক হচ্ছে রেলের অনলাইন টিকিট ব্যবস্থাপনা

কল্লগ্রাম থেকে উদ্ধার, টানা ৮ দিন প্রেমিক ও তার বন্ধুদের ধর্ষনের শিকার কিশোরী

কল্লগ্রাম থেকে উদ্ধার, টানা ৮ দিন প্রেমিক ও তার বন্ধুদের ধর্ষনের শিকার কিশোরী

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেল সেতু যেমন হবে

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেল সেতু যেমন হবে

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে মাশরাফির

আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে মাশরাফির