About Us
Md. Motahar hossain.
প্রকাশ ২০/১১/২০২০ ১২:২৪পি এম

বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান বিখ্যাত “পায়রাবন্দ”

বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান বিখ্যাত “পায়রাবন্দ” Ad Banner

বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বিখ্যাত “পায়রাবন্দ” ইউনিয়নের শিঙিকুড়া এলাকায় শালমারা নদীর ওপরে সেতু নির্মান না হওয়ায় আশেপাশের কয়েক গ্রামের হাজার  হাজার মানুষ যাতায়াত সমস্যায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এলাকার লোকজনকে কলাগাছের ভেলায় করে নদী পার হতে হয়। 

ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, এলাকাবাসীর উদ্যোগে ২০/২২ বছর আগে শিঙিকুড়া এলাকায় শালমারা নদীর ওপর কাঠ, বাঁশ ও লোহার পাত দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করা হয়। প্রতিবছর সাঁকোটি স্থানীয় উদ্যোগে সংস্কার করা হতো। গত সেপ্টেম্বর মাসে রংপুরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হলে তাতে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে। যা আজো মেরামত বা পুনঃনির্মান করা হয়নি। ফলে এখনকার কয়েকহাজার মানুষের  নদী পারাপারের মাধ্যম হয়ে উঠেছে একমাত্র কলাগাছের ভেলা। পায়রাবন্দ ইউনিয়নের জয়রামপুর আনোয়ার, শালাইপুর, বাড়াইপাড়া, তেলিপাড়া, জাফরপুর, শিঙিকুড়া ও বিরাহিমপুর গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণভাবে কলার ভেলায় নদী পারাপার করছে। অনেকে পায়রাবন্দ দিয়ে প্রায় সাত কিলোমিটার পথ ঘুরে উপজেলা সদরে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীর পানি শুকিয়ে গেছে। দুই পাড়ের দূরত্ব প্রায় ৬০ ফুট। লোকজন ভেলায় করে নদী পার হচ্ছে। জয়রামপুর এলাকার শিক্ষক বাহাদুর চন্দ্র বলেন, ‘গ্রামের মানুষ নিজেদের উদ্যোগে সাঁকোটি নির্মাণ করেছিল। আমাদের চলাচলে কোনো অসুবিধা হতো না। কিন্তু সাঁকোটি বৃষ্টি ও বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে গেছে। এখন আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে।’ বাড়াইপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী ভোলা মিয়া বলেন, মালামাল নিয়া পায়রাবন্দে যাওয়া-আসা খুব কষ্ট হইছে। ভেলাত করি যাওয়া লাগে। রাত হইলে খুব অসুবিধা হয়।

পায়রাবন্দ ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুস সালাম বলেন, এখানে সেতু নির্মাণের দাবি ছিল অনেক দিনের। কিন্তু সেতু নির্মিত না হওয়ায় স্থানীয় উদ্যোগে কাঠ, বাঁশ ও লোহার পাত দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছিল। সেটি বেশ মজবুতও ছিল। তবে এবার বন্যার পানির তোড়ে সেটিও ভেঙে গেল। এখন কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে পায়রাবন্দ ইউপির চেয়ারম্যান ফয়জার রহমান বলেন, শিগগিরই সেখানে সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু হবে। মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরকার বলেন, সেখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণের চেষ্টা চলছে। কিন্তু কবে নাগাদ নির্মাণকাজ শুরু হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।

সর্বশেষ, ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর চাওয়া-পাওয়া নিয়ম-নীতির বালাইয়ের মারপ্যাচ নয় তারা অতিদ্রুত ভাঙ্গা সেতু নির্মান চান। আর কর্তৃপক্ষ সেটাই করবেন এমনটাই আশা সবার।



শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ